আপনার নেতৃত্বের অপেক্ষায়---আগামীর বাংলাদেশ।
তুমি জেগে ওঠো আজকের হয়ে, এবার তুমি তোমার মত, তুমি বাঁধনহারা, তোমার জন্য স্বাধীনতা, তোমাকে আসতেই হবে, নতুন বাংলাদেশ তোমার অপেক্ষায়। যেখানে তোমার স্বপ্ন, তুমি বুনবে, নতুন বাংলাদেশ- আগামী বিশ্ব তোমার হাতে।
২০৷ ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন
Impact Story
বিষয়টি শুনুন

নিম্নের বিষয়টি শুনতে পারবেন।

ডাউনলোড করুন

ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন।

Impact Story
পাশে উল্লিখিত বিষয়টি শুনুন

পড়ার চেয়ে যারা শুনতে পছন্দ করেন, তাঁরা এখানে বিষয়টি শুনতে পারবেন।

পাশে উল্লিখিত বিষয়টি ডাউনলোড করুন

অনলাইন বা সফট কপি পড়তে অভ্যস্ত নন, তাঁরা ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন।

ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন,

o  একজন ভোটার ৪টি পদের জন্য ভট প্রদান করবেন। ২টি ইউনিয়ন পরিষদ পরুষ চেয়ারম্যান ও নারী চেয়ারম্যান, অন্য ২টি প্রতিটি ওয়ার্ডে একটি ইউনিয়ন পরিষদের পরুষ সদস্য ও অন্যটি ইউনিয়ন পরিষদের নারী সদস্য।

o  ১ম ধাপের  তফসিল ও প্রচারণা,

§  অধিবর্ষ পরবর্তী বছর ‘ইনস্ট্যান্ট রান অফ টপ টু ভোটিং’ সিস্টেমে ১ম ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

§  দলীয় প্রতীক থাকবে না, প্রার্থীরা স্বতন্ত্রভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবেন।

§  চেয়ারম্যান পদের প্রতীক প্রদানের পর উপজেলা নির্বাহী অফিসারের অধীনে বা উপস্থিতিতে ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা ইউনিয়নের সব থেকে বড় মাঠে চেয়ারম্যান প্রার্থীদের জন্য নির্বাচনী ইশতেহার ও ডিবেট আয়োজন করবেন মাঝে ২ দিন গ্যাপ দিয়ে যেকোনো ২ দিন।

§  মেম্বার পদের প্রতীক প্রদানের পর ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তার অধীনে প্রতিটি ওয়ার্ডের সবথেকে বড় মাঠে ঐ ওয়ার্ডের মেম্বার প্রার্থীদের জন্য নির্বাচনী ইশতেহার ও ডিবেট আয়োজন করবে মাঝে ২ দিন গ্যাপ দিয়ে যেকোনো ২ দিন।

§  একটি বিভাগের সকল ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন একদিনে অনুষ্ঠিত হবে, এভাবে ভিন্ন দিন ৮টি বিভাগের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

§   ঢাকা বিভাগে ১ম ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন,

o   জানুয়ারি মাসের ১ তারিখ:    তফসিল ঘোষণা করা হবে।

o   ফেব্রুয়ারি মাসের ৩ তারিখের মধ্যে প্রার্থী নিজ উদ্যোগে পোস্টার ব্যানার সহ নির্বাচনী প্রচার সামগ্রী অপসারণ করবে, নতুবা ৫ তারিখের মধ্যে ইউনিয়ন প্রশাসনিক কর্মকর্তার অধীনে অপসারণ করা হবে।

o   ফেব্রুয়ারি মাসের ৬ তারিখ:   মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ তারিখ। অনলাইনে আবেদনের পর প্রার্থী বা তাঁর পক্ষে কেউ মনোনয়নপত্র দাখিল করতে পারবেন। এবং প্রার্থীদের বিস্তারিত তথ্য ওয়েবসাইটে পরবর্তী ছয় দিন প্রকাশ থাকবে।

o   ফেব্রুয়ারি মাসের ৮ তারিখ:   সহকারী রিটার্নিং অফিসার কর্তৃক প্রাথমিক মনোনয়নপত্রের তথ্য যাচাই ও অনুসন্ধান প্রতিবেদন রিটার্নিং অফিসারের নিকট দাখিল।

o   ফেব্রুয়ারি মাসের ৯ তারিখ:    রিটার্নিং অফিসার কর্তৃক মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের তারিখ। । (২ দিনের মধ্যে যেকোনো একদিন অফিস টাইমে প্রার্থীকে সরাসরি উপস্থিত হয়ে রিটার্নিং অফিসারের নিকট তাঁর তথ্যের সত্যতা উপস্থাপন করতে হবে। তবে প্রার্থী জেলে থাকলে এবং সর্বনিম্ন ছয় মাসের সাজা প্রাপ্ত না হলে তাঁর পক্ষে কেউ সত্যতা উপস্থাপন করতে পারবেন।)

o   ফেব্রুয়ারি মাসের ১৩ তারিখ:    মনোনয়নপত্র গ্রহণ ও বাতিল আদেশের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের শেষ তারিখ, এবং ২০ তারিখের মধ্যে নিষ্পত্তি।

o   ফেব্রুয়ারি মাসের ১৬ তারিখ:    প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ।

o   ফেব্রুয়ারি মাসের ১৮ তারিখ:    প্রতীক বরাদ্দের কার্যক্রম সম্পন্ন হবে।

o   মার্চ মাসের ২১ তারিখ:         সকাল ৮টা পর্যন্ত প্রচারণা করতে পারবেন।

o   মার্চ মাসের ২২ তারিখ:         সকাল ৮টায় ঢাকা বিভাগের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

§  ঢাকা বিভাগের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার তিন দিন পর চট্টগ্রাম বিভাগের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হবে।

§  চট্টগ্রাম বিভাগের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার তিন দিন পর সিলেট বিভাগের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হবে।

§  সিলেট বিভাগের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার তিন দিন পর ময়মনসিং বিভাগের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হবে।

§  ময়মনসিং বিভাগের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার তিন দিন পর সিলেট বিভাগের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হবে।

§  ময়মনসিং বিভাগের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার তিন দিন পর রংপুর বিভাগের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হবে।

§  রংপুর বিভাগের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার তিন দিন পর রাজশাহী বিভাগের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হবে।

§  রাজশাহী বিভাগের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার তিন দিন পর খুলনা বিভাগের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হবে।

§  খুলনা বিভাগের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার তিন দিন পর বরিশাল বিভাগের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হবে।

২য় ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন

o  একজন ভোটার নির্বাচিত ৮ জন প্রার্থী হতে ৪টি পদের জন্য নির্বাচনে ভোট দিবেন। ২টি ইউনিয়ন পরিষদ পরুষ চেয়ারম্যান ও মহিলা চেয়ারম্যান, অন্য ২টি প্রতিটি ওয়ার্ডে একটি ইউনিয়ন পরিষদের পরুষ সদস্য ও অন্যটি ইউনিয়ন পরিষদের মহিলা সদস্য।

o   তফসিল ও প্রচারণা,

§  অধিবর্ষ পরবর্তী বছর ‘ফাস্ট পাস্ট দ্য পোস্ট ভোটিং’ সিস্টেমে ২য় ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

§  একটি বিভাগে ২য় ধাপের সকল ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন একদিনে অনুষ্ঠিত হবে, এভাবে ভিন্ন দিন ৮টি বিভাগের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

§   ঢাকা বিভাগের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন,

o   মার্চ মাসের ১ তারিখ:    তফসিল ঘোষণা করা হবে।

o   মার্চ মাসের ৩ তারিখের মধ্যে প্রার্থী নিজ উদ্যোগে পোস্টার ব্যানার সহ নির্বাচনী প্রচার সামগ্রী অপসারণ করবে, নতুবা ৫ তারিখের মধ্যে ইউনিয়ন প্রশাসনিক কর্মকর্তার অধীনে অপসারণ করা হবে।

o   মার্চ মাসের ১০ তারিখ:   মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ তারিখ। অনলাইনে আবেদনের পর প্রার্থী বা তাঁর পক্ষে কেউ মনোনয়নপত্র দাখিল করতে পারবেন। এবং প্রার্থীদের বিস্তারিত তথ্য ওয়েবসাইটে পরবর্তী ছয় দিন প্রকাশ থাকবে।

o   মার্চ মাসের ১২ তারিখ:   সহকারী রিটার্নিং অফিসার কর্তৃক প্রাথমিক মনোনয়নপত্রের তথ্য যাচাই ও অনুসন্ধান প্রতিবেদন রিটার্নিং অফিসারের নিকট দাখিল।

o   মার্চ মাসের ১৩ তারিখ:    রিটার্নিং অফিসার কর্তৃক মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের তারিখ। । (২ দিনের মধ্যে যেকোনো একদিন অফিস টাইমে প্রার্থীকে সরাসরি উপস্থিত হয়ে রিটার্নিং অফিসারের নিকট তাঁর তথ্যের সত্যতা উপস্থাপন করতে হবে। তবে প্রার্থী জেলে থাকলে এবং সর্বনিম্ন ছয় মাসের সাজা প্রাপ্ত না হলে তাঁর পক্ষে কেউ সত্যতা উপস্থাপন করতে পারবেন।)

o   মার্চ মাসের ১৭ তারিখ:    মনোনয়নপত্র গ্রহণ ও বাতিল আদেশের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের শেষ তারিখ, এবং ২০ তারিখের মধ্যে নিষ্পত্তি।

o  মার্চ মাসের ২২ তারিখ:    প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ।

o   মার্চ মাসের ২৪ তারিখ:    প্রতীক বরাদ্দের কার্যক্রম সম্পন্ন হবে।

o   এপ্রিল মাসের ১ তারিখ:         সকাল ৮টা পর্যন্ত প্রচারণা করতে পারবেন।

o   এপ্রিল মাসের ২ তারিখ:         সকাল ৮টায় ঢাকা বিভাগের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

§  ঢাকা বিভাগের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার তিন দিন পর চট্টগ্রাম বিভাগের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হবে।

§  চট্টগ্রাম বিভাগের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার তিন দিন পর সিলেট বিভাগের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হবে।

§  সিলেট বিভাগের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার তিন দিন পর ময়মনসিং বিভাগের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হবে।

§  ময়মনসিং বিভাগের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার তিন দিন পর সিলেট বিভাগের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হবে।

§  ময়মনসিং বিভাগের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার তিন দিন পর রংপুর বিভাগের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হবে।

§  রংপুর বিভাগের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার তিন দিন পর রাজশাহী বিভাগের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হবে।

§  রাজশাহী বিভাগের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার তিন দিন পর খুলনা বিভাগের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হবে।

§  খুলনা বিভাগের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার তিন দিন পর বরিশাল বিভাগের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হবে।

প্রার্থিতা,

§  ইউপি সদস্য প্রার্থীর সর্বনিম্ন বয়স ১৮ বছর এবং সর্বোচ্চ বয়স ৬৬ বছর।

§  ইউপি চেয়ারম্যান প্রার্থীর সর্বনিম্ন বয়স ২২ বছর এবং সর্বোচ্চ বয়স ৬৬ বছর।

§  ইউপি সদস্য নির্বাচনে একজন প্রার্থী একই পদে সর্বোচ্চ ৩ বার (জয়ী বা পরাজিত) প্রার্থী হতে পারবেন।

§  কোনো পরাজিত বা সাবেক জয়ী পরবর্তীতে পরাজিত ইউপি মেম্বার চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হতে পারবেন না। অর্থাৎ নিম্ন পদে সর্বশেষ পরাজিত প্রার্থী ঊর্ধ্ব পদের প্রার্থী হতে পারবেন না, নিম্ন পদে সর্বশেষ জয়ী প্রার্থী ঊর্ধ্ব পদের প্রার্থী হতে পারবেন। (নমিনেশন বাণিজ্য, নির্বাচনের আগে চাঁদাবাজি ও অর্থ সংগ্রহ (ডোনেশন) বন্ধ হবে)

§  ইউপি নির্বাচনে সদস্য প্রার্থী হওয়ার যোগ্যতা,

o   উপরোক্ত শর্ত ব্যতীত নির্দিষ্ট এরিয়ার সকল নাগরিক ইউপি সদস্য নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবেন।

§  ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী হওয়ার যোগ্যতা,

ü  ১৫ তম নির্বাচন কমিশনারের অধীনে ইউপি নির্বাচনে পুরুষ/মহিলা চেয়ারম্যান প্রার্থী হওয়ার যোগ্যতা,

·         প্রার্থী হওয়ার অযোগ্যতা ব্যতীত সকল নাগরিক নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবেন।

ü  ১৬ তম থেকে পরবর্তী নির্বাচন কমিশনারের অধীনে ইউপি নির্বাচনে পুরুষ/মহিলা চেয়ারম্যান প্রার্থী হওয়ার যোগ্যতা,

·         ১৫ তম থেকে পরবর্তী নির্বাচন কমিশনারের অধীনে জয়ী এবং সর্বশেষ অপরাজিত পুরুষ/মহিলা ইউপি মেম্বার, পুরুষ/মহিলা ইউপি চেয়ারম্যান নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবেন।

·         ১৫ তম নির্বাচন কমিশনারের অধীনে জয়ী পুরুষ/মহিলা ইউপি চেয়ারম্যান এবং ১৬ থেকে পরবর্তী নির্বাচন কমিশনারের অধীনে জয়ী বা পরাজিত পুরুষ/মহিলা ইউপি চেয়ারম্যান, পুরুষ/মহিলা ইউপি চেয়ারম্যান নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবেন।

o ১ম ধাপের   নির্বাচনে ভোটার,

·         স্নাতক ভোটার,

§  এনআইডি কার্ডের স্থায়ী ঠিকানা অনুযায়ী ১৮ বছর থেকে ৭০ বছর পর্যন্ত স্নাতক পাশ প্রত্যেক নাগরিক ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ভোট প্রদান করতে পারবেন (৭০ ঊর্ধ্ব ব্যক্তিরা দেশের সর্বোচ্চ সম্মানিত ব্যক্তি ও অগ্রধিকার প্রাপ্ত হবেন, দলমত নির্বিশেষে তাঁরা সকলের শ্রদ্ধার পাত্র থাকবেন)।

§  সরকারি, আধা-সরকারি ও স্বায়েত্বশাসিত সংস্থার কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং এমপিও ভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষিকা নির্বাচনে ভোটার হবে না (দলমত নির্বিশেষে তাঁরা সকলের কাছে গ্রহণযোগ্য। সকলকে সমান অধিকার প্রদান এবং সমান দৃষ্টিতে দেখতে বাধ্য, কাজেই কোনো দল-মতের অংশ হতে পারবেন না)।

§  সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও পদের সদস্য নির্বাচনে ভোটার হবে না।

§  দ্বৈত নাগরিকত্ব গ্রহণ বা বিদেশী রাষ্ট্রের প্রতি আনুগত্য ঘোষণা বা স্বীকার করেছেন তাঁরা নির্বাচনে ভোটার হবে না।

         ·        স্নাতক প্রবাসী ভোটার,

§  বাংলাদেশে ভোট যুদ্ধের সমান, কাজেই পোস্টাল ভোট সিস্টেম থাকবে না (সন্দেহ বা অস্বচ্ছতার কোন সুযোগ থাকবে না)।

§  স্নাতক পাশ ইচ্ছুক প্রবাসী ভোটারকে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ও নমিনির নাম- সম্পর্ক উল্লেখ করে নির্বাচন কমিশনের নির্দিষ্ট পোর্টালে যথা সময়ে আবেদন করতে হবে।

§  স্নাতক পাশ প্রবাসীর এনআইডি নম্বর দিয়ে ব্যাংক একাউন্টে প্রদেয় নমিনি প্রবাসীর ভোটার হতে পারবে। তবে, নমিনি পিতা-মাতা, স্ত্রী-সন্তান, ভাই-বোনের মধ্যে হতে হবে এবং নমিনি নিজেও ভোটার হতে পারবেন।

§  ভোটার তালিকায় স্নাতক পাশ প্রবাসীর ভোটারের সাথে নমিনীর নাম ও সম্পর্ক উল্লেখ থাকবে, নমিনী নিজের ও প্রবাসীর হয়ে মোট ২টি ভোট প্রদান করতে পারবেন।

o ২য় ধাপের   নির্বাচনে ভোটার,

·         স্নাতক পাশ নন ভোটার,

§  এনআইডি কার্ডের স্থায়ী ঠিকানা অনুযায়ী ১৮ বছর থেকে ৭০ বছর পর্যন্ত স্নাতক পাশ নন প্রত্যেক নাগরিক ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ভোট প্রদান করতে পারবেন (৭০ ঊর্ধ্ব ব্যক্তিরা দেশের সর্বোচ্চ সম্মানিত ব্যক্তি ও অগ্রধিকার প্রাপ্ত হবেন, দলমত নির্বিশেষে তাঁরা সকলের শ্রদ্ধার পাত্র থাকবেন)।

§  সরকারিআধা-সরকারি ও স্বায়েত্বশাসিত সংস্থার কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং এমপিও ভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষিকা নির্বাচনে ভোটার হবে না (দলমত নির্বিশেষে তাঁরা সকলের কাছে গ্রহণযোগ্য। সকলকে সমান অধিকার প্রদান এবং সমান দৃষ্টিতে দেখতে বাধ্য, কাজেই কোনো দল-মতের অংশ হতে পারবেন না)।

§  সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও পদের সদস্য নির্বাচনে ভোটার হবে না।

§  দ্বৈত নাগরিকত্ব গ্রহণ বা বিদেশী রাষ্ট্রের প্রতি আনুগত্য ঘোষণা বা স্বীকার করেছেন তাঁরা নির্বাচনে ভোটার হবে না।

         ·        স্নাতক পাশ নন প্রবাসী ভোটার,

§  বাংলাদেশে ভোট যুদ্ধের সমান, কাজেই পোস্টাল ভোট সিস্টেম থাকবে না (সন্দেহ বা অস্বচ্ছতার কোন সুযোগ থাকবে না)।

§  ইচ্ছুক প্রবাসী ভোটারকে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ও নমিনির নাম- সম্পর্ক উল্লেখ করে নির্বাচন কমিশনের নির্দিষ্ট পোর্টালে যথা সময়ে আবেদন করতে হবে।

§  স্নাতক পাশ নন প্রবাসীর এনআইডি নম্বর দিয়ে ব্যাংক একাউন্টে প্রদেয় নমিনি প্রবাসীর ভোটার হতে পারবে। তবে, নমিনি পিতা-মাতা, স্ত্রী-সন্তান, ভাই-বোনের মধ্যে হতে হবে এবং নমিনি নিজেও ভোটার হতে পারবেন।

§  ভোটার তালিকায় স্নাতক পাশ নন প্রবাসীর ভোটারের সাথে নমিনীর নাম ও সম্পর্ক উল্লেখ থাকবে, নমিনী নিজের ও প্রবাসীর হয়ে মোট ২টি ভোট প্রদান করতে পারবেন।

ভোটার তালিকা প্রস্তুত,

·         ইউনিয়ন প্রশাসক এবং উপজেলা নির্বাচন অফিস সমন্বয়ে মাধ্যমে ভোটার তালিকা প্রস্তুত করা হবে। তফসিল ঘোষণার ১ মাস পূর্বে খসড়া ভোটার তালিকা স্থানীয় নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে।

·         খসড়া ভোটার তালিকার বিরুদ্ধে তফসিল ঘোষণার পরবর্তী ১০ দিনের মধ্যে আপিল দাখিলের সময় থাকবে।

·         তফসিল ঘোষণার সাথে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা স্থানীয় নির্বাচন অফিসের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে।

·         ভোটার তালিকায় ভোট কেন্দ্রের নাম (শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নাম) ও ভোট কক্ষ নম্বর উল্লেখ থাকবে

·         তফসিল ঘোষণার ১ মাস পূর্বে বিদেশে অবস্থান করছেন তাঁরা নির্বাচনে ভোটার হবে না।

o   ভোট কেন্দ্র,

§  প্রতিটি ওয়ার্ডে এক বা একাধিক ভোট কেন্দ্র থাকবে, ভোট কেন্দ্র প্রাইমারি স্কুল হবে।

§  একটি কেন্দ্রের অধীনে সর্বোচ্চ ২,৬০০ থেকে ২,০০০ জন ভোটারের ভোট গ্রহণ করা হবে।

§  একটি কক্ষে এক বা একাধিক সহকারী প্রিজাইডিং অফিসারের টিম ও গোপন কক্ষ থাক্ততে পারবে।

§  উপজেলা নির্বাচন অফিসার রিটার্নিং অফিসার, ইউনিয়ন প্রশাসনিক কর্মকর্তা সহকারী রিটার্নিং অফিসার, প্রাইমারি স্কুলের প্রধান শিক্ষক প্রিজাইডিং অফিসার এবং মাধ্যমিক ও প্রাইমারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকবৃন্দ সহকারী প্রিজাইডিং ও পোলিং অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

o   নির্বাচনী ফলাফল,

       ১ম ধাপে ২ জন প্রার্থী নির্বাচিত হবেন,

§  ভোট গনণা শেষে কেন্দ্রের কক্ষে বিজয়ী ঘোষণা করা হবে, তারপর কেন্দ্রে প্রাথমিক বিজয়ী ঘোষণা করা হবে।

§  নির্বাচনের পরের দিন সিসিটিভির ঘণ্টা ও মিনিট উল্লেখ করে অভিযোগ বা সুনির্দিষ্ট অভিযোগ উল্লেখ করে প্রার্থী আপিল করতে পারবেন এবং পরবর্তী ৬ দিনের মধ্যে আপিল নিষ্পত্তি করে আনুষ্ঠানিক ফলাফল ঘোষণা করা হবে।

§  যে সকল নির্বাচনী আসনে নির্বাচনের পরের দিন আপিল আসবে না, সেখানে নির্বাচন পরবর্তী ২য় দিন বিকাল ৫টার পর আনুষ্ঠানিকভাবে ১ম ধাপের ফলাফল ঘোষণা করা হবে।

  ২য় ধাপে ২ জন প্রার্থী নির্বাচিত হবেন,

§  ভোট গনণা শেষে কেন্দ্রের কক্ষে বিজয়ী ঘোষণা করা হবে, তারপর কেন্দ্রে প্রাথমিক বিজয়ী ঘোষণা করা হবে।

§  নির্বাচনের পরের দিন সিসিটিভির ঘণ্টা ও মিনিট উল্লেখ করে অভিযোগ বা সুনির্দিষ্ট অভিযোগ উল্লেখ করে প্রার্থী আপিল করতে পারবেন এবং পরবর্তী ৬ দিনের মধ্যে আপিল নিষ্পত্তি করে আনুষ্ঠানিক ফলাফল ঘোষণা করা হবে।

§  যে সকল নির্বাচনী আসনে নির্বাচনের পরের দিন আপিল আসবে না, সেখানে নির্বাচন পরবর্তী ২য় দিন বিকাল ৫টার পর আনুষ্ঠানিকভাবে ২য় ধাপের ফলাফল ঘোষণা করা হবে।

§  ইউনিয়ন পরিষদ সদস্যদের নির্দিষ্ট ওয়ার্ডের এক বা একাধিক ভোটকেন্দ্রে সর্বোচ্চ ভোট পেয়ে জয়ী হতে হবে।

§  ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানদের একটি নির্বাচনী এলাকার সর্বোচ্চ সংখ্যক কেন্দ্রে জয়ী হতে হবে, উভয়ে একই সংখ্যক কেন্দ্রে জয়ী হলে, বর্তমানের ন্যায় ইউনিয়নের সর্বোচ্চ ভোট প্রাপ্ত প্রার্থীকে জয়ী ঘোষণা করা হবে।

§  আনুষ্ঠানিক ফলাফল প্রকাশের দুইদিন পর উপজেলা নির্বাচন অফিস থেকে পোস্টার, লিফলেট, মাইকিং ও সভা-সমাবেশ খরচ বাবদ প্রতিটি ওয়ার্ডে বিজয়ী ও পরাজিত সর্বোচ্চ ভোট প্রাপ্ত ক্রমিক অনুযায়ী ৬ জন (৩ জন করে পরুষ ও মহিলা) ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য প্রার্থীকে ১ লাখ টাকা করে চেক প্রদান করা হবে।

§  আনুষ্ঠানিক ফলাফল প্রকাশের একদিন পর উপজেলা নির্বাচন অফিস থেকে পোস্টার, লিফলেট, মাইকিং ও সভা- সমাবেশ খরচ বাবদ প্রতিটি ইউনিয়নের বিজয়ী ও পরাজিত সর্বোচ্চ ওয়ার্ডে বা ভোট প্রাপ্ত ক্রমিক অনুযায়ী ৪ জন (২ জন করে পরুষ ও মহিলা) ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ার‍ম্যান প্রার্থীকে ৩ লাখ টাকা করে চেক প্রদান করা হবে।

§  চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণার পরে ৪ বছরের মধ্যে ইউনিয়ন পরিষদ মেম্বার বা চেয়ারম্যানের পদ শূন্য হলে পুরুষ/মহিলা সদস্য বা চেয়ারম্যান উক্ত পদে দায়িত্ব পালন করবেন, উপনির্বাচন হবে না।

§  প্যানেল চেয়ারম্যান সিস্টেম থাকবে না, পুরুষ/মহিলা চেয়ারম্যানের অবর্তমানে বা পদশূন্য হলে, অন্য পুরুষ/মহিলা চেয়ারম্যান দায়িত্ব পালন করবেন, কেবল উভয়পদ শূন্য হলে উপ-নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। 

§  নির্দিষ্ট মেয়াদের পর কোনো চেয়ারম্যান দায়িত্বে থাকবেন না, ইউনিয়ন প্রশাসনিক কর্মকর্তা দায়িত্ব পালন করবেন।