আপনার নেতৃত্বের অপেক্ষায়---আগামীর বাংলাদেশ।
তুমি জেগে ওঠো আজকের হয়ে, এবার তুমি তোমার মত, তুমি বাঁধনহারা, তোমার জন্য স্বাধীনতা, তোমাকে আসতেই হবে, নতুন বাংলাদেশ তোমার অপেক্ষায়। যেখানে তোমার স্বপ্ন, তুমি বুনবে, নতুন বাংলাদেশ- আগামী বিশ্ব তোমার হাতে।
৫। লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য
Impact Story
বিষয়টি শুনুন

নিম্নের বিষয়টি শুনতে পারবেন।

ডাউনলোড করুন

ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন।

Impact Story
পাশে উল্লিখিত বিষয়টি শুনুন

পড়ার চেয়ে যারা শুনতে পছন্দ করেন, তাঁরা এখানে বিষয়টি শুনতে পারবেন।

পাশে উল্লিখিত বিষয়টি ডাউনলোড করুন

অনলাইন বা সফট কপি পড়তে অভ্যস্ত নন, তাঁরা ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন।

পার্টির উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য,

(১) অঙ্গীকার,

(১.১) বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব, নিরাপত্তা, রাষ্ট্রীয় অখণ্ডতা ও গণতন্ত্ৰ সুরক্ষিত ও সুসংহত রাখিতে ত্যাগ স্বীকার করিতে পিছপা হইব না।

(১.২) বাংলাদেশের জনগণের ঐক্য ও সংহতি বিনষ্ট করে এমন কোনো কর্মকাণ্ড, ব্যক্তি বা সংগঠনের তৎপরতা প্রতিরোধ করা হইবে।

(১.৩) কোনো অসাংবিধানিক পন্থায় জনগণতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান বা ইহার কোন বিধান রহিত বা বিধানের প্রতি নাগরিকের আস্থা, বিশ্বাস বা প্রত্যয় পরাহত করিবার জন্য উদ্যোগ গ্রহণ বা ষড়যন্ত্র করিলে তাহার বিরুদ্ধে জনমত সৃষ্টি করিয়া ঐক্যবদ্ধ হয়ে প্রতিরোধ করা হইবে।

(২) মূলনীতি,

(২.১) কেবল আধুনিকায়ন নহে সবুজ আধুনিকায়ন, সম্পদ নহে স্বচ্ছলতা, বিলাসিতা নহে সুখ, চাকরি নহে ব্যবসা, শিক্ষা নহে সুশিক্ষা, ভোগ নহে ত্যাগ হইবে মানবিক সমাজ পার্টির মৌলিক মূলনীতি।

(২.২) মানবতাবাদ (ধর্ম), গণতন্ত্র, সাম্য, সমাজতন্ত্র, শোষণমুক্ত সমাজ, সামাজিক ন্যায়বিচার ও সুশাসন, উদ্যোক্তা ও শ্রমিকের স্বার্থ সমন্বয়, দেশ জুড়ে নগরায়ন ও জাতীয় বিপ্লব, গবেষণা ও সুশিক্ষা, জনস্বাস্থ্য ও নৈতিকতা, পরিবেশ ও জীব-বৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও উন্নয়ন, সম্পদ ও সুযোগের সমতা সৃষ্টি, রাষ্ট্রের অধিকার সংরক্ষণ ও বাস্তবায়ন, দেশের নিরাপত্তা ও বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠা হইবে মানবিক সমাজ পার্টির মূলনীতি।

(৩) অন্যান্য,

(৩.১) রাষ্ট্র পরিচালনায় বিশেষজ্ঞ ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও রীতিনীতির সমন্বয়ে জনমুখী, স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক সৎ, কর্মঠ ও দক্ষ জনপ্রশাসন ব্যবস্থায় সুশাসন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে সমৃদ্ধ কল্যাণ রাষ্ট্র নিশ্চিত করা।

(৩.২) জাতি, ধর্ম, বর্ণ ও দল-মত নির্বিশেষে সমতল ও পাহাড়ের বৃহৎ-ক্ষুদ্র সকল জাতি-গোষ্ঠীর সম্পত্তি, সামাজিক, রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক, অর্থনৈতিক অর্থাৎ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, ধর্ম-কর্মের অধিকার, উপাসনালয়, নাগরিক অধিকার, জীবন, সম্ভ্রম ও সম্পদের নিরাপত্তা অক্ষুন্ন রাখা।

(৩.৩) রাষ্ট্র পরিচালনায় ও জাতীয় পর্যায়ে দেশের সকল অঞ্চলের তৃণমূল জনগণের অংশগ্রহণ ও ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করণ।

(৩.৪) সুখ-শান্তি ও সমৃদ্ধির জন্য রাষ্ট্র পরিচালনার মৌলিক ভিত্তির একাংশ স্থানীয় সংস্থার জবাবদিহিতা ও ক্ষমতার ভারসাম্য নিশ্চিত করণ।

(৩.৫) সম্পদের সমতা ও কর্মের সুযোগ সৃষ্টি সহ নিরাপদ খাদ্য, ধর্মীয় অনুশাসন ও ব্যক্তির আদর্শ অনুযায়ী বস্ত্র, কর্ম ও বাস্তবমুখী সুশিক্ষা, যথাযথ চিকিৎসা, প্রত্যেক নাগরিকের জন্য সবুজ বাসস্থান সহ কৃষি আঙ্গিনা এবং দ্রুত ও সহজ সবুজ যোগাযোগের মানবিক চাহিদা পূরণ করিয়া মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করণ।

(৩.৬) সমাজের বৈষম্য দূর করিতে এবং নাগরিকের অধিকার ও সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করিতে ধর্মের ভিত্তিতে মানবতাবাদ সমাজ ব্যবস্থা গড়িয়া তোলা।

(৩.৭) হিংসা, বিদ্বেষ, পরশ্রীকাতরতা ও স্বার্থপরতার বিরুদ্ধে সব মত ও পথের সমন্বয়ে মানবিক সমাজ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক, বৈষম্যহীন, সহমর্মিতা ও সম্প্রীতিমূলক রাষ্ট্রের মাধ্যমে বিশ্বে সুখ হইতে বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠা করণ।

(৩.৮) “সুস্থ দেহ প্রশান্ত মন কর্মব্যস্ত সুখী জীবন” গঠনে কায়িক পরিশ্রম, শরীরচর্চায় ও রাসায়নিক সার ব্যতীত প্রাকৃতিক উপায়ে ব্যক্তি বা বাণিজ্যিকভাবে নিরাপদ স্বাস্থ্যকর খাদ্যা উৎপাদনে এবং নৈতিক মূল্যবোধ বিকাশে সামাজিক বিপ্লব সৃষ্টি করণ।

(৩.৯) সময়ের সাথে শ্রমিকদের ন্যায্যতা ও যথাযথ মূল্যায়ন এবং সুদক্ষ শ্রমিক হইতে সফল উদ্যোক্তায় রূপান্তরে ভূমি সহ দক্ষ ও সহজলভ্য শ্রমিক এবং বীমা ও সুষম অর্থব্যবস্থা গড়িয়া তুলিয়া দেশ-বিদেশে প্রতিযোগিতামূলক বাজারে অবস্থান নিশ্চিত করণ।

(৩.১০) রাষ্ট্র ও সমাজের সর্বস্তরে নারীদের সমমূল্যায়ন এবং নারী-পুরুষ ও পারিবারিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে গণিকাবৃত্তি বা কুসংস্কার, মাদক, অবাধ যৌনাচার, পরকীয়া, জুয়া ও বিদেশি সংস্কৃতির বিরুদ্ধে এবং দেশীয় ও ধর্মীয় সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠায় জনমত সৃষ্টি করিয়া এমন একটি সমাজ সৃষ্টি করা, যেখানে স্বনির্ভর সংস্কৃতি মানুষের মনে দৃঢ়ভাবে প্রোথিত হয়।

(৩.১১) ভিন্ন মত ও পথের মানুষের সহিত অব্যাহত আলোচনা, মতবিনিময় ও পারস্পরিক বোঝাপড়ার ভিত্তিতে জাতীয় ঐক্যের মাধ্যমে বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব, নিরাপত্তা, রাষ্ট্রীয় অখণ্ডতা ও গণতন্ত্ৰ সুরক্ষিত ও সুসংহত করণ।

(৩.১২) জরুরি পণ্য ব্যতীত দেশি পর্যটন, পণ্য-দ্রব ও সেবা গ্রহণের প্রতি সামাজিক মূল্যবোধ সৃষ্টি করিয়া “বাংলাদেশ ব্রান্ড” প্রতিষ্ঠা এবং দরিদ্রতা ও বেকারত্ব বিমোচনের মাধ্যমে স্বনির্ভর মানবিক সমৃদ্ধ কল্যাণ রাষ্ট্র নিশ্চিত করণ।

(৩.১৩) আঞ্চলিক, জেলা ও উপজেলা ভিত্তিক বিভিন্ন খাতে জাতি, ধর্ম, বর্ণ ও ধনী-গরিব সমমূল্যায়নে কো-অপারেটিভ সোসাইটি প্রতিষ্ঠা মাধ্যমে শিক্ষাবৃত্তি, সুদবিহীন ঋণ, উৎপাদন, হারভেস্টিং, জাত ও বীজ সংরক্ষণ, কোল্ড এস্টোরেজ বা সংরক্ষণাগার, পণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ বা ভ্যালুঅ্যাড করিয়া সমাজ থেকে শোষণ, বেকারত্ব ও দারিদ্রতা মুক্ত রাখা এবং স্বনির্ভর মানবিক সমাজ প্রতিষ্ঠা করণ।

(৩.১৪) পরিষেবা, উত্পাদন, বিনিয়োগ, আর্থিক ও প্রযুক্তির ভিত্তিতে ব্যাপক রপ্তানি বাড়িয়ে এবং সরকারের ঋণ, বাণিজ্য ঘাটতি ও মুদ্রা বিনিময় হার কমিয়ে (টাকার মান ডলারের সন্নিকটে) বিশ্বে শক্তিশালী অর্থনৈতিক অবস্থা বজায় রাখা।

(৩.১৫) ভাষা ও কর্ম দক্ষতার মাধ্যমে ভাষা ভিত্তিক রাষ্ট্রে পরিষেবা, বিনিয়োগ, ব্যবসা-বাণিজ্য ও কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা এবং দেশের স্বার্থে বিশ্বের বিভিন্ন সংস্থা ও শক্তিশালী বিভিন্ন দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে সংযুক্ত হইতে নাগরিকদের উদ্বুদ্ধ ও যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ।

(৩.১৬) শত্রুভাবাপন্ন রাষ্ট্রের তদূর্ধ্বে শক্তি বা শক্তির জোট ও অর্থনৈতিক ভারসাম্য বজায় রাখা এবং সংখ্যাগরিষ্ঠ নাগরিকের সংস্কৃতি ও বিশ্বাসের সহিত সামঞ্জস্যপূর্ণ ভ্রাতৃপ্রতিম রাষ্ট্রসমূহের সহিত নিরাপত্তা, অর্থনীতি, ব্যবসা-বাণিজ্য, প্রীতি ও সখ্যতায় প্রাধান্যের ভিত্তিতে সার্বভৌমত্ব ও সমতার সম্পর্ক সুসংহত এবং সুদৃঢ় করণ।

(৩.১৭) পররাষ্ট্রনীতির ক্ষেত্রে সন্ত্রাসবাদ, বর্ণবৈষম্যবাদ, উপনিবেশবাদ, সাম্রাজ্যবাদ, আধিপত্যবাদ, সম্পদ কুক্ষিগত ও সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে বিশ্বের সর্বত্র দারিদ্র, বেকারত্ব ও নিপীড়িত ব্যক্তি, জাতি ও জনগণের ন্যায়সংগত সংগ্রামকে সমর্থন ও মুক্তি লাভের জন্য শিক্ষা-দীক্ষা, খাদ্য, চিকিৎসা ও ব্যবসা-বাণিজ্যের সুযোগ প্রদানের মাধ্যমে সহযোগিতা করা, এবং ‘বাংলাদেশ ব্রান্ড’ প্রতিষ্ঠায় নিরাপত্তা, অর্থনীতি ও ব্যবসা-বাণিজ্য মূল্যায়নে আন্তর্জাতিক ভ্রাতৃত্ব ও মিত্র রাষ্ট্রের সহিত সমতা রক্ষা করণ।