নিম্নের বিষয়টি শুনতে পারবেন।
ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন।
পড়ার চেয়ে যারা শুনতে পছন্দ করেন, তাঁরা এখানে বিষয়টি শুনতে পারবেন।
অনলাইন বা সফট কপি পড়তে অভ্যস্ত নন, তাঁরা ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন।
§ কোনো
নাগরিক বাস্তহারা থাকবে না,
§ প্রত্যেক
ব্যক্তি মুরুব্বী/প্রবীণদের সর্বোচ্চ শ্রদ্ধা-সম্মান ও মর্যাদা প্রদান করবে,
§ চাকরির
জন্য হাহাকার থাকবে না, ব্যবসা বা কর্মের সুযোগে সংকীর্ণতা থাকবে
না,
§ প্রত্যেক
জনগণ ইকুয়াল হবে, প্রজাতন্ত্রের কর্মে বা তাদের সংস্পর্শে
কেউ মোর ইকুয়াল হবে না,
§ সন্তানের
জীবন গঠনে পিতা-মাতাকে স্বার্থপর হতে হবে না, রাষ্ট্র প্রত্যেক নাগরিককে দক্ষ হতে সমান
সুযোগ প্রদান করবে,
§ কোনো
সংগঠন অনুভূতি নিয়ে খেলবে না, ধর্ম বা স্পর্শকাতর বিষয়কে ট্রাম কার্ড
বানিয়ে বিভাজন তৈরি করবেন না,
§ বিজ্ঞ ও
জনপ্রতিনিধিদের ঐক্যতার ভিত্তিতে রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্ত গৃহীত হবে, কোনো
ব্যক্তির একক ইচ্ছা-আকাঙ্খা মুখ্য হবে না,
§ দেশের
সকল নাগরিক হবে সরল, সৎ, দক্ষ, কর্মঠ ও ধর্মভীরু স্বাধীনচেতা এবং একে অন্যের জন্য আত্মা স্বরূপ,
§ নারী-পুরুষ
বা কোনো লিঙ্গ পণ্য হবে না, এবং সমাজে কাউকে বড় করে দেখা বা দেখানো হবে না,
§ গণমাধ্যম
বা সমাজে বর্ণ বৈষম্য থাকবে না, সৌন্দর্য ব্যক্তির মাপকাঠি হবে না,
§ কেউ
অপরাধ ও চতুরতা (প্রতারণা) করলে যথাযথ শাস্তি ভোগ করবে এবং সমাজ তাকে ঘৃণা করবে,
§ দেশের
সকল নাগরিক দেশের প্রতি কৃতজ্ঞ থাকবে,
“এই দেশেতে জন্ম আমার, এই দেশেতে মরি”
§ কোনো
নাগরিক অতিরিক্ত সম্পদ আহরণ করবে না এবং সম্পদের অপচয় করবেন না,
§ দেশের
প্রত্যেক নাগরিক জরুরী প্রয়োজন ব্যতীত দেশের সেবা-পণ্য ব্যবহার করবে, বেকারত্ব
দূর করবে এবং বিদেশি পণ্য ব্যবহারকারীদের সামাজিকভাবে তিরস্কার করবে,
§ জরুরি
অবস্থা ব্যতীত ভিভিআইপি-ভিআইপি প্রোটোকল থাকবে না, দেশের প্রধান নীতি
নির্ধারকরাও সাধারনের ন্যায় চলাফেরা ও আইন মানবে, সুযোগ-সুবিধা
ভোগ করবে,
§ শিক্ষার্থীরা শিক্ষকদের
হাতে ন্যাস্ত থাকবেন, চারিত্রিক গুণাবলি ও মোরাল ডেভেলপমেন্টের সাথে মেধার ভিত্তিতে
শিক্ষার্থীদের কমপ্লিট ভবিষ্যৎ (স্বচ্ছলতা) শিক্ষা ব্যবস্থা বা শিক্ষকরা গড়ে দিবে।
(গার্ডিয়ানকে তার সন্তানকে নিয়ে চিন্তিত হবে না)
§ পারস্পরিক সমঝোতা, সহযোগিতা ও
সহমর্মিতার সমাজে ইতিবাচক মনোভাব, আত্মবিশ্বাস ও মতামত গ্রহণ-প্রকাশ সহ জ্ঞানপিপাসু,
বিজ্ঞানমনস্ক, দূরদর্শিতা, সৃজনশীলতা, উদ্ভাবনী জ্ঞান, যৌক্তিক চিন্তা ও সমস্যা
সমাধানের দক্ষতা অর্জন মাধ্যমে বিশ্বমানের উদ্যোক্তা সৃষ্টি হবে।