আগামীর বাংলাদেশ
স্মার্ট ট্রাফিক, স্মার্ট সিটি
ডোর টু ডোর,
(ক) স্মার্ট ট্র্যাফিক সিস্টেম।
(খ) পথচারী বান্ধব ফুটপাত।
(গ) নিরাপদ সড়ক ব্যবস্থা।
(ঘ) বাস রুটে সমগতির গণপরিবহণ (>৫০ কিঃমিঃ/ঘণ্টা)।
(ঙ) প্রাইভেট মোটরযানের পরিবর্তে গণবাহন ব্যবহারে উপযুক্ত পরিবেশ ও উৎসাহ প্রদান।
(চ) শহরতলী ও পার্শ্ববর্তি বা দূরবর্তী জেলা থেকে যৌক্তিক সময়ের মধ্যে রাজধানীতে আসা-যাওয়ার ব্যবস্থা।
(ছ) দূষণ কমানো।
(জ) গ্রিন ঢাকায় রূপান্তর।
জনগণতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান
(ক) মজবুত জাতীয় ঐক্য।
(খ) সামজিক সুরক্ষা ও সুষ্ঠু ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা।
(গ) দেশের একমাত্র সম্পদ হিসাবে মানব সম্পদ নির্ধারণ।
(ঘ) বাংলাদেশ পন্থী সমাজ, আইন ও বিচার ব্যবস্থা রূপান্তর।
(ঙ) প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতির দায়িত্বের মধ্যে ভারসাম্য এবং রাষ্ট্রপতির উপদেষ্টা পরিষদ গঠন (জাতীয় পরিষদ)।
(চ) বিরোধী দলকে সহযোগী সরকারি দলে রূপান্তর এবং প্রত্যেক সাংসদকে রাষ্ট্র পরিচালনায় অন্তর্ভুক্ত করণ।
(ছ) সংরক্ষিত আসনের মাধ্যমে সকল শ্রেণী-পেশার বিজ্ঞ জনদের রাষ্ট্র পরিচালনায় অন্তর্ভুক্ত করণ।
(জ) এক দেশ এক সিটির আওতায় ইউনিয়ন পর্যায়ে নগর সুবিধা প্রদান।
(ঝ) জনপ্রতিনিধি ও সরকারি চাকরিজীবীদের কাজের ভারসাম্যতা, স্বচ্ছতা, ও দায়বদ্ধতা সৃষ্টি।
নির্বাচন কমিশন বিভাগ (তফসিল)
(ক) ভোট জালিয়াতি রোধ এবং জনগণের রায়ের প্রতিফলণ নিশ্চিত করণ।
(খ) নির্বাচন ও ফলাফল নিয়ে ভোটার ও প্রার্থীর মধ্যে কোনো প্রকার সন্দেহ বা সংকোচ বা ক্ষোভ দূর করণ।
(গ) সৎ, নিষ্ঠাবান, ন্যায়পরায়ণ ও অহিংসু নাগরিকের জন্য নির্বাচনে অংশগ্রহণের পথ উন্মুক্ত করণ।
(ঘ) প্রার্থীকে জানা, শোনা, বুঝা ও গভীরভাবে যাচাই করার সক্ষমতার ভিত্তিতে জনসম্পৃক্ত নির্বাচন দুই ভাগে বিভক্ত করণ।
(ঙ) বিভিন্ন উদ্যোক্তা, শ্রমিক, ছাত্র সংসদ ইত্যাদি গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচন, নির্বাচন বিভাগের অন্তর্ভুক্ত করণ।
(চ) নির্দিষ্ট পদে জয়ী ও পরাজিত প্রার্থীর জন্য প্রার্থিতার আবেদনে সীমাবদ্ধতা অর্পণ।
(ছ) ঊর্ধ্বতন পদের প্রার্থীতায় নিম্ন পদের যোগ্যতা সংযুক্ত করণ।
(জ) রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন, নিবন্ধন নবায়ন ও নিবন্ধন বাতিলের যথাযথ বিধান প্রণয়ন।
জাতীয় পরিষদ (তফসিল)
(ক) সকল আর্থিক প্রতিষ্ঠান, মাল্টিমিডিয়া, স্বাস্থ্য সেবা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সামাজিক ব্যবসায় অন্তর্ভুক্ত করণ।
(খ) দক্ষ শ্রমিক থেকে উদ্যোক্তায় রূপান্তরে ভূমি, অনুদান এবং দক্ষতার ভিত্তিতে ১০ বছর মেয়াদী সুদবিহীন ঋণ ব্যবস্থা।
(গ) উদ্যোক্তা/প্রতিষ্ঠান কর্তৃক ছাড়পত্রের ভিত্তিতে সরকারি তহবিল থেকে শ্রমিকদের যথা সময়ে বেতন-ভাতা প্রদান।
(ঘ) উদ্যোক্তা ও শ্রমিকদের মধ্যে কৃতজ্ঞতার সম্পর্ক সৃষ্টি করণ এবং তাঁদেরকে সামাজিক কার্যক্রম সহ স্থানীয় সংস্থায় সংযুক্ত করণ।
(ঙ) তৃণমূল থেকে উদ্যোক্তা ও শ্রমিকদের সংগঠন নিরপেক্ষ, স্বাধীন ও প্রভাব মুক্ত করণ এবং সংসদে উদ্যোক্তাদের জন্য সংরক্ষিত আসন সৃষ্টি করণ।
(চ) ব্যবসার সম্পদ চুরি বা ক্ষতি হলে, ৭২ ঘণ্টার মধ্যে সরকারি তহবিল থেকে ক্ষতিপূরণ প্রদান।
(ছ) দেশের ৭১ বছর নিম্ন প্রত্যেক দম্পতিকে আবাসিক অঞ্চলে সবুজ বাড়ির জন্য ভূমি বরাদ্দ করণ।
(জ) বিপুল জনসংখ্যার ছোট্ট দেশে ভূমি সম্পদ (ব্যক্তি) ও ভূমি ব্যবসা বিলুপ্ত করণ।
বাংলাদেশ সরকার
(ক) নিয়োগদাতা ও নিয়োগগ্রহীতার মধ্যে সহজ যোগাযোগ ও স্বার্থ সুরক্ষা নিশ্চিতকল্পে প্লাটফর্ম পরিচালনা করা হবে।
(খ) সরকারি ও বেসরকারি শ্রমিকের পে-স্কেল একই থাকবে এবং প্রতি ৩ বছর পরপর পুনঃমূল্যায়ন করা হবে।
(গ) সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে একজন শ্রমিক বছরে মোট ১২৫ দিন ছুটি পাবেন।
(ঘ) কোনো শ্রমিক ৮ ঘণ্টার অতিরিক্ত ১ ঘণ্টা করে সর্বোচ্চ ৪ ঘণ্টা জন্য অতিরিক্ত ওভার টাইম পাবেন।
(ঙ) সামরিক বাহিনীর সদস্য ব্যতীত নাগরিকতন্ত্রের কর্মে প্রবেশের বয়স ১৮ বছর থেকে ৬৫ বছর হবে।
(চ) সরকারি কর্মে ৫ম গ্রেড থেকে ১ম গ্রেডের সকল পদ ক্যাডার পদ হবে এবং কর্মকর্তা বলে অভিহিত করা হবে।
(ছ) নাগরিকতন্ত্রের কর্মের স্থায়ী পদ সমূহ ৯টি ক্যাটাগরিতে বিভক্ত করা হবে।
(জ) নাগরিকতন্ত্রের কর্মী টিম আকারে কাজ করবে।
(ঝ) সরাসরি জনসেবা সম্পৃক্ত প্রতিষ্ঠান সপ্তাহে ৭ দিন এবং দুই শিফটে খোলা থাকবে।
(ঞ) নাগরিকতন্ত্রের প্রতিটি প্রতিষ্ঠান টেকনিক্যাল ও ম্যানেজমেন্ট দুটি বিভাগ থাকবে।
উদ্যোক্তা ও সম্পত্তি (তফসিল)
(ক) সকল আর্থিক প্রতিষ্ঠান, মাল্টিমিডিয়া, স্বাস্থ্য সেবা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সামাজিক ব্যবসায় অন্তর্ভুক্ত করণ।
(খ) দক্ষ শ্রমিক থেকে উদ্যোক্তায় রূপান্তরে ভূমি, অনুদান এবং দক্ষতার ভিত্তিতে ১০ বছর মেয়াদী সুদবিহীন ঋণ ব্যবস্থা।
(গ) উদ্যোক্তা/প্রতিষ্ঠান কর্তৃক ছাড়পত্রের ভিত্তিতে সরকারি তহবিল থেকে শ্রমিকদের যথা সময়ে বেতন-ভাতা প্রদান।
(ঘ) উদ্যোক্তা ও শ্রমিকদের মধ্যে কৃতজ্ঞতার সম্পর্ক সৃষ্টি করণ এবং তাঁদেরকে সামাজিক কার্যক্রম সহ স্থানীয় সংস্থায় সংযুক্ত করণ।
(ঙ) তৃণমূল থেকে উদ্যোক্তা ও শ্রমিকদের সংগঠন নিরপেক্ষ, স্বাধীন ও প্রভাব মুক্ত করণ এবং সংসদে উদ্যোক্তাদের জন্য সংরক্ষিত আসন সৃষ্টি করণ।
(চ) ব্যবসার সম্পদ চুরি বা ক্ষতি হলে, ৭২ ঘণ্টার মধ্যে সরকারি তহবিল থেকে ক্ষতিপূরণ প্রদান।
(ছ) দেশের ৭১ বছর নিম্ন প্রত্যেক দম্পতিকে আবাসিক অঞ্চলে সবুজ বাড়ির জন্য ভূমি বরাদ্দ করণ।
(জ) বিপুল জনসংখ্যার ছোট্ট দেশে ভূমি সম্পদ (ব্যক্তি) ও ভূমি ব্যবসা বিলুপ্ত করণ।
বাংলাদেশ কর্ম বিভাগ (তফসিল)
(ক) নিয়োগদাতা ও নিয়োগগ্রহীতার মধ্যে সহজ যোগাযোগ ও স্বার্থ সুরক্ষা নিশ্চিতকল্পে প্লাটফর্ম পরিচালনা করা হবে।
(খ) সরকারি ও বেসরকারি শ্রমিকের পে-স্কেল একই থাকবে এবং প্রতি ৩ বছর পরপর পুনঃমূল্যায়ন করা হবে।
(গ) সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে একজন শ্রমিক বছরে মোট ১২৫ দিন ছুটি পাবেন।
(ঘ) কোনো শ্রমিক ৮ ঘণ্টার অতিরিক্ত ১ ঘণ্টা করে সর্বোচ্চ ৪ ঘণ্টা জন্য অতিরিক্ত ওভার টাইম পাবেন।
(ঙ) সামরিক বাহিনীর সদস্য ব্যতীত নাগরিকতন্ত্রের কর্মে প্রবেশের বয়স ১৮ বছর থেকে ৬৫ বছর হবে।
(চ) সরকারি কর্মে ৫ম গ্রেড থেকে ১ম গ্রেডের সকল পদ ক্যাডার পদ হবে এবং কর্মকর্তা বলে অভিহিত করা হবে।
(ছ) নাগরিকতন্ত্রের কর্মের স্থায়ী পদ সমূহ ৯টি ক্যাটাগরিতে বিভক্ত করা হবে।
(জ) নাগরিকতন্ত্রের কর্মী টিম আকারে কাজ করবে।
(ঝ) সরাসরি জনসেবা সম্পৃক্ত প্রতিষ্ঠান সপ্তাহে ৭ দিন এবং দুই শিফটে খোলা থাকবে।
(ঞ) নাগরিকতন্ত্রের প্রতিটি প্রতিষ্ঠান টেকনিক্যাল ও ম্যানেজমেন্ট দুটি বিভাগ থাকবে।
স্থানীয় সংস্থা (তফসিল)
(ক) স্থানীয় সরকারের পরিবর্তে স্থানীয় সংস্থা নাম করণ।
(খ) স্থানীয় সংস্থাকে আঞ্চলিক টেকসই উন্নয়ন পরিকল্পনার প্রধান মাস্টারমাইন্ড ও তদারককারী হিসাবে রূপান্তর।
(গ) পরিষেবা অঞ্চল ব্যতীত স্থানীয় সংস্থার প্রতিটি ইউনিটে নারীদের সমান মূল্যায়ন।
(ঘ) আঞ্চলিক পরিষদের নারী চেয়ারম্যানবৃন্দ পদাধিকার বলে সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য হবেন।
(ঙ) আঞ্চলিক পরিষদের চেয়ারম্যানবৃন্দ পদাধিকার বলে জাতীয় পরিষদের সদস্য হবেন।
(চ) পরিষেবা অঞ্চলের (সিটি কর্পোরেশন) পরিচালনা পর্ষদ ঐ এলাকার চেম্বার অফ কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রির নির্বাচিত সদস্যবৃন্দ হবেন।
(ছ) সাবেক কেন্দ্রীয় ও আঞ্চলিক পরিষেবা অঞ্চলের সদস্যদের মধ্য থেকে যোগ্যতা ও মুল্যায়নের ভিত্তিতে কূটনৈতিক হিসাবে নিয়োগ প্রাপ্ত হবেন।
(জ) স্থানীয় সংস্থা প্রতিটি ইউনিটে খন্ডকালীন সদস্য পদে ঐ এলাকার শীর্ষ ২ জন ছেলে ও ২ জন মেয়ে শিক্ষার্থী থাকবে।
(ঝ) স্থানীয় সংস্থার ভিত্তিতে এক দেশ এক সিটি রূপরেখা বাস্তবায়ন করা হবে।
শিক্ষা ব্যবস্থা (তফসিল)
(ক) উদ্যোক্তা বান্ধব পরিবেশ ও শিক্ষা ব্যবস্থা নিশ্চিত করণ।
(খ) মানুষ ও প্রকৃতির কল্যাণে কর্মমুখী শিক্ষা ব্যবস্থা।
(গ) মতামত গ্রহণ, পারস্পরিক সমঝোতা, সহযোগিতা ও সহমর্মিতার সমাজ প্রতিষ্ঠামূলক সুশিক্ষা ব্যবস্থা।
(ঘ) প্রতি ক্লাসে প্রয়োজনীয় আইন, ব্রেইন, টাইম ও মানি ম্যানেজমেন্ট অন্তর্ভুক্ত করণ।
(ঙ) মাতৃভাষা সহ বিদেশী অন্তত দুটি ভাষায় দক্ষতা অর্জন।
(চ) বিশ্বব্যাপী চাকরির বাজারের উপযোগী শিক্ষা ব্যবস্থা এবং সরকারি খরচে আন্তর্জাতিক ভাষা ও দক্ষতা পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ প্রদান করা হবে।
(ছ) প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ২ শিফটে ক্লাস হবে এবং একটি ক্লাস বা শাখা ক্লাসে ২০ জন শিক্ষার্থী থাকবে।
(জ) প্রতিবছর নির্দিষ্ট সময়ে স্টুডেন্ট ইউনিয়ন নির্বাচন হবে এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের গভর্নিং বডির সদস্য হবেন।
(ঝ) প্রত্যেক শিক্ষার্থী ৫ থেকে ২৫ বছর বয়স পর্যন্ত প্রতি মাসে ৫০০০ টাকা সুদবিহীন শিক্ষা ঋণ গ্রহণ করতে পারবে।
(জ) দেশের এক্সট্রা অর্ডিনারি ও জাতীয় মেধার ১০০০ শিক্ষার্থীকে বেতন-ভাতা দিয়ে শুরু থেকে গবেষণা সহ আন্তর্জাতিক সংস্থায় কর্ম উপযোগী করে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হবে।
(ঝ) আবাসিক অঞ্চলের পরিবার সংখ্যার ভিত্তিতে ওয়ার্ড পর্যায় থেকে বিভিন্ন মাধ্যমের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জাতীয় করণ করা হবে।
স্বাস্থ্য বিভাগ
(ক) রোগ হওয়া রোধে প্রতিটি ওয়ার্ডে কমিউনিটি মেডিসিন কার্যক্রম।
(খ) কমিউনিটি মেডিসিনের আওতায় প্রতিটি ওয়ার্ডে পার্ক, খেলার মাঠ, ব্যায়ামাগার, সুইমিং পুল, ইত্যাদি শারীরিক কসরতের ব্যবস্থা করণ।
(গ) প্রতিটি ইউনিয়নে মাল্টিপ্লেক্সের মাধ্যমে মানসিক সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করণ।
(ঘ) সবুজ বাড়ির মাধ্যমে অর্গানিক খাদ্য ব্যবস্থায় সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করণ।
(ঙ) প্রতিটি উপজেলায় ২৫০ শয্যা হাসপাতাল ও ইউনিয়নে ৫০ শয্যা বিশিষ্ট স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আধুনিক টেস্ট ব্যবস্থা থাকবে।
(চ) স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মাধ্যমে হোম স্বাস্থ্য সেবা ও মোবাইল স্বাস্থ্য সেবা প্রদান।
(ছ) শিশু ও প্রবীণদের অর্ধেক মূল্যে ওষুধ ও চিকিৎসা সেবা প্রদান।
(জ) প্রতিটি জেলায় ৫০০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতাল, বিভাগে প্রায় সকল বিষয়ের বিশেষায়িত হাসপাতাল ইনস্টিটিউট, এবং রাজধানীতে একটি অধিক বিশেষায়িত হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করণ।
(ঝ) স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ব্যতীত সকল হাসপাতালে রেফারাল পদ্ধতিতে সেবা প্রদান।
(ঞ) প্রতিটি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও হাসপাতালে ২ শিফটে সেবা প্রদানের ব্যবস্থা।
নিরাপত্তা ও সুরক্ষা
(ক) প্রতিটি ইউনিয়নে এসপি (নিরাপত্তা ও সুরক্ষা) স্টেশন ও জাতীয় নিরাপত্তা চৌকি স্থাপন।
(খ) পাবলিক প্লেসে সর্বাত্মক সিসিটিভি মনিটরিং ব্যবস্থা এবং সদস্যদের বডি ক্যামেরা বাধ্যতামূলক করণ।
(গ) ফুটেজ দেখে অনলাইনে মামলা ও বাসায় গিয়ে মামলা প্রদান এবং ফুটেজ সহ নথি প্রদান।
(ঘ) কিছু ক্ষেত্র ব্যতীত নিদিষ্ট সময়ে জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট হাজির হওয়ার শর্তে আটক থেকে বিরত থাকা।
(ঙ) আটকের ক্ষেত্রে আটককারীকে ৯৯৯ কল করে সদস্যের আইডেন্টিটি নিশ্চিত হতে সহযোগিতা করা।
(চ) বাহিনীর কোনো সদস্য কর্তৃক সম্ভব অপরাধী/ অপরাধীর গায়ে আঘাত বা কটু কথা বলা অপরাধ হবে।
(ছ) কেবল জেলা ও বিভাগীয় কারাগারে সাজা প্রাপ্ত আসামীর দ্বারা রিমান্ড বাস্তবায়ন করা যাবে।
(জ) বর্তমান সমাজ কল্যাণ মন্ত্রনালয় স্বরাষ্ট্র (জননিরাপত্তা) মন্ত্রনালয়ের একটি বিভাগ হবে।
(ঝ) ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা, কারাগার, আগুণ নিয়ন্ত্রণ, সড়ক-রেল-নৌ সুরক্ষা ইত্যাদি সংক্রান্ত মামলা ও তদন্ত সুরক্ষা সেবা মন্ত্রনালয়ের অধীন হবে।
(ঞ) চুরি, মাদক, কালোটাকা ও জুয়া, ডিজিটাল নিরাপত্তা, সাইবার অপরাধ, ইত্যাদি এ সংক্রান্ত মামলা ও তদন্ত স্বরাষ্ট্র (জননিরাপত্তা) মন্ত্রনালয়ের অধীন হবে।
(ট) সীমানা নিরাপত্তা, বহিরাগমন ও পাসপোর্ট, আহত ও হত্যা ইত্যাদি সংক্রান্ত মামলা ও তদন্ত জাতীয় নিরাপত্তা বিষয়ক মন্ত্রনালয়ের অধীন হবে।
(ঠ) আগ্নেয়াস্ত্র, বিদেশী শত্রু, বিদেশীদের পক্ষের শত্রু সংক্রান্ত মামলা ও তদন্ত কার্যক্রম প্রতিরক্ষা মন্ত্রনালয়ের অধীন হবে।
বাংলাদেশ ব্রান্ড (পররাষ্ট্রনীতি)
(ক) “Nothing is above humanity-সবার উপরে মানুষ সত্য, তাহার উপরে নাই” নতুন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির মূলপ্রতিপাদ্য হবে।
(খ) নতুন বাংলাদেশ পররাষ্ট্রনীতি হবে বিশ্ব জুড়ে ‘এক বিশ্ব, এক জাতি’ চেতনার বিশ্বাস ঘটানো।
(গ) শত্রুভাবাপন্ন কোনো দেশের অনুরূপ বা তনুর্ধ্ব শক্তি সম্পন্ন দেশের সহিত পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তি স্থাপন।
(ঘ) নিকটতম কোনো দেশ মানবতা প্রদর্শন ও যৌক্তিক সিদ্ধান্ত না গ্রহণ করলে, স্বাধীনতাকামীদের অস্ত্র ও প্রশিক্ষণ দিয়ে স্বাধীনতার স্বীকৃতি প্রদান করা হবে।
(ঙ) মিয়ানমারের জনপ্রতিনিধিদের সাথে সমন্বয় করে রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করা হবে এবং সামরিক ঘাটি স্থাপন করা হবে।
(চ) পার্টির নীতির ভিত্তিতে মধ্য এশিয়া, দক্ষিণ এশিয়া ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর সমন্বয়ে ইন্ডিয়ান ইউনিয়ন বা ফেডারেল রাষ্ট্র গঠন চেষ্টা করা হবে।
(ছ) পার্টির নির্বাচন ব্যবস্থা সহ পার্টির নীতি স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে নিঃস্বার্থভাবে বিস্তার ও সম্প্রসারণ করা হবে।
(জ) বন্ধুপ্রতিম স্বল্প উন্নত দেশে মৌলিক অধিকার সহ সবুজ বাড়ি, প্রযুক্তি ইত্যাদি প্রশিক্ষণ প্রদানে বাংলাদেশীদের উদ্বুদ্ধ করা হবে।
(ঝ) কূটনৈতিক পদে সাবেক কেন্দ্রীয় ও আঞ্চলিক চেম্বার অফ কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি’র সদস্য নিয়োগ প্রাপ্ত হবেন।
(ঞ) ভিসা প্রদানে বাংলাদেশের সংস্কৃতি ও নিয়মনীতির মান্যতা বাধ্যতামূলক করা হবে।
(ট) বিভিন্ন দেশের ছোট-বড় শহরের নামিদামি শপিং কপ্লেক্সে দেশি পণ্যের আউটলেটের ব্যবস্থা করা হবে।
(ঠ) বিভিন্ন দেশের প্রকল্পে অর্থ ও মেধা বিনিয়োগ করা হবে।
মজবুত অর্থনীতি
(ক) ১০ হাজার টাকার অধিক লেনদেনে ইলেকট্রিক মাধ্যম ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা হবে।
(খ) আর্থিক প্রতিষ্ঠান সার্ভিস চার্জ (০-৩%) গ্রহণ করবে এবং বাৎসরিক মূল্যস্ফীতির ভিত্তিতে সুদের হার/লভ্যাংশের পরিমাণ নির্ধারণ হবে।
(গ) দেশি উৎস থেকে একক ব্যক্তি এক বছরে সর্বোচ্চ ৬০ লাখ টাকা সমপরিমাণ সম্পদ ধারণ করতে পারবে।
(ঘ) দেশি উৎস থেকে কোনো ব্যক্তির স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের বাজার মূল্য অনুযায়ী সর্বোচ্চ ১০০ কোটি টাকা সমপরিমাণ সম্পদ বা অর্থ থাকতে পারবে।
(ঙ) শিক্ষার্থীদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সেভিংস শেখানো হবে এবং ১০ বছর বয়স থেকে রিটার্ন জমা দিতে হবে।
(চ) ৩৫ থেকে ৭০ বছর বয়স পর্যন্ত নির্দিষ্ট ডিগ্রির জন্য নির্দিষ্ট রেটে শিক্ষা ভাতা প্রদান করতে হবে।
(ছ) প্রত্যেক বিবাহিত দাপ্ততি জামানত ছাড়া উভয়ে পাঁচ লাখ করে দশ লাখ টাকা ১০ বছরের জন্য বিনাসুদে ঋণ নিতে পারবে।
(জ) জেলেদের ১০০০ আধুনিক মৎস্য জাহাজ প্রদান করা হবে এবং ১০ বছর যাবত অর্থ পরিশোধ করতে পারবে।
(ঝ) দেশের উন্নয়নে বিদেশি ঋণের পরিবর্তে দেশী প্রতিষ্ঠান ও নাগরিকদের হতে ঋণ, বিনিয়োগ ও অনুদান গ্রহণ করা হবে।
(ঞ) মাসে ১০ হাজার টাকার অধিক অনুদান বা গিফট প্রদান করলে নির্ধারিত কর ধার্য হবে।
(ট) অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির মাধ্যমে ডলার ও টাকার ব্যবধান ৮০ টাকার মধ্যে নামিয়ে আনা হবে।
(ঠ) আঞ্চলিক পর্যায়ে আন্তর্জাতিক সড়ক, নৌ ও আকাশ পথের যোগাযোগ ব্যবস্থা স্থাপন করা হবে।
শতাব্দীর চ্যালেঞ্জ
(ক) বাসা বাড়ি ও কারখানায় বৃষ্টির পানি এবং কৃষি কাজে খালের পানির ব্যবস্থা করে ভূগর্ভস্থ পানি ব্যবহার কমানো হবে।
(খ) পলি ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ২৫,০০০ বর্গ কিলোমিটার ভূমি উদ্ধার করা হবে।
(গ) মোহনায় বাদ নির্মাণ করে লবণাক্ততা রোধ ও কৃষি ভূমি উদ্ধার করা হবে।
(ঘ) নদী ভাঙ্গন ও বন্যা রোধে জাতীয় নদীগুলোর চ্যানেল ও মূল নদী দুই ভাগে বিভক্ত করে বন্যা রোধ, সেচ ও নৌ পরিবহনের ব্যবস্থা করা হবে।
(ঙ) নদীর পানির ন্যায্য হিস্যা প্রাপ্তিকে গুরুত্ব দিয়ে সর্বোচ্চ কূটনৈতিক প্রক্রিয়া ও উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
(চ) ড্রেনেজ, নৌ পরিবহন, শেচ ও বন্যা রোধে আবাসিক ও বাণিজ্যিক অঞ্চলের পাশে ক্যানেল ব্যবস্থা করা হবে।
(ছ) সিডিং ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে খরা ও অতিবৃষ্টি নিয়ন্ত্রণ করা হবে।
(জ) আন্তর্জাতিক সহযোগিতার মাধ্যমে অর্থ জোগাড় করা হবে।
সবুজ শক্তি
(ক) প্রতি চার মাসে একদিন 6 ঘন্টা পারিশ্রমিক বিহীন প্রত্যেক সক্ষম নাগরিক ইউনিয়ন পরিষদের অধীনে পরিবেশ উন্নয়নে অংশগ্রহণ বাধ্যতামূলক করা হবে।
(খ) রিসাইকেলিং বা পণ্য পূর্ণব্যবহার উপযোগী করে পণ্যের সর্বোচ্চ উপযোগ নিশ্চিত করা হবে।
(গ) সড়কের পাশ, নদীর পাড় সহ কৃষি অনুপযোগী সকল ভূমিতে বৃক্ষ রোপন করে সবুজায়ন নিশ্চিত করা হবে।
(ঘ) আবাসিক ও বাণিজ্যিক অঞ্চলের একপাশে নৌ-পরিবহন ও সেচ প্রকল্পের জন্য খাল থাকবে।
(ঙ) সোলার দিয়ে হাইড্রোজেন সহ বায়ুর জ্বালানি ইথানল ইত্যাদি উৎপাদন করে আমদানি ব্যয় কমানো হবে।
(চ) দেশের সকল নদী-খালের নির্দিষ্ট গভীরতা নিশ্চিত করা হবে।
(ছ) অর্গানিক খাদ্য, বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ, বায়োগ্যাস, জৈব সার সহ সবুজ বাড়ি স্থাপনে উদ্বুদ্ধ করা হবে এবং প্রতিটি সবুজ বাড়ির জন্য ১৫ লাখ টাকা ঋণ প্রদান করা হবে।
(জ) গণপরিবহনসহ ব্যক্তিগত দেশি ইলেকট্রিক বাহন ব্যবহার ও ব্যবহার উপযোগী পরিবেশ গড়ে তোলা হবে।
(ঝ) প্রতি এক কাঠা স্থায়ী আচ্ছাদিত ভূমির উপর এক কিলোওয়াট সোলার স্থাপন বাধ্যতামূলক করা হবে, সরকার দীর্ঘমেয়াদী ঋণে সোলার প্রদান করবে।
(ঞ) সাইকেলিং, ইতিবাচক মনোভাব সৃষ্টি, অযথা সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার রোধ, সবুজ বিনোদন সহ দেশি ও অলিম্পিক খেলাধুলা প্রতি বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে।
মানব সম্পদ
(ক) তৃণমূল থেকে নারী ও পুরুষের নেতৃতে ভারসাম্য সৃষ্টি করা হবে
(খ) কনফিডেন্স বুস্টার ট্রেনিং এর মাধ্যমে আত্মবিশ্বাস, সুষ্ঠু জীবন ধারণ, মানসিক ও শারীরিক সক্ষমতা অর্জন।
(গ) পারিবারিক, সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় জীবনযাপনে স্ব-স্ব ধর্মীয় বিশ্বাস অবিরত চর্চা করার সক্ষমতা অর্জন।
(ঘ) দেশের একমাত্র সম্পদ হিসেবে মানবসম্পদ নির্ধারণ করা হবে এবং মস্তিষ্ক নামক জিনি দৈত্যের ব্যবহার ও নিয়ন্ত্রণ কৌশল অর্জন ও উপযুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করা হবে।
(ঙ) সামাজিক ও পারিবারিক সম্পর্ক উন্নয়ন মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে পারিবার থেকে মানবিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করা হবে।
(চ) ব্যক্তির অবর্তমানে পারিবারিক ও আর্থিক সক্ষমতা নিশ্চিত করতে মাসিক কিস্তিতে অফেরতযোগ্য চিকিৎসা বীমা ও জীবন বীমার একটি প্যাকেজ গ্রহণ বাধ্যতামূলক করা হবে।
(ছ) ২২ সপ্তাহের ভ্রম থেকে ৯০ বছর পর্যন্ত কোনো ব্যক্তি মৃত্যুবরণ করলে অকাল মৃত্যু হিসেবে গণ্য হবে এবং অকাল মৃত্যু সরকার নিবৃত্ত করবে, এ রকম মৃত্যুর জন্য সরকার দায়ী থাকবে।
(জ) দেশি ও অলিম্পিক খেলা প্রোমোট করা হবে এবং সকলকে শারীরিক কসরত সম্বলিত খেলায় উদ্বুদ্ধ করা হবে।
(ঝ) শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শারীরিক শিক্ষকের পরিবর্তে প্রতি ওয়ার্ডে খেলার মাঠ কেন্দ্রীয় একাধিক শিক্ষক/ কোচ নিয়োগ দেওয়া হবে।
(ঞ) মাসে ১০ হাজার টাকার অধিক অনুদান বা গিফট প্রদান করলে নির্ধারিত কর ধার্য হবে।
(ট) ব্যক্তি স্বাধীনতার কারণে নারী/পুরুষ দেহ ব্যবসা লাইসেন্স নিতে পারবে। তবে, লাইসেন্স প্রদানের পূর্বে দেহ ব্যবসার যাওয়ার কারণ জেনে তা সমাধানে চেষ্টা করার মাধ্যমে দেহ ব্যবসা রোধ ও নিরসাহিত করা হবে।
(ঠ) ইতিবাচক বিষয় ও বিনোদনের প্রতি আগ্রহ সৃষ্টি করা হবে এবং নেতিবাচক বিষয় এড়িয়ে ইতিবাচক থাকতে সামাজ গঠনে আলোড়ন সৃষ্টি করা হবে।
(ঠ) সামাজিক সকল ক্ষেত্রে বিভিন্ন শ্রেণীর নারীর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে উপযুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করা হবে।
সামাজিক ন্যায় বিচার
(ক) সপ্তাহে এক বা একাধিক দিন গ্রাম আদালতে বিচারকার্য পরিচালনা করবেন।
(খ) বর্তমান জেলা আদালতের ন্যায় উপজেলা আদালত স্থাপন করা হবে।
(গ) জেলা আদালতে নির্দিষ্ট কিছু বিষয়ের মামলা নিষ্পত্তি কার্যক্রম পরিচালিত হবে এবং অস্থায়ী হাইকোর্ট স্থাপন করা হবে।
(ঘ) স্থায়ী হাইকোর্ট সহ অস্থায়ী আপিল বিভাগের জন্য আঞ্চলিক আদালত স্থাপন করা হবে।
(ঙ) প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনালে অন্যূন তিনজন জজের বেঞ্চ থাকবে।
(চ) নির্দিষ্ট আদালতের বিচারক নিয়োগে মামলা পরিচালনা সংখ্যা ও আইনজীবী পেশায় অভিজ্ঞতার বিধান করা হবে।
(ছ) রাজধানীতে আপিল বিভাগ থাকবে প্রধান বিচারপতি মাসে অন্তত কিছুদিন আঞ্চলিক আদালতে অফিস করবেন।
(জ) সততা ও ন্যায়পরায়ণতার সাথে দায়িত্ব পালন নিশ্চিত করতে রাষ্ট্রপতির অধীনে অ্যাটর্নি জেনারেল বিভাগ প্রতিষ্ঠা করা হবে।
(ঝ) বার কাউন্সিলের লাইসেন্সের মেয়াদ থাকবে পাঁচ বছর। প্রতি পাঁচ বছর পরপর ইমরোলমেন্ট করতে হবে। লাইসেন্স প্রাপ্ত প্রত্যেক আইনজীবী প্রতি মাসে সাপোর্টিং অর্থ (২০,০০০ টাকা) পাবেন।
(ঞ) সুখী বাংলাদেশের নীতি অনুসারে দেশে প্রচলিত সকল আইন বাংলাদেশ পন্থী করে নতুনভাবে প্রণয়ন করা হবে করা হবে।
(ট) বর্তমান আইনের জরিমানার সাথে একটি থেকে একটি শূন্য থেকে পাঁচটি শূন্য বৃদ্ধি করা হবে এবং কিছু ক্ষেত্রে কারাদণ্ডের পরিমাণ কমানো হবে।
ন্যায়পাল
(ক) জনপ্রতিনিধি ও সরকারি চাকরিজীবীদের অনিয়ম দুর্নীতি তদন্ত ও দুর্নীতি অনুসন্ধান কার্যক্রম পরিচালনায় ন্যায়পাল বিভাগ প্রতিষ্ঠা করা হবে।
(খ) ন্যায়পাল বিভাগ স্বউদ্যোগে জনপ্রতিনিধি ও সরকারি চাকরিজীবীদের কার্যক্রম নজরদারি করবেন এবং গোপনে দুর্নীতি অনুসন্ধান করবেন।
(গ) সেবা গ্রহীতার অভিযোগ তদন্ত করবেন এবং যথাযথ কর্তৃপক্ষকে তদন্ত রিপোর্টসহ যথাযথ ব্যবস্থা উল্লেখ করে তা বাস্তবায়নের জন্য সুপারিশ করবেন।
(ঘ) বাস্তবায়ন না করলে উপরাষ্ট্রপতি জাতীয় পরিষদের মাধ্যমে ‘যথাযথ কর্তৃপক্ষের’ বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।
(ঙ) প্রধান ন্যায়পাল উপরাষ্ট্রপতি পদমর্যাদা প্রাপ্ত হবেন।
(চ) উপজেলা থেকে ন্যায়পালের ইউনিট থাকবে।
জনগণ-পথ
(ক) দেশের প্রতিটি সড়ক মহাসড়ক ও পাবলিক প্লেসে এআই সিসিটিভি স্থাপন করা হবে।
(খ) নির্দিষ্ট পদ্ধতি সম্পন্ন করে ইউনিয়ন থেকে রাজধানী পর্যন্ত কেবল নির্দিষ্ট সড়কে রেলি/মিছিল/ আন্দোলন করা যাবে।
(গ) যমুনা, পদ্মা ও মেঘনার পাড়ে স্থায়ী মঞ্চ স্থাপন করা হবে, যেখানে সামাজিক অনুষ্ঠানের পাশাপাশি রাজনৈতিক অনুষ্ঠান আয়োজন করা যাবে।
(ঘ) প্রত্যেক এন্ডরোলমেন্ট বা লাইসেন্স প্রাপ্ত সাংবাদিককে সাপোর্টটিভ মানি (২০,০০০ টাকা) প্রদান করা হবে।
(ঙ) সামাজিক ও পারিবারিক সম্পর্ক উন্নয়ন মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে পারিবার থেকে মানবিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করা হবে।
(চ) আইন মেনে আবেদন করলে যেকেউ গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠা করতে পারবেন এবং সাংবাদিকে দক্ষতার ভিত্তিতে প্রায় এক কোটি টাকা দীর্ঘমেয়াদী সুদবিহীন ঋণ প্রদান করা হবে।
(ছ) প্রতিটি ওয়ার্ডের পার্কে জীবন ভবনের দ্বিতীয় তলায় ৭১টি পিসি, ফটোকপি মেশিন ও প্রিন্টার সমন্বয়ে উন্মুক্ত কম্পিউটার ল্যাব স্থাপন করা হবে।
(জ) দেশীয় সোশ্যাল ও যোগাযোগ মাধ্যম প্রতিষ্ঠা করা হবে, সরকারি ও ন্যাশনাল কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানের সকল কার্যক্রমে দেশীয় সোশ্যাল ও যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা হবে।
(ঝ) দেশের সংস্কৃতি কৃষ্টি ইতিহাস ঐতিহ্য স্বাধীন চেতনা গবেষণা ও যুক্তিগত চিন্তা সহ সংস্কৃতিমনস্ক মেধাবী জাতি গঠনে ওয়ার্ড থেকে রাজধানী পর্যন্ত প্ল্যাটফর্ম স্থাপন করা হবে এবং প্রতিটি উপজেলায় অডিও রেকর্ডরুম স্থাপন করা হবে।
(ঞ) আঞ্চলিক মিডিয়া হাউস স্থাপনে জন্য প্ল্যাটফর্ম প্রতিষ্ঠা করা হবে এবং মোবাইল ও সিরিয়াল আসক্তি রোধ ও বাসা বাড়িতে শান্তি প্রতিষ্ঠায় ইউনিয়ন পর্যায়ে সবুজ বিনোদনের জন্য মাল্টিপ্লেক্স স্থাপন করা হবে।
(ট) ফেক/বট আইডি ব্যবহার বা শনাক্ত যোগ্য নয় এমন কোনো প্লাটফর্ম ব্যবহার গুরুতর অপরাধ হবে এবং শনাক্ত যোগ্য নয় এমন আইডি দেখা ও শেয়ার করা অপরাধ হবে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার বা কার্যকলাপ বা বাক স্বাধীনতায় কোনো বাঁধা থাকবে না।
জাতীয় সংগীত
(ক) জুলাই আন্দোলনে দেখা যায় বর্তমান জাতীয় সংগীত আমাদেরকে আবেগ তাড়িত বা আলোড়িত করতে পারেনি, যতটা অন্য সঙ্গীত আলোড়িত করেছে।
(খ) ‘চিরদিন তোমার আকাশ’ এই বাক্যটি সাথে শিরকের বিষয় যুক্ত আছে, কাজেই প্রকৃত মুসলিম এই লাইনটা বলতে পারেনা।
(গ) জুলাই ছাত্র-জনতার আন্দোলনে ‘ধনধান্য পুষ্প ভরা’ গানটি আমাদের আবেগ তাড়িত করেছে এবং ঐক্যবদ্ধ করতে সহযোগিতা করেছে।
(ঘ) ‘ধনধান্য পুষ্প ভরা’ গানটি আমাদের সবুজ দেশ- সৌন্দর্য, পাখির কলরব, সামাজিক সম্পর্ক ও দৃঢ় ঐক্য গঠনে আলোড়ন সৃষ্টি করে।
(ঙ) কোনো ব্যক্তি বা ধর্মের প্রতি উৎসাহিত না হয়ে, জাতীয় সংগীত পরিবর্তনের কারণ বিস্তারিত উল্লেখ করা হয়েছে।
জরুরি হটলাইন