নিম্নের বিষয়টি শুনতে পারবেন।
ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন।
পড়ার চেয়ে যারা শুনতে পছন্দ করেন, তাঁরা এখানে বিষয়টি শুনতে পারবেন।
অনলাইন বা সফট কপি পড়তে অভ্যস্ত নন, তাঁরা ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন।
২২। জেলা পরিষদ নির্বাচন,
v তফসিল ও প্রচারণা,
§ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের পরবর্তী বছর জুলাই মাসের ৫ তারিখ তফসিল ঘোষণা করা হবে
এবং আগস্ট মাসের ৫ তারিখ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
§ ‘ফাস্ট পাস্ট দ্য পোস্ট ভোটিং’ সিস্টেমে
জেলা পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
§ নির্দিষ্ট জেলার
অধীনে উপজেলা সংখ্যা অনুযায়ী একজন পরুষ সদস্য এবং একজন মহিলা সদস্যের জন্য ২টি পদে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
§ জেলা পরিষদের পরুষ ও মহিলা সদস্যদের মধ্য থেকে তাঁদের ভোটে জেলা পরিষদের
চেয়ারম্যান ও ভাইচ-চেয়ারম্যান নির্বাচিত হবেন।
§ দলীয় প্রতীক থাকবে না, প্রার্থীরা স্বতন্ত্রভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবেন।
§ প্রতীক বরাদ্দের পর জেলা নির্বাচন অফিসার প্রার্থীদের বিস্তারিত তথ্য এক কপি করে ভোটারদের
প্রদান করবেন।
§ জেলা প্রশাসকের তত্ত্বাবধানে সকল ভোটারদের উপস্থিতিতে উপজেলা অডিটিডিয়ামে প্রতীক
বরাদ্দের পর মাঝে ২ দিন গ্যাপ দিয়ে যেকোনো ২ দিন প্রার্থীদের নির্বাচনী ইশতেহার ও ডিবেট
আয়োজন করা হবে, যা জেলার মিডিয়া, জেলা নির্বাচন অফিসের ফেসবুক ও ওয়েবসাইটে (লাইভ ইউটিউব লিংক) সরাসরি সম্প্রচার করা হবে।
§ বাংলাদেশ ব্যাপী সকল জেলা পরিষদ নির্বাচন এক সাথে অনুষ্ঠিত হবে।
v
প্রার্থিতা,
§ প্রার্থীর সর্বনিম্ন বয়স ৩৪ বছর এবং সর্বোচ্চ বয়স ৬৬ বছর।
§ জেলা পরিষদ সদস্য নির্বাচনে একজন প্রার্থী সর্বোচ্চ ৩ বার (জয়ী বা পরাজিত) প্রার্থী
হতে পারবেন।
§ জেলা পরিষদ নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার যোগ্যতা,
ü
১৫ তম নির্বাচন কমিশনারের অধীনে জেলা পরিষদ নির্বাচনে পুরুষ/মহিলা
সদস্য প্রার্থী হওয়ার যোগ্যতা,
·
১৫ তম নির্বাচন কমিশনারের অধীনে জয়ী পুরুষ/মহিলা উপজেলা
চেয়ারম্যান ও ভাইচ-চেয়ারম্যান, জেলা পরিষদ নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবেন।
ü ১৬ তম থেকে পরবর্তী নির্বাচন কমিশনারের অধীনে জেলা পরিষদ নির্বাচনে পুরুষ/মহিলা
সদস্য প্রার্থী হওয়ার যোগ্যতা,
§ ১৫ তম থেকে পরবর্তী নির্বাচন কমিশনারের অধীনে জয়ী ও সর্বশেষ প্রার্থিতায় অপরাজিত
পুরুষ/মহিলা উপজেলা চেয়ারম্যান ও ২ বার জয়ী ভাইচ-চেয়ারম্যান, জেলা পরিষদ নির্বাচনে
প্রার্থী হতে পারবেন।
§ ১৫ তম থেকে পরবর্তী নির্বাচন কমিশনারের অধীনে জয়ী বা পরাজিত পুরুষ/মহিলা পার্লামেন্ট
সদস্য এবং জেলা পরিষদের সদস্য, জেলা পরিষদ নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবেন।
v
ভোটার,
§ ২টি পদের জন্য পুরুষ ও মহিলা উভয়ে ভোটার থাকবেন।
§ একটি জেলার প্রতিটি উপজেলার একজন করে পুরুষ ও মহিলা জেলা পরিষদ সদস্য হবেন, ঐ উপজেলার
রানিং ইউনিয়ন পরিষদের পুরুষ ও মহিলা চেয়ারম্যান এবং উপজেলা পরিষদের পুরুষ ও মহিলা
চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যানদের ভোটে জেলা পরিষদের পুরুষ ও মহিলা সদস্য নির্বাচিত
হবেন।
§ নির্বাচিত জেলা পরিষদের পরুষ ও মহিলা সদস্যদের মধ্য থেকে তাঁদের ভোটে চেয়ারম্যান ও
ভাইচ-চেয়ারম্যান নির্বাচিত হবেন।
v ভোট কেন্দ্র,
§ জেলার শীর্ষ র্যাংকিংয়ে থাকা মাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষকদের সহযোগিতায় ভোট অনুষ্ঠিত হবে।
§ বিভাগীয় নির্বাচন অফিসার রিটার্নিং অফিসার, জেলা নির্বাচন অফিসার সহকারী রিটার্নিং
অফিসার, ঐ মাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক প্রিজাইডিং অফিসার এবং শিক্ষকবৃন্দ
সহকারী প্রিজাইডিং ও পোলিং অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।
v নির্বাচনী ফলাফল,
§ একটি জেলার
প্রতিটি উপজেলায় ২টি পদে একজন করে পুরুষ ও
মহিলাকে জেলা পরিষদ সদস্য পদে
বিজয়ী
ঘোষণা করা হবে।
§ জেলা পরিষদ
পরুষ/মহিলা সদস্যদের মধ্য থেকে তাঁদের ভোটে যিনি সর্বোচ্চ ভোট পাবেন তাঁকে জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এবং যিনি
পরবর্তী সর্বোচ্চ ভোট পাবেন তাঁকে জেলা ভাইচ-চেয়ারম্যান হিসাবে জয়ী ঘোষণা করা
হবে।
§ কোন প্রার্থী
কয়টি ভোট পেয়েছে তা প্রকাশ করা হবে না, কেবল জয়ীদের নাম ঘোষণা করা হবে। তবে আপিল
করলে প্রার্থী সকল তথ্য জানতে পারবে এবং সিসিটিভির ফুটেজও দেখতে পারবেন।
§ নির্দিষ্ট
মেয়াদের পর কোনো চেয়ারম্যান,
ভাইচ-চেয়ারম্যান ও সদস্য দায়িত্বে থাকবেন না, জেলা প্রশাসনিক কর্মকর্তা
দায়িত্ব পালন করবেন।