নিম্নের বিষয়টি শুনতে পারবেন।
ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন।
পড়ার চেয়ে যারা শুনতে পছন্দ করেন, তাঁরা এখানে বিষয়টি শুনতে পারবেন।
অনলাইন বা সফট কপি পড়তে অভ্যস্ত নন, তাঁরা ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন।
১.১ পার্টির উপদেষ্টা পরিষদ, ঊর্ধ্বতন কাউন্সিল, ঊর্ধ্বতন কার্যনির্বাহী কমিটি ও দায়বদ্ধ কাউন্সিলের পরামর্শে অর্থাৎ পার্টির সিদ্ধান্ত, নির্দেশ ও কর্মসূচি বাস্তবায়ন ও কার্যকর করা এবং তাঁহাদের কাজে সহযোগিতা করা।
১.২ পার্টির কোনো সদস্য গঠনতন্ত্র, ঘোষণাপত্র ও সিদ্ধান্ত তথা নীতিরীতি, লক্ষ্য, ও উদ্দেশ্যের পরিপন্থী কোনো কাজ করিলে কার্যনির্বাহী কমিটির দুই-তৃতীয়াংশ সদস্যের সম্মতিতে দায়বদ্ধ কাউন্সিলের কার্যপরিষদ বরাবর ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন করা।
১.৩ পার্টির সম্পদের যথাযথ মূল্যায়ন, সেবামূলক প্রতিষ্ঠান পরিচালনা এবং তাহা হইতে আয় সংরক্ষণ ও প্রয়োজনে ৮০ হাজার টাকা নিম্নে ব্যয় মেটানো। তবে ৮০ হাজার টাকার অধিক হইলে দায়বদ্ধ কাউন্সিলের অনুমতি লইবে।
১.৪ পার্টি ও রাষ্ট্রের ঐক্য, কল্যাণ, নিরাপত্তার স্বার্থে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বিষয়ে দায়বদ্ধ কাউন্সিলে প্রস্তাব প্রদান করা।
১.৫ দলের সদস্যরা যাতে দলের ঘোষণাপত্র, গঠনতন্ত্র, ধারা-উপধারা, বিধি ও উপবিধির মেনে চলেন এ কমিটি সে দিকে বিশেষ লক্ষ্য রাখা।
১.৬ পার্টি সদস্য সংগ্রহের ও সদস্যদের চাঁদা আদায়ে দায়বদ্ধ কাউন্সিলের অনুমতি ক্রমে বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা।
১.৭ দেশের স্বার্থে ও কল্যাণে নিজ বিভাগের অধীনস্থদের লইয়া সমস্যা সমাধান করিবেন এবং পরিকল্পনা প্রণয়ন করিয়া দায়বদ্ধ কাউন্সিলে প্রস্তাব প্রদান করা।
১.৮ বিষয়ভিত্তিক গবেষণা, মূল্যায়ন ও পর্যবেক্ষণমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করিয়া জনস্বার্থে যুগ উপযোগী এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা করিয়া দায়বদ্ধ কাউন্সিলে প্রস্তাব প্রদান করা।
১.৯ জনসাধারণের ইচ্ছা-আকাঙ্ক্ষা, চাহিদা, কল্যাণ, ও মৌলিক বিষয়ে পর্যালোচনা করিয়া দায়বদ্ধ কাউন্সিলে প্রস্তাব প্রদান করা।
১.১০ নারী কার্যনির্বাহী কমিটি নারী ও শিশুদের বিষয়ে সকল সমস্যা ও সমাধান, সুযোগ-সুবিধা, উন্নয়ন পরিকল্পনা করিবেন।
১.১১ পুরুষ কার্যনির্বাহী কমিটি পুরুষদের বিষয়ে সকল সমস্যা ও সমাধান, সুযোগ-সুবিধা, উন্নয়ন পরিকল্পনা করিবেন প্রয়োজনে নারী কার্যনির্বাহী কমিটিকে সহযোগিতা করবেন।
১.১২ দায়বদ্ধ কাউন্সিলের অনুমোদন সাপেক্ষ সংগঠনের কর্মচারী নিয়োগ ও বরখাস্ত করিতে পারিবেন।
১.১৩ সরাসরি বা ভার্চুয়াল সপ্তাহে অন্তত একটি কার্যনির্বাহী বৈঠক অনুষ্ঠিত হইবে, তবে দুটি বৈঠকের মধ্যে সর্বোচ্চ ১৫ দিনের অধিক গ্যাপ থাকিবে না, এবং দুই মাসে অন্তত একদিন নারী ও পরুষ কার্যনির্বাহী কমিটির মধ্যে ভার্চুয়ালি, প্রয়োজনে সরাসরি বৈঠক হইবে।
১.১৪ কার্যপরিষদের দুই-তৃতীয়াংশ সদস্যের সম্মতিতে সিদ্ধান্ত গৃহীত হইবে বা কোরাম পূর্ণ হইবে।
১.১৫ কার্যপরিষদের সদস্য ও পার্টির সদস্যদের মধ্যে হতে যেকোনো বিষয়ে বিভিন্ন অস্থায়ী বা স্থায়ী উপ-কমিটি নিয়োগ দিতে পারিবেন। তবে কমিটি নিয়োগ দিতে দায়বদ্ধ কাউন্সিলের অনুমোদন নিতে হইবে।
১.১৬ উপ-কমিটিসমূহে দলের সদস্য নন অথচ বিশেষ ক্ষেত্রে পারদর্শী, যোগ্যতা ও দক্ষতাসম্পন্ন এমন ব্যক্তিদেরকেও অন্তর্ভুক্ত করা যাইবে।
১.১৭ পার্টি কর্তৃক সাপ্তাহিক ও মাসিক ম্যাগাজিন ও পত্রিকা প্রকাশ এবং ব্লগ, স্যাটেলাইট চ্যানেল সোশ্যাল মিডিয়া ও ওয়েবসাইট যথাযথভাবে পরিচালনা করা।
১.১৮ পার্টির কাজ, উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য, কৃতি সন্তান, অনুপ্রেরণামূলক কাজ, ‘সদস্যদের সাফল্য, লেখা, গবেষণা ও উদ্ভাবন’, পার্টির কার্যক্রম, সিদ্ধান্ত, কর্মসূচি সহ পার্টির বক্তব্য, বিবৃতি, মন্তব্য, প্রকাশনা, সহায়ক তথ্য- উপাত্ত ও পরিসংখ্যান জনসম্মুখে প্রকাশ ও প্রচার করা।
১.১৯ দলের সদস্য ও স্থানীয় বিচার কার্য পরিচালনায় কার্যনির্বাহী কমিটি এক বা একাধিক আইনজীবী নির্ধারিত সম্মানী সহ নিয়োগ দিবেন।
১.২০ লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে স্থানীয় বিচার কার্যের ক্ষেত্রে অভিযুক্তকে হাজির বা বিচার মানতে বাধ্য করা যাবে না, সরকারি বিচার ব্যবস্থা (আদালত) উম্মুক্ত থাকবে। তবে আইনের মধ্য থেকে দলের প্রত্যেক সদস্য অবাধ্য উক্ত ব্যক্তিকে সকল প্রকার সেবা ও কারবার করা থেকে বিরত থাকতে পারবে/বয়কট করতে পারবে এবং অভিযোগকারীর পক্ষে কমিটির সিদ্ধান্তে আইনজীবী (কমিটির বিচারক) আদালতে মামলা পরিচালনা করতে পারবেন।
১.২১ নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে দলের সদস্যের (অভিযুক্ত ও অভিযোগকারী উভয় দলের সদস্য) বিচার কার্যের ক্ষেত্রে অভিযুক্তকে হাজির বা বিচার মানতে বাধ্য করা যাবে, তবে দলের গঠনতন্ত্র ও নীতি বিরোধী কাজের ক্ষেত্রে সরকারি বিচার ব্যবস্থা (আদালত) উম্মুক্ত থাকবে।
১.২২ নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে উপজেলা দলীয় বিচার বিভাগের রায়ের কপি সহ লিখিত নিষ্পত্তি আবেদনের ভিত্তিতে জেলা দলীয় বিচার বিভাগে আবেদন করা যাবে, জেলা দলীয় বিচার বিভাগের রায় চূড়ান্ত বলে গণ হবে।
১.২৩ আমন্ত্রণ ব্যতীত বা বিষয় ভিত্তিক আইন ও তথ্য সদস্যদ্বয় ব্যতীত অন্য কোনো সদস্য একান্ত ব্যক্তিগত কারণ ছাড়া সরকারি প্রতিষ্ঠান যাওয়া বা কাজে হস্তক্ষেপ, অনুরোধ, সুপারিশ ইত্যাদি করতে পারবেন না, গুরুতর অপরাধ হবে। এ সকল কাজে কেবল, বিষয় ভিত্তিক আইন ও তথ্য সদস্যদ্বয় দায়িত্ব পালন করবেন।