নিম্নের বিষয়টি শুনতে পারবেন।
ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন।
পড়ার চেয়ে যারা শুনতে পছন্দ করেন, তাঁরা এখানে বিষয়টি শুনতে পারবেন।
অনলাইন বা সফট কপি পড়তে অভ্যস্ত নন, তাঁরা ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন।
১।
ওয়ার্ড কার্যনির্বাহী কমিটির নির্বাচন
(১.১) প্রতি চার বছর পরপর অধিবর্ষের জানুয়ারি
মাসে ইনস্ট্যান্ট রান-অফ ‘টপ ২৪’ ভোটিং পদ্ধতিতে কার্যনির্বাহী কমিটির ৫০টি পদে
নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে (২৪টি কর্মকর্তা পদ এবং ২৬টি নির্বাহী সদস্য পদ)।
(১.২) নির্বাচন পরিচালনা কার্যক্রম (এক দিনে একটি বিভাগে ভোট অনুষ্ঠিত হবে),
(১.২.১) প্রেসিডিয়াম
কমিটির সকল সদস্য (নির্বাচন কমিশন)।
(১.২.২) কেন্দ্রীয়
কাউন্সিল কার্যপরিষদের সকল সদস্য (উপ নির্বাচন কমিশন)।
(১.২.৩) পার্শ্ববর্তী
বিভাগের (ক্লক ওয়াইজ) আঞ্চলিক
কাউন্সিল কার্যপরিষদের সকল সদস্য (রিটার্নিং কর্মকর্তা)।
(১.২.৪) পার্শ্ববর্তী বিভাগের (এন্টি ক্লক ওয়াইজ) সকল জেলার কাউন্সিল কার্যপরিষদের সকল
সদস্য (সহকারী রিটার্নিং
কর্মকর্তা)।
(১.২.৫) পার্শ্ববর্তী বিভাগের (ক্লক ওয়াইজ) সকল উপজেলার কাউন্সিল কার্যপরিষদের সকল
সদস্য (পিজাইডিং অফিসার)।
(১.২.৬) পার্শ্ববর্তী বিভাগের (এন্টি ক্লক ওয়াইজ) সকল ইউনিয়নের কাউন্সিল কার্যপরিষদের সকল
সদস্য (সহকারী পিজাইডিং অফিসার)।
(১.২.৭) পার্শ্ববর্তী বিভাগের (ক্লক ওয়াইজ ও এন্টি
ক্লক ওয়াইজ) সকল ইউনিয়ন কার্যনির্বাহী কমিটির সকল সদস্য
(পোলিং অফিসার)।
(কোনো সদস্য ঐ বিভাগে প্রার্থীপদে থাকলে, তিনি দায়িত্ব প্রাপ্ত হবেন না এবং পরবর্তীতে নির্বাচিত বিভাগ ঐ পার্শ্ববর্তী বিভাগ সমূহের নির্বাচন
কার্যপরিচালনা করতে পারবে না।)
(১.৩) নির্বাচনের ২০ দিন পূর্বে প্রার্থীদের
নিকট ভোট কেন্দ্র, ভোটারের ভোট কক্ষ
সহ ভোটার তালিকা প্রেরণ করা হবে,
(১.৪) নির্বাচন পর্যবেক্ষক,
(১.৪.১) উপদেষ্টা
পরিষদ।
(১.৪.১) কেন্দ্রীয়
কার্যনির্বাহী কমিটি।
(১.৪.১) ঐ
বিভাগ সহ অন্যান্য বিভাগের কার্যনির্বাহী কমিটি।
(কোনো সদস্য ঐ বিভাগে প্রার্থীপদে থাকলে, তিনি দায়িত্ব প্রাপ্ত হবেন না)
(১.৫) কেন্দ্রীয় কাউন্সিলের পরামর্শে
প্রেসিডিয়াম কমিটি নারী ও পুরুষ কার্যনির্বাহী কমিটির নির্বাচনের স্থান, সময় ও তারিখ নির্ণয় সহ দায়িত্ব বণ্টন করবেন এবং সুষ্ঠু নির্বাচনে যথাযথ
ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।
(১.৬) একটি বিভাগে এক দিনে সকল ওয়ার্ড নির্বাচন
অনুষ্ঠিত হবে এবং প্রতিটি ইউনিয়ন/ওয়ার্ডের একটি ভোটকেন্দ্রে সকল ওয়ার্ডের
নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে, /*ইউনিয়ন
জুড়ে একটি আলোড়ন সৃষ্টি হবে, নির্বাচন উৎসব হবে, সরকারের মধ্যে বেসরকারি সরকার গঠিত হবে*/
স্বচ্ছ ও সুষ্ঠু নির্বাচন
২। সিসিটিভি ও ডেটাবেজ,
প্রযুক্তি ব্যবহার করিয়া স্বচ্ছ ও সুষ্ঠু নির্বাচন এবং সকল বিশৃঙ্খলা, অভিযোগ ও অনাস্থার ঊর্ধ্বে রাখা হইবে। সে লক্ষ্যে, প্রতিটি ভোট কক্ষে সিসি ক্যামেরা থাকবে, হাই-স্প্রিড ইন্টারনেটের জন্য ডেটা ও ব্রডব্যান্ড লাইন থাকবে, সার্বক্ষণিক জেনারেটর থাকবে। নির্বাচনকে পার্টির সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে।
(২.১) পার্টির অধীনে,
(২.১.১) প্রতিটি ভোটকক্ষের নির্দিষ্ট দুটি স্থানে হাই-রেজুলেশন ক্যামেরা (যেন ভোট গণনার সময় ব্যালটের প্রতীক ও সিল স্পষ্ট দেখা যায়) সংযুক্ত করা হইবে এবং প্রতিটি কক্ষের ভিডিও রেকর্ড সংরক্ষণ করা হইবে।
(২.২.২) ভোট কেন্দ্রের প্রবেশ মুখের সড়কের দুদিকে, ভোটকক্ষের বারান্দায়, ভোটার লাইন কাভার করে এমন স্থানে এবং নিরাপত্তার প্রয়োজনে ভোটকেন্দ্রের বিভিন্ন স্থানে এক বা একাধিক ক্যামেরা স্থাপন করা হইবে এবং ভিডিও রেকর্ড সংরক্ষণ করা হইবে।
(৩) উপদেষ্টা পরিষদ বৃন্দ, রিটার্নিং কর্মকর্তা, সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা, ভলেন্টিয়ার বাহিনী, পর্যবেক্ষক বৃন্দ তাদের নিজ নিজ অফিস থেকে বিভাগের সকল নির্বাচন কেন্দ্র ও কক্ষ নিজেদের মতো পর্যবেক্ষণ করিতে পারিবে, রেকর্ড রাখতে পারিবে।
(২.২) কেন্দ্রের প্রধান দায়িত্বশীল (পিজাডিং অফিসার), কম্পিউটার অপারেটর, একজন স্বেচ্ছাসেবক, একজন ভলেন্টিয়ার সদস্য এবং পর্যবেক্ষক কেন্দ্রের পরিচালনা কক্ষ হইতে ওয়াল মনিটরে সার্বক্ষণিক ভোটকেন্দ্র ও ভোটকক্ষসমূহ পর্যবেক্ষণ করিবেন।
(২.৩) এক বা একাধিক প্রার্থীদের সমন্বয়ে স্থানীয়ভাবে ভোটকক্ষের পার্টির ক্যামেরার পাশে নির্দিষ্ট দুটি স্থানে হাই-রেজুলেশন ক্যামেরা (যেন ভোট গণনার সময় ব্যালটের প্রতীক ও সিল দেখা যায়) ব্যবহার করবেন। ভোটকক্ষের বারান্দায় এবং ভোটার লাইন কাভার করে এমন নির্দিষ্ট স্থানে ক্যামেরা স্থাপন করিতে পারিবেন।
(২.৪) কেন্দ্রীয় পার্টি অফিস, জেলা পার্টি অফিস, উপজেলা পার্টি অফিস এবং ইউনিয়ন পার্টি অফিস সহ প্রার্থীগণ নিজ বাসা থেকে ভোটকেন্দ্র ও কক্ষ পর্যবেক্ষণ এবং রেকর্ড করিতে পারিবে।
৩। ওয়াল সিট (ব্যানার),
(৩.১) প্রতিটি ভোটকক্ষে ওয়াল সিট (ব্যানার) থাকবে, সিসি ক্যামেরায় ব্যানারের লেখা ও ছবি স্পষ্ট দেখা ও পড়া যায় এমন সাইজ থাকবে।
(৩.১.১) প্রথম কলামে প্রার্থীদের নাম ও মার্কা থাকবে,
(৩.১.২) পরবর্তী কলামে প্রার্থীদের নাম ও মার্কা বরাবর পোলিং এজেন্টদের নাম ও ছবি থাকবে,
(৩.১.৩) পরবর্তী কলামে ব্যালট বক্স খালি এই মর্মে পোলিং এজেন্টদের সিগনেচার ব্লক থাকবে,
(৩.১.৪) পরবর্তী কলামে সুষ্ঠু ভোট গ্রহণ হয়েছে এ মর্মে পোলিং এজেন্টদের সিগনেচার ব্লক থাকবে,
(৩.১.৫) পরবর্তী কলামে পিজাইডিং অফিসার কর্তৃক প্রাপ্ত ভোট সংখ্যা লেখার ব্লক থাকবে,
(৩.১.৬) পরবর্তী কলামে নির্বাচন সুষ্ঠু হয়েছে এই মর্মে পোলিং এজেন্টদের সিগনেচার ব্লক থাকবে।
(৩.২) পোলিং এজেন্টরা প্রতিটি ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট সময় সময় সিগনেচার করবে নতুবা সাথে সাথে বিস্তারিত কারণ লিখে অভিযোগ প্রিজাইডিং অফিসার ও নির্বাচন কমিশনের নির্দিষ্ট ওয়েবসাইটে প্রদান করবে। সিগনেচার নতুবা অভিযোগ তৃতীয় কিছু থাকবে না, সিগনেচার বা অভিযোগ না করলে গুরুতর শাস্তি মূলক অপরাধ হবে।