আপনার নেতৃত্বের অপেক্ষায়---আগামীর বাংলাদেশ।
তুমি জেগে ওঠো আজকের হয়ে, এবার তুমি তোমার মত, তুমি বাঁধনহারা, তোমার জন্য স্বাধীনতা, তোমাকে আসতেই হবে, নতুন বাংলাদেশ তোমার অপেক্ষায়। যেখানে তোমার স্বপ্ন, তুমি বুনবে, নতুন বাংলাদেশ- আগামী বিশ্ব তোমার হাতে।
৯। সদস্যের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা ও অপসারণ
Impact Story
বিষয়টি শুনুন

নিম্নের বিষয়টি শুনতে পারবেন।

ডাউনলোড করুন

ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন।

Impact Story
পাশে উল্লিখিত বিষয়টি শুনুন

পড়ার চেয়ে যারা শুনতে পছন্দ করেন, তাঁরা এখানে বিষয়টি শুনতে পারবেন।

পাশে উল্লিখিত বিষয়টি ডাউনলোড করুন

অনলাইন বা সফট কপি পড়তে অভ্যস্ত নন, তাঁরা ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন।

(ক) সদস্যের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা,

(১) পার্টির শৃঙ্খলা ও শিষ্টাচার ভঙ্গের কারণে পার্টির কোনো সদস্যের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাইবে।

(২) জরুরী পণ্য ছাড়া দেশি পণ্য ব্যবহারের সুযোগ থাকা সত্ত্বেও বিদেশি পণ্য বা সেবা গ্রহণ করিলে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাইবে।

(৩) পার্টির ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হয় বা হিংসাত্মক কার্যকলাপ বা ‘নিজের বা অপরের ক্ষতি হয় এমন কোনো কাজে জড়িত থাকিলে’ বা মিথ্যাকথা বা অঙ্গীকার ভঙ্গ করিলে বা ‘আস্থার জায়গা বা নিশ্চিত না হয়ে কোনো বিষয় শেয়ার করিলে’ বা সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারে সচেতন না হইলে (আইডেন্টিফাই করা যায় না, এমন কোনো মিডিয়া দেখলে) শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাইবে।

(৪) পার্টি কর্তৃক ঘোষিত কোনো প্রতারক, ষড়যন্ত্রকারী, অন্যায়কারী ইত্যাদি ব্যক্তিকে সেবা প্রদান ও একই সাথে কাজ করা থেকে বিরত না থাকিলে এবং তাহার সহিত ভ্রাতৃ, ওঠাবসা বা বন্ধুত্বের সম্পর্ক পরিহার না করিলে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাইবে।

(৫) যুক্তিসঙ্গত কারণ ব্যতীত টিম সভা, র‍্যালি, ক্যাম্পেইন, মিছিল ইত্যাদি পার্টির কর্মসূচিতে অনুপস্থিত থাকেন বা ভূমিকা না রাখেন।

(৬) ওয়ার্ড কার্যনির্বাহী কমিটির যেকোনো শাস্তি মূলক ব্যবস্থার বিরুদ্ধে ১৫ দিনের মধ্যে ইউনিয়ন কার্যনির্বাহী কমিটির নিকট আপিল করা যাইবে। ইউনিয়ন কার্যনির্বাহী কমিটি ১৫ দিনের মধ্যে অভিযোগ তদন্ত করে এবং উভয়পক্ষের বক্তব্য শুনে (যদি সম্ভব হয়) নিষ্পত্তি করিবে।

(৭) ইউনিয়ন কার্যনির্বাহী কমিটির যেকোনো শাস্তি মূলক ব্যবস্থার বিরুদ্ধে ১৫ দিনের মধ্যে উপজেলা কার্যনির্বাহী কমিটির নিকট আপিল করা যাইবে। উপজেলা কার্যনির্বাহী কমিটি ১৫ দিনের মধ্যে অভিযোগ তদন্ত করে এবং উভয়পক্ষের বক্তব্য শুনে (যদি সম্ভব হয়) নিষ্পত্তি করিবে।

(৮) অভিযুক্ত ব্যক্তি কোনো কমিটির পদে অধিষ্ঠিত হইলে উক্ত কমিটির নিকটতম ঊর্ধ্বতন কমিটির নিকট ১৫ দিনের মধ্যে আপিল করা যাইবে। ঊর্ধ্বতন কমিটি ৩০ দিনের মধ্যে অভিযোগ তদন্ত করে এবং উভয়পক্ষের বক্তব্য শুনে (যদি সম্ভব হয়) নিষ্পত্তি করিবে।

(৯) কেন্দ্রীয় কমিটি বা আঞ্চলিক কমিটি কোনো সদস্যের বিরুদ্ধে শাস্তি মূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করিতে পারিবে না। তবে সদস্যের বিরুদ্ধে তদন্তের জন্য সুপারিশ করিতে পারিবে।

(১০) অভিযোগের ভিত্তিতে বা উক্ত বিষয় দৃষ্টি গোচর হলে ওয়ার্ড সভাপতি ও সহ-সভাপতি ব্যবস্থা গ্রহণ করিবেন। প্রয়োজনে, ওয়ার্ড কার্যনির্বাহী কমিটির তদন্ত বিষয়ক উপ-কমিটির কর্তৃক যাচাই করে রিপোর্টের ভিত্তিতে ব্যবস্থা গ্রহণ করিবেন।

(১১) ওয়ার্ড কার্যনির্বাহী কমিটির সম্মুখে বা ডাকযোগে বা ইলেক্ট্রিক মাধ্যমে অভিযুক্ত সদস্যকে সরাসরি বা ভার্চুয়ালি জবাবদিহিতা ও ব্যক্তিগত শুনানীর সুযোগ প্রদান করিয়া সন্তোষজন জনক না হইলে ওয়ার্ড কার্যনির্বাহী কমিটির ২/৩ সদস্যের সিদ্ধান্তে ওয়ার্ড সভাপতি ও সহ-সভাপতি ব্যবস্থা গ্রহণ করিবেন।

(১২) শাস্তিমূলক ব্যবস্থা হিসাবে ৫০০ টাকা থেকে ৫,০০,০০০ টাকা জরিমানা অথবা সর্বোচ্চ একটানা ৯০ কর্ম দিবস বহিষ্কার করা যাবে।

(খ) কোনো সদস্য অপসারণ,

(১) পাবলিক প্লেসে বা সোশ্যাল মিডিয়ায় পার্টির সমালোচনা করলে বা পার্টির কোনো কাজ বা কর্মসূচির বিরুদ্ধে মতামত প্রকাশ করলে সদস্যপদ বাতিল হইবে। তবে পার্টির সভায় বা পার্টির অভ্যন্তরে যেকোনো সমালোচনা গ্রহণযোগ্য।

(২) ‘পার্টির কোনো গোপন তথ্য সরবরাহ বা প্রকাশ করিলে’ বা পার্টির বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হইলে বা রাষ্ট্রদ্রোহী বা বিদেশি শত্রুর সাথে যোগাযোগ স্থাপন করিলে পার্টি সদস্য পদ বাতিল হইবে।

(৩) জাতীয় সংসদে পার্টির কোনো বিল বা দলের অবস্থান বা সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে অবস্থান নিতে হলে লেজিসলেটিভ কমিটিতে আলোচনার পর উপস্থিত ১/৩ অংশ সদস্যের সম্মতি ব্যতীত সংসদে ঐ বিল বা দলের অবস্থান বা সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে অবস্থান সদস্য পদ বাতিল হইবে। কোনো সাংসদ সর্বনিম্ন ২ দিনের (জরুরী হলে ১২ ঘণ্টার) সময় দিয়ে লেজিসলেটিভ সভা সরাসরি বা ভার্চুয়াল আহ্বান করতে পারবে।

(৪) পার্টির মধ্যে গণতান্ত্রিক উপায়ে নির্বাচিত সদস্যের (অটোমেটিক মনোনীত) বিপরীতে কোনো নির্বাচনে অংশগ্রহণ করলে বা অন্য কোনো প্রার্থীকে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে সহযোগিতা বা সমর্থন দিলে সদস্য পদ বাতিল হইবে।

(৫) গুরুতর অসদাচরণে পার্টির কোনো কমিটির পদ হইতে বহিষ্কার হইলে এবং ওয়ার্ড কার্যনির্বাহী কমিটির ১/৩ সদস্যের সম্মতিতে সদস্য পদ বাতিল হবে অথবা পার্টি বা কমিটি থেকে ৪ বছরে মোট ২৭০ দিন বহিষ্কার হইলে সদস্য পদ বাতিল হবে।

(৬) ৩ মাসের সদস্য ফি পরিশোধ না করলে সদস্য পদ স্থগিত হবে এবং ১২ মাসের সদস্য ফি পরিশোধ না করলে সদস্য পদ বাতিল হইবে।

(৭) সদস্য পদ বাতিল হওয়ার ১ বছর পর নতুন করে সদস্য হওয়ার জন্য আবেদন করা যাবে বা আবেদন গ্রহণযোগ্য হইবে।

(৮) ওয়ার্ড কার্যনির্বাহী কমিটি যেকোনো শাস্তি মূলক ব্যবস্থার বিরুদ্ধে ১৫ দিনের মধ্যে ইউনিয়ন কার্যনির্বাহী কমিটির নিকট আপিল করা যাইবে। ইউনিয়ন কার্যনির্বাহী কমিটি ১৫ দিনের মধ্যে অভিযোগ তদন্ত করে এবং উভয়পক্ষের বক্তব্য শুনে (যদি সম্ভব হয়) নিষ্পত্তি করিবে।

(৯) ইউনিয়ন কার্যনির্বাহী কমিটির যেকোনো শাস্তি মূলক ব্যবস্থার বিরুদ্ধে ১৫ দিনের মধ্যে উপজেলা কার্যনির্বাহী কমিটির নিকট আপিল করা যাইবে। উপজেলা কার্যনির্বাহী কমিটি ১৫ দিনের মধ্যে অভিযোগ তদন্ত করে এবং উভয়পক্ষের বক্তব্য শুনে (যদি সম্ভব হয়) নিষ্পত্তি করিবে।

(১০) অভিযুক্ত ব্যক্তি কোনো কমিটির পদে অধিষ্ঠিত হইলে উক্ত কমিটির নিকটতম ঊর্ধ্বতন কমিটির নিকট ১৫ দিনের মধ্যে আপিল করা যাইবে। ঊর্ধ্বতন কমিটি ৩০ দিনের মধ্যে অভিযোগ তদন্ত করে এবং উভয়পক্ষের বক্তব্য শুনে (যদি সম্ভব হয়) নিষ্পত্তি করিবে।

(১১) কেন্দ্রীয় কমিটি বা আঞ্চলিক কমিটি কোনো সদস্যের বিরুদ্ধে শাস্তি মূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করিতে পারিবে না। তবে সদস্যের বিরুদ্ধে তদন্তের জন্য সুপারিশ করিতে পারিবে।

(১২) অভিযোগের ভিত্তিতে বা উক্ত বিষয় দৃষ্টি গোচর হলে ওয়ার্ড সভাপতি ও সহ-সভাপতি ব্যবস্থা গ্রহণ করিবেন। প্রয়োজনে, ওয়ার্ড কার্যনির্বাহী কমিটির তদন্ত বিষয়ক উপ-কমিটির কর্তৃক যাচাই করে রিপোর্টের ভিত্তিতে ব্যবস্থা গ্রহণ করিবেন।

(১৩) ওয়ার্ড কার্যনির্বাহী কমিটির সম্মুখে বা ডাকযোগে বা ইলেক্ট্রিক মাধ্যমে অভিযুক্ত সদস্যকে সরাসরি বা ভার্চুয়ালি জবাবদিহিতা ও ব্যক্তিগত শুনানীর সুযোগ প্রদান করিয়া সন্তোষজন জনক না হইলে ওয়ার্ড কার্যনির্বাহী কমিটির ২/৩ সদস্যের সিদ্ধান্তে ওয়ার্ড সভাপতি ও সহ-সভাপতি ব্যবস্থা গ্রহণ করিবেন।