আপনার নেতৃত্বের অপেক্ষায়---আগামীর বাংলাদেশ।
তুমি জেগে ওঠো আজকের হয়ে, এবার তুমি তোমার মত, তুমি বাঁধনহারা, তোমার জন্য স্বাধীনতা, তোমাকে আসতেই হবে, নতুন বাংলাদেশ তোমার অপেক্ষায়। যেখানে তোমার স্বপ্ন, তুমি বুনবে, নতুন বাংলাদেশ- আগামী বিশ্ব তোমার হাতে।
৯। নির্বাচনী এলাকায় শৃঙ্খলা ভঙ্গ
Impact Story
বিষয়টি শুনুন

নিম্নের বিষয়টি শুনতে পারবেন।

ডাউনলোড করুন

ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন।

Impact Story
পাশে উল্লিখিত বিষয়টি শুনুন

পড়ার চেয়ে যারা শুনতে পছন্দ করেন, তাঁরা এখানে বিষয়টি শুনতে পারবেন।

পাশে উল্লিখিত বিষয়টি ডাউনলোড করুন

অনলাইন বা সফট কপি পড়তে অভ্যস্ত নন, তাঁরা ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন।

৯। নির্বাচনী এলাকায় শৃঙ্খলা ভঙ্গ,

গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ ১৯৭২ এর ৭৩ থেকে ৮৭ অনুচ্ছেদ পর্যন্ত অংশে ভোটকেন্দ্রে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের শাস্তি পরিবর্তন করে নির্বাচনি আইনে সর্বনিম্ন ৬ বছরের কারাদণ্ড এবং ৫০ লক্ষ টাকা বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করার বিধান রাখা হবে। ভোটকেন্দ্রের বাইরে নির্বাচনী এলাকায় অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের শাস্তি পরিবর্তন করে নির্বাচনি আইনে সর্বনিম্ন ৬ মাসের কারাদণ্ড এবং ৫ লক্ষ টাকা বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করার বিধান রাখা হবে। 

(ক) প্রতীক বরাদ্দের পূর্বে নির্বাচনী শৃঙ্খলা ও শাস্তির বিষয়ে তিন দিন মাইকিং, লিফলেট বিতরণ ও জনকীর্ণ স্থানে ব্যানার প্রদান করা হবে। কেন্দ্রের বাহিরে কেউ নির্বাচনী এলাকায় নির্বাচনী শৃঙ্খলা ভঙ্গ করলে সর্বনিম্ন ৬ মাসের জেল বা ৫ লাখ টাকা জরিমানা বা উভয় দন্ডে দণ্ডিত করার বিধান রাখা হবে।

(খ) নির্বাচনকালীন সময়ে হানাহানি বা মারামারি করলে উভয়পক্ষ সমান দোষে দোষী হবে। সেক্ষেত্রে, একপক্ষ আঘাত করলে অন্যপক্ষ পালটা আক্রমণ বিরত থাকবে, ডিফেন্স করবে এবং ফুটেজ সংগ্রহ করবে। নিরাপত্তা টিম অবগত হলে বা টিমকে অভিযোগ করলে চিরুনি অভিযান চালিয়ে আক্রমণদের সর্বোচ্চ শাস্তি প্রদানের ব্যবস্থা করবে। নিরাপত্তা টিম মামলা বা ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে সচেতন নাগরিক বা ভুক্তভোগী পূর্ব অভিযোগপত্র সহ নির্বাচনী আদালতে মামলা করলে নির্বাচনী টিমকে সর্বোচ্চ শাস্তিরা আওতায় আনা হবে।

(গ) কোনো বিশৃঙ্খলার অভিযোগ পেলে সর্বপ্রথম সেখানে ড্রোন পাঠিয়ে নিরাপত্তা টিম ফুটেজ সংগ্রহ করবে সাথে সাথে ফিজিক্যালি ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য ঘটনাস্থলে পৌঁছাবে। ফুটেজ দেখে সকল আক্রমণকারীদের (আক্রমণকারী ও পালটা আক্রমণকারী) আইনে আওতায় আনতে সর্বোচ্চ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

(ঘ) নিরাপত্তা টিম ড্রোনের মাধ্যমে প্রচারে শব্দের ডেসিমেল বা সভা-সমাবেশে শব্দ আইন পর্যবেক্ষণ করবে। আইনবহির্ভূত কোনো অপরাধ হলে নিরাপত্তা টিম তৎক্ষণাৎ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। নিরাপত্তা টিম মামলা বা ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে অন্য সচেতন নাগরিক বা ভুক্তভোগী নির্বাচনী আদালতে মামলা করলে টিমের বিরুদ্ধে দায়িত্বে অবহেলা ও অদক্ষতা অভিযোগ আকারে সংযুক্ত হবে। যা পরবর্তী সময়ে চাকরিতে তাদের সকলের নেগেটিভ মার্ক হিসাবে যুক্ত হবে।

(ঙ) কোনো দলীয় সভায় বা নির্বাচনী এলাকায় অপরাধ ঘটলে প্রার্থী বা দলকে দোষী সাব্যস্ত করা বে না বরং সংশ্লিষ্ট দোষী ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে এবং মিডিয়াতে সমর্থক বা ব্যক্তির পরিচয় উপস্থাপন করা হবে, দলীয় ও প্রার্থীর পরিচয় উপস্থাপন করা অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হবে।

(চ) নিরাপত্তার টিমের বিরুদ্ধে অভিযোগ,

(১) ভেরিফাইড মোবাইল নম্বর ও ই-মেল নম্বরের মাধ্যমে অনলাইন বা সরাসরি নিরাপত্তা টিমের অভিযোগ কেন্দ্রে বিস্তারিত লিখিত অভিযোগ প্রদান যাবে। এবং আইন অনুযায়ী অভিযোগ কেন্দ্র থেকে অভিযোগের ফিডব্যাক সংগ্রহ করতে পারবে

(২) নিরাপত্তার টিম পার্শিয়াল বা স্বেচ্ছাচারিতা করলে বা নির্বাচনী শৃঙ্খলা ভঙ্গকারী বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে নির্দিষ্ট এলাকায় ভোট গণনারর পূর্ব পর্যন্ত নিরাপত্তা টিমের বিরুদ্ধে নির্বাচন আদালতে ২০ হাজার টাকা জামানত রেখে পূর্বের অভিযগপত্র সহ আপিল করতে পারবে।

(৩) অভিযোগ প্রমাণিত হলে নিরাপত্তা টিমের সকল সদস্যদের বরখাস্ত, ছয় মাসের জেল বা ৫ লাখ টাকা জরিমানা করার বিধান রাখা হবে। অভিযোগকারী জামানত সহ ২ লাখ টাকা পাবে

(৪) অভিযোগ প্রমাণিত না হয় তবে জামানত বাজেয়াপ্ত করা হবে। (ফলে প্রভাবশালীরা নিরাপত্তা টিমকে স্বেচ্ছাচারিতায় বাধ্য করতে পারবে না)