আপনার নেতৃত্বের অপেক্ষায়---আগামীর বাংলাদেশ।
তুমি জেগে ওঠো আজকের হয়ে, এবার তুমি তোমার মত, তুমি বাঁধনহারা, তোমার জন্য স্বাধীনতা, তোমাকে আসতেই হবে, নতুন বাংলাদেশ তোমার অপেক্ষায়। যেখানে তোমার স্বপ্ন, তুমি বুনবে, নতুন বাংলাদেশ- আগামী বিশ্ব তোমার হাতে।
৭। অ্যাডমিনিস্ট্রেশন
Impact Story
বিষয়টি শুনুন

নিম্নের বিষয়টি শুনতে পারবেন।

ডাউনলোড করুন

ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন।

Impact Story
পাশে উল্লিখিত বিষয়টি শুনুন

পড়ার চেয়ে যারা শুনতে পছন্দ করেন, তাঁরা এখানে বিষয়টি শুনতে পারবেন।

পাশে উল্লিখিত বিষয়টি ডাউনলোড করুন

অনলাইন বা সফট কপি পড়তে অভ্যস্ত নন, তাঁরা ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন।

৬। নির্বাচন প্রশাসন ও অভিযোগ বা মামলা নিষ্পত্তির ক্ষমতা,

(ক) নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব ও কর্তব্য,

(১) নির্বাচন সংক্রান্ত আইন প্রণয়নে রাষ্ট্রপতির নিকট প্রস্তাব প্রদান করিবেন, রাষ্ট্রপতি সংসদে প্রেরণ করবেন,

(২) নির্বাচন পর্যবেক্ষণ ও তদারকি করিবেন,

(৩) কিছু ক্ষেত্রে নির্বাচন পরিচালনা করিবেন,

(৪) কিছু অভিযোগ বা মামলার নিষ্পত্তি করতে সহযোগিতা করবেন,

(৫) রিটার্নিং কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ তদন্ত কাজ পরিচালনা করিবেন,

(৬) সংসদ আইন অনুযায়ী সকল দায়িত্ব পালন করিবেন,

(খ) রিটার্নিং অফিসারের দায়িত্ব ও কর্তব্য,

(১) সংসদ আইন অনুযায়ী সকল দায়িত্ব পালন করিবেন এবং দায়িত্ব পালনে স্বাধীন থাকবেন,

(২) নির্বাচন কমিশনের লিখিত আদেশ অনুসরণ করবেন,

(৩) নির্বাচন পর্যবেক্ষণ ও তদারকি করবেন,

(৪) আইন অমান্য না করে নির্বাচন কমিশনকে সহযোগিতা করবেন,

(৫) সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ তদন্ত করবেন এবং আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিবেন,

(৬) অভিযোগ বা মামলার নিষ্পত্তি করতে সহযোগিতা করবেন,

(গ) সকারী রিটার্নিং অফিসারের দায়িত্ব ও কর্তব্য,

(১) সংসদ আইন অনুযায়ী সকল দায়িত্ব পালন করিবেন এবং দায়িত্ব পালনে স্বাধীন থাকবেন,

(২) ঊর্ধ্বতন অফিসারদের লিখিত আদেশ অনুসরণ করবেন,

(৩) নির্বাচন পর্যবেক্ষণ ও তদারকি করবেন,

(৪) আইন অমান্য না করে রিটার্নিং অফিসারকে সহযোগিতা করবেন,

(৫) পিজাইডিং অফিসারের বিরুদ্ধে অভিযোগ তদন্ত করিবেন এবং আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিবেন,

(৬) অভিযোগ বা মামলার নিষ্পত্তি করতে সহযোগিতা করবেন,

(ঘ) পিজাইডিং অফিসারের দায়িত্ব ও কর্তব্য,

(১) সংসদ আইন অনুযায়ী সকল দায়িত্ব পালন করিবেন এবং দায়িত্ব পালনে স্বাধীন থাকবেন,

(২) ভোটকেন্দ্রের অভিযোগ তদন্ত করে আইন অনুযায়ী তৎক্ষণাৎ ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন,

(৩) ঊর্ধ্বতন অফিসারদের লিখিত আদেশ অনুসরণ করবেন,

(৪) নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে ভোটকেন্দ্রে নির্বাচন পরিচালনা করবেন, 

(৫) আইন অমান্য না করে কারী রিটার্নিং অফিসারকে সহযোগিতা করবেন,

(৬) ব্যানার, ব্যালট পেপার ইত্যাদি উপজেলায় দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বা তাঁর প্রতিনিধি থেকে যথা সময়ে বুঝে দিবেন,

(৭) ভোট গ্রহণের অন্তত ১২ ঘন্টা পূর্বে ভোটকেন্দ্রে ও ভোটকক্ষে টেকনিক্যাল পার্সনের সাহায্যে নির্বাচন কমিশন সহ পোলিং এজেন্ট বা প্রার্থীর ক্যামেরা স্থাপন করবেন,

(৮) সিসিটিভি সংক্রান্ত সকল দায়িত্ব এবং মনিটরে প্রতিটি ভোটকক্ষ পর্যবেক্ষণের দায়িত্ব অর্পিত থাকবে। কোনো অসঙ্গতি পরিলক্ষিত হলে তৎক্ষণাৎ ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর শরণাপন্ন হবেন,

(৯) নির্বাচন শেষে সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ২জন সদস্য প্রতিনিধিদের সাথে নিয়ে কেন্দ্রের প্রাথমিক ফলাফল ঘোষণা করবেন,

(১০) ফলাফল, ব্যানার, ব্যালট পেপার ইত্যাদি সহ হাই-রেজুলেশন রেকর্ড ভিডিও ঊর্ধ্বতন দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে বুঝিয়ে দিবেন,

 (ঙ) সকারী প্রিজাইডিং অফিসারের দায়িত্ব ও কর্তব্য,

(১) নিজের পরিচয় সহ পোলিং অফিসারদের ক্যামেরার সামনে পরিচয় করিয়ে দিবেন,

(২) পোলিং এজেন্টদের ক্যামেরার সামনে পরিচয় করিয়ে দিবেন,

(৩) ভোটগ্রহণের শুরুতে মার্কা অনুযায়ী পোলিং এজেন্টদের থেকে ব্যালট বক্স খালি এবং ভোটকক্ষে শৃঙ্খলা আছে এই মর্মে ক্যামেরায় দৃশ্যমান ওয়াল সিটে (ব্যানার) নির্দিষ্ট মার্কা বরাবর নির্দিষ্ট পোলিং এজেন্টদের সিগনেচার নিবেন,

(৪) ভোটগ্রহণ শেষ হলে মার্কা অনুযায়ী পোলিং এজেন্টদের থেকে ভোটগ্রহণে কারচুপি হয়নি এই মর্মে ক্যামেরায় দৃশ্যমান ওয়াল সিটে (ব্যানার) নির্দিষ্ট মার্কা বরাবর নির্দিষ্ট পোলিং এজেন্টদের সিগনেচার নিবেন,

(৫) তারপর, সহকারী প্রিজাইডিং অফিসারের নেতৃত্বে তিনিসহ পোলিং অফিসাররা ঐকক্ষের ভোট ঐকক্ষেই গুনে ফলাফল ক্যামেরায় দৃশ্যমান ওয়াল সিটে (ব্যানার) লিপিবদ্ধ করবেন এবং গণনায় কাচুপি হয় নাই এই মর্মে ক্যামেরায় দৃশ্যমান ওয়াল সিটে (ব্যানার) নির্দিষ্ট মার্কা বরাবর নির্দিষ্ট পোলিং এজেন্টদের সিগনেচার নিবেন,

(৬) গোপন কক্ষে একজন ভোটার সর্বোচ্চ ১ মিনিট থাকতে পারবে, সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার ১ মিনিটের ১০ সেকেন্ড পূর্বে ১ বার এবং ১ মিনিট পূর্ণ হলে মোট দুইবার ওয়ার্নিং প্রদান করবে। তারপরও যদি বের না হয় তবে পোলিং এজেন্টদের অবগত করে গোপন কক্ষে প্রবেশ করে ভোটারকে বের করে আনতে পারবেন,

(৭) ওয়ার্নিং সময়ে মধ্যে ব্যালট বক্সে ভোট প্রদান না করলে সরকারী প্রিজাইডিং অফিসার ব্যালট ফেরত নিবে, মার্কারি দিয়ে ক্রস টেনে ভোট বাতিল করবে। ব্যালট দিতে না চাইলে বা ভোট বাতিল হওয়া সত্বেও ব্যালট বক্সে ভোট প্রদান করলে সহকারী পিজাডিং অফিসার ব্যক্তির বিরুদ্ধে নিরাপত্তা টিমের সাহায্য নিবে,

(৮) সংসদ আইন অনুযায়ী সকল দায়িত্ব পালন করিবেন এবং দায়িত্ব পালনে স্বাধীন থাকবেন,

(৯) ভোটকক্ষের অভিযোগ তদন্ত করে আইন অনুযায়ী তৎক্ষণাৎ ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন,

(১০) ঊর্ধ্বতন অফিসারদের লিখিত আদেশ অনুসরণ করবেন,

(১১) নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে ভোটকক্ষের নির্বাচন পরিচালনা করবেন,

(১২) আইন অমান্য না করে প্রিজাইডিং অফিসারকে সহযোগিতা করবেন,

(চ) পোলিং অফিসারের দায়িত্ব ও কর্তব্য,

(১) সংসদ আইন অনুযায়ী সকল দায়িত্ব পালন করিবেন এবং দায়িত্ব পালনে স্বাধীন থাকবেন,

(২) ঊর্ধ্বতন অফিসারদের লিখিত আদেশ অনুসরণ করবেন,

(৩) আইন অমান্য না করে সহকারী প্রিজাইডিং অফিসারকে সহযোগিতা করবেন,

(ছ) অভিযোগ বা মামলা নিষ্পত্তির ক্ষমতা,

(১) যে কোনো নির্বাচন আদালত নির্বাচন কমিশন প্রতিনিধি ও বিচার বিভাগীয় প্রতিনিধি একত্রে পরিচালনা করবেন,

(২) নির্বাচনী এরিয়া, ভোটার তালিকা ও দলের নিবন্ধন ইত্যাদি প্রসঙ্গে নির্বাচন কমিশন বিচার বিভাগীয় প্রতিনিধির সহযোগিতা নিবেন,

(৩) আইন-শৃঙ্খলায় নিযুক্ত সদস্য ও নির্বাচন প্রশাসনের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগের নিষ্পত্তি করতে বিচার বিভাগীয় প্রতিনিধি সহযোগিতা করবেন,

(৪) নির্বাচনী এলাকায় নির্বাচন বিষয়ে কোনো মামলার নিষ্পত্তি করতে বিচার বিভাগীয় প্রতিনিধি সহযোগিতা করবেন,

(৫) আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, নির্বাচন প্রশাসন ও বিচার বিভাগীয় প্রতিনিধি সংসদ আইন অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করিবেন এবং দায়িত্ব পালনে স্বাধীন থাকবেন,

৭। শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা (লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড),

(ক) ভোট কেন্দ্রের শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা,

(১) প্রিজাইডিং অফিসার সকল ভোট কক্ষের শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকবে,

(২) সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার ও পোলিং অফিসার টিম আকারে নির্দিষ্ট কক্ষের শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকবে,

(৩) ভোট কেন্দ্র দখল, ভোট কক্ষ দখল, গোপন কক্ষে অবৈধ প্রবেশ, একাধিক ভোট প্রদানের চেষ্টা বা জাল ব্যালট মাধ্যমে একাধিক ভোট প্রদান, ভোটার লাইন, ইত্যাদি ক্ষেত্রে কেন্দ্রের নিরাপত্তা টিম, প্রিজাইডিং, সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার ও পোলিং অফিসার দায়বদ্ধ থাকবে।

(৪) ভোট কেন্দ্রে শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা টিম,

·         একজন সিসিটিভি পর্যবেক্ষক আর্মি প্রতিনিধি,

·         একজন সিসিটিভি পর্যবেক্ষক পুলিশ প্রতিনিধি,

·         একজন অস্ত্রধারী পুলিশ,

·         একজন অস্ত্রধারী আনসার,

·         পাঁচজন লাঠিধারী আনসার,

·         ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের ক্ষেত্রে ১জন করে গ্রাম পুলিশ,

·         অন্য সকল নির্বাচনের ক্ষেত্রে ৫জন করে গ্রাম পুলিশ,

(খ) নির্বাচনী এলাকার শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা টিম,

·         ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের ক্ষেত্রে ১জন করে গ্রাম পুলিশ,

·         অন্য সকল নির্বাচনের ক্ষেত্রে ৫জন করে গ্রাম পুলিশ,

·         নির্বাচনী শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা টিমের অন্যতম দায়িত্ব থাকবে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড বজায় রাখা,

·         নির্বাচনী বিধি-নিষেধ, সুষ্ঠু প্রচারণা, লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড এবং ভোটারদের নিরাপদে ভোট কেন্দ্রে আসতে-যেতে নিরাপত্তা দেওয়ার দায়িত্বে থাকবে। তবে ভোটারদের আবাসিক ও কর্মের নিরাপত্তা সাধারণ সময়ের ন্যায় নিরাপত্তা বাহিনী প্রদান করবে,

·         সাধারণ সময়ের নিরাপত্তা বাহিনী সাহায্য চাইলে নির্বাচনী শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা টিম সহযোগিতা করবে। তেমনি নির্বাচনী শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা টিম সাহায্য চাইলে সাধারণ সময়ের নিরাপত্তা বাহিনী সহযোগিতা করবে,

·         নির্বাচন কেন্দ্রিক অভিযোগ বা আইনের ব্যত্যয় ঘটলে তৎক্ষণাৎ আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন তবে নির্বাচনের সাথে সংশ্লিষ্ট নয় এমন মামলা বা অভিযোগ সাধারণ সময়ের ন্যায় নিরাপত্তা বাহিনী গ্রহণ করবে।

o   শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ব্যতীত ইউনিয়ন পর্যায়ের নির্বাচনের ক্ষেত্রে,

·         ৪টি ইউনিয়ন নিয়ে একটি নির্বাচনী শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা টিম থাকবে, মধ্যবর্তী নির্দিষ্ট একটি ইউনিয়নের ফাঁড়িতে অবস্থান করবে। সেখানে ৬০ জনের ২টি টিম থাকবে।

·         নির্বাচনী এলাকার শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা টিম,

o   প্রতিটি ইউনিয়নের স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের প্রধান কর্মকর্তা (ডক্টর), নবম গ্রেড বা তার ঊর্ধ্বে প্রতিটি ইউনিয়নের কৃষি কর্মকর্তাবৃন্দ (৪ জন), সশস্ত্র বাহিনী, কোস্টগার্ড, র‌্যাব, পুলিশ, আর্মড পুলিশ, আনসার ব্যাটালিয়ন ও গ্রাম পুলেশের সদস্যদের নিয়ে ৫ জন গোয়েন্দা এবং ২৫ জন অন্য সদস্য নিয়ে ৩০ জনের ১টি করে ২টি টিম থাকবে। যারা মোবাইল টিম ও স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে মোতায়েন থাকবে।

·         নির্দিষ্ট নিরাপত্তা সরঞ্জাম থাকবে। যেমন, ৮ টি মোটরসাইকেল, ৪টি জিপ বা মাইক্র বাস, ৪ সেট ১০ কিলোমিটার লং ডিসটেন্স রেডিও ওয়াকি টকি, ২টি ইভো-২ প্রো ভি-৩ ড্রোন (৪টি অতিরিক্ত ব্যাটারি ও মাল্টি চার্জিং হাব, প্রপেলার গার্ড)। এগুলো পরবর্তীতে ফাঁড়ির পুলিশ ব্যবহার করবে অথবা ফাঁড়ি পুলিশ সরবরাহ করবে

·         দুইটি টিম বিপরীত দিকে ভাগ হয়ে পেট্রোলিং করবে, প্রতিটি ওয়ার্ডে ৪টি মোটরসাইকেল ভিন্ন রাস্তায় প্রতিদিন অন্তত দুইবার পেট্রোলিং করবে। বাকিরা ওয়ার্ডের সম্মুখে ইউনিয়ন রোডে জিপ নিয়ে অপেক্ষমান থাকবে এবং জীপ থেকে ২টি ড্রোন ব্যবহার করে পেট্রোলিং ইউনিটকে সহযোগিতা করবে। নির্বাচনের সময় এভাবে সকল ভোটারদের নিরাপত্তা প্রদান এবং ভায়োলেন্স রোধ করবেন

·         হুমকি, বিশৃঙ্খলা বা অভিযোগ থাকলে টিম তদন্ত করবে, ফুটেজ সংগ্রহ করবে এবং যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। নির্বাচন আদালতে টিম নিজ থেকে মামলা করে আসামিকে থানায় হস্তান্তর করবে। তবে নির্বাচন পিরিয়ডে আসামি টিমের দায়িত্বে থাকবে, পরবর্তীতে থানার দায়িত্ব প্রাপ্ত কর্মকর্তাকে বুঝিয়ে দিবে

·         নিরাপত্তা টিম অভিযোগকারীর অভিযোগের ফিডব্যাক যথাসময়ে প্রদান করতে বাধ্য থাকবেন।

·         নির্বাচন উপলক্ষে প্রতিটি ওয়ার্ড বা ইউনিয়নে একটি খেলার মাঠ, প্রতীক বরাদ্দের দিন থেকে সভা-সমাবেশের জন্য উন্মুক্ত থাকবে। সভা-সমাবেশ, র‍্যালি, মিছিল বা ৫০ জনের অধিক গণজামায়তের ক্ষেত্রে সিকোয়েন্স অনুযায়ী প্রার্থীদের ফাস্ট কাম ফাস্ট সারভ পদ্ধতিতে নিরাপত্তা টিম অনুমতি প্রদান করবেন

·         প্রার্থী ভিত্তিক নির্বাচনে সহযোগিতায় জন্য চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ প্রাপ্ত যৌক্তিক সংখ্যা সদস্যদের চুক্তিপত্র নিরাপত্তা টিম সংরক্ষণ করবেন

(গ) নির্বাচনে অর্থ লেন-দেন পর্যবেক্ষক,

·         বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট, বীমা-আয়কর গোয়েন্দা ও তদন্ত ইউনিট, ন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেন্টার ও ক্রিমিনাল ইনভেস্টিগেশন ডিপার্টমেন্টের সমন্বয়ে গঠিত অর্থ টিম নির্বাচনকালীন সময়ে প্রার্থী বা প্রার্থীর পক্ষে ব্যক্তির আর্থিক লেনদেন মনিটর করবে।

·         লেন-দেনে কোনো অসঙ্গতি থাকলে প্রদানকারী ও গ্রহণকারীদের বিরুদ্ধে অর্থ টিম সর্বোচ্চ সময় হিসাবে ভোট শেষ হওয়ার এক ঘণ্টার পূর্বে নির্বাচন আদালতে মামলা করতে হবে এবং স্থানীয় নিরাপত্তা টিমকে প্রদানকারী ও গ্রহণকারীদের আইনের আওতায় আনতে তথ্য ও উপাত্ত প্রেরণ করবে