নিম্নের বিষয়টি শুনতে পারবেন।
ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন।
পড়ার চেয়ে যারা শুনতে পছন্দ করেন, তাঁরা এখানে বিষয়টি শুনতে পারবেন।
অনলাইন বা সফট কপি পড়তে অভ্যস্ত নন, তাঁরা ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন।
১০। ভোট কেন্দ্রের শৃঙ্খলা ভঙ্গ,
(ক) গোপন কক্ষে অবৈধ প্রবেশ, একাধিক বার ভোট প্রদান, একাধিক ভোট প্রদান বা জাল
ব্যালটের মাধ্যমে একাধিক ভোট প্রদানের ক্ষেত্রে কেন্দ্রের সিসিটিভি পর্যবেক্ষক, প্রিজাইডিং,
সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার ও পোলিং অফিসার দায়বদ্ধ থাকবে। ঘটনা
ঘটার সর্বোচ্চ ১ ঘন্টার মধ্যে নির্বাচন কমিশনের নির্দিষ্ট ওয়েবসাইটে অবগত এবং যথাযথ
ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে, প্রার্থী কর্তৃক পরবর্তীতে নির্বাচন আদালতে আপিল করলে এবং
অভিযোগ প্রমাণিত হলে দায়িত্বশীল প্রত্যেক সদস্যকে বরখাস্ত করে
সর্বনিম্ন ৬ বছর কারাদণ্ড এবং ৫০ লক্ষ টাকা বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করার বিধান রাখা হবে।
(খ) ভোট কক্ষ দখল, গোপন কক্ষে অবৈধ প্রবেশ, একাধিক ভোট প্রদান, ভোটার লাইন ইত্যাদি
ক্ষেত্রে কেন্দ্রের নিরাপত্তা টিম দায়বদ্ধ থাকবে, আর্মি প্রতিনিধি নিরাপত্তা টিমের
প্রধান এবং সহযোগী প্রধান হিসেবে পুলিশের প্রতিনিধি দায়িত্ব পালন করবে। ঘটনা ঘটার
সর্বোচ্চ ১ ঘন্টার মধ্যে নির্বাচন কমিশনের নির্দিষ্ট ওয়েবসাইটে অবগত এবং যথাযথ ব্যবস্থা
গ্রহণ না করলে, প্রার্থী কর্তৃক পরবর্তীতে নির্বাচন আদালতে আপিল করলে এবং অভিযোগ প্রমাণিত
হলে কেন্দ্রের নিরাপত্তা টিমের প্রত্যেক সদস্যকে বরখাস্ত করে
সর্বনিম্ন ৬ বছর কারাদণ্ড এবং ৫০ লক্ষ টাকা বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করার বিধান রাখা হবে।
(গ) ভোটদাতার নিরাপত্তা বা গোপনীয়তার ক্ষেত্রে সিল মারার জন্য গোপন কক্ষে বেঞ্চের
উপর রাখা যায় এমন সেফটি বেরিয়ার থাকবে। মুড়ি থেকে ব্যালট পেপার প্রদান ও ভোট গণনার
সময় ব্যালট পেপারের সিরিয়াল নম্বর দেখে ভোট দাতাকে সনাক্ত করা যেন সম্ভব না হয় সে
লক্ষ্যে ব্যালট পেপারের সিরিয়াল নম্বর ব্যালট পেপারের পেছন পাশে সংযুক্ত করা হবে এবং
ফোল্ড করার সময় সিরিয়াল নম্বর ভিতরে থাকবে।
(ঘ) কেন্দ্রের ভোট নিয়ে কোনো অভিযোগ থাকলে প্রার্থীকে কেন্দ্রে
বিশৃঙ্খলা করে প্রতিবাদ করার বা দখল ফিরিয়ে আনার প্রয়োজন হবে না। যেহেতু প্রার্থীর নিকট ফুটেজ থাকবে সেহেতু প্রার্থী নির্বাচনী আদালতের দ্বারস্থ
হতে পারবে। তাছাড়া অভিযোগের ভিত্তিতে যে কেন্দ্রে কারচুপি হবে ঐ কেন্দ্রে নতুন করে
নির্বাচনের বিধান থাকবে এবং দায়িত্বরত কর্মকর্তাদের সর্বনিম্ন ৬ বছর কারাদণ্ড
এবং ৫০ লক্ষ টাকা বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করার বিধান রাখা হবে। অভিযোগের ক্ষেত্রে ঐ
কেন্দ্র ব্যতীত সামগ্রিক ফলাফল পরিবর্তনের সম্ভাবনা থাকলে কেদ্রের সামগ্রিক ভোট
সংখ্যা, ভোট কারচুপি ও সর্বোচ্চ ভোট প্রাপ্ত প্রার্থী এবং দ্বিতীয় সর্বোচ্চ
ভোটপ্রাপ্ত প্রার্থীর মধ্যে ভোটের পার্থক্য বিবেচনায় নিয়ে পুনর্নির্বাচনের বিধান থাকবে। কাজেই সমর্থকদের
বিশৃঙ্খলা বা ভায়োলেন্সকে ভায়োলেন্স দিয়ে জয় করার প্রয়োজন হবে না।
(ঙ) ভোট কেন্দ্রের বাইরের কোনো অভিযোগ প্রতীক বরাদ্দের পর থেকে ভোট গ্রহণ শেষ
হওয়ার ১ ঘণ্টার মধ্যে প্রার্থী বা যে কোনো ভোটার ২৫ হাজার টাকা জামাত রেখে
নির্বাচনী আদালতে ব্যক্তি বা কেন্দ্রের নিরাপত্তা টিমের বা আফিসাদের বিরুদ্ধে
অভিযোগ প্রদান করতে পারবে, অভিযোগ প্রমাণিত হলে অভিযোগকারী ৫ লাখ টাকা
পুরস্কার (নির্বাচনের ত্রুটি ধরে দেওয়ার জন্য, যা পরবর্তী নির্বাচনে পুনারাবৃত্তি
করা হবে) পাবে, অভিযোগকারীর নতুবা
জামানত বাতিল হবে। এছাড়া অভিযোগ নির্বাচনের জয়ী প্রার্থীর বিরুদ্ধে হলে অর্থ বা সুবিধা গ্রহণকারীর
সংখ্যা জয়ী ভোটের সংখ্যার ব্যবধান বেশি হয় তবে পুনর্নির্বাচনের বিধান থাকবে।
(চ) পলিং এজেন্ট অভিযোগ প্রদান ব্যতীত ওয়াল সিটে সিগনেচার না করলে, ২ লাখ টাকা জরিমানা ও ৬ বছরের জেলের বিধান থাকবে। এবং পলিং এজেন্ট ভোটকক্ষে উপস্থিত না হলে বা অভিযোগ ব্যতীত সময়ের আগে ভোট কক্ষ ত্যাগ করলে ভোট গণনা শুরু হওয়ার পূর্বে পলিং এজেন্ট বা তাঁর পক্ষে কেউ প্রিজাইডিং অফিসারের নিকট বিস্তারিত লিখত কারণ জমা দিতে হবে নতুবা ৬ মাসের জেল ও ১ লাখ টাকা জরিমানার বিধান থাকবে।
(ছ) ভোট কেন্দ্রের ভিতরের কোনো অভিযোগ ভোট গ্রহণ শেষ হওয়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে প্রার্থী ৫০ হাজার টাকা জামাত রেখে নির্বাচনী আদালতে অভিযোগ প্রদান করতে পারবে, অভিযোগ প্রমাণিত হলে প্রার্থী ১০ লাখ টাকা পুরস্কার পাবে, নতুবা অভিযোগকারীর জামানত বাতিল হবে। এছাড়া অভিযোগ নির্বাচনের জয়ী প্রার্থীর বিরুদ্ধে হলে বা ভোট কারচুপি বা অর্থ বা সুবিধা গ্রহণকারীর সংখ্যা জয়ী ভোটের সংখ্যার ব্যবধান বেশি হয় তবে পুনর্নির্বাচনের বিধান থাকবে।