নিম্নের বিষয়টি শুনতে পারবেন।
ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন।
পড়ার চেয়ে যারা শুনতে পছন্দ করেন, তাঁরা এখানে বিষয়টি শুনতে পারবেন।
অনলাইন বা সফট কপি পড়তে অভ্যস্ত নন, তাঁরা ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন।
২৩। আঞ্চলিক পরিষদ নির্বাচন,
v তফসিল ও প্রচারণা,
§ জেলা পরিষদ নির্বাচনের পরবর্তী বছর জুলাই মাসের ৫ তারিখ তফসিল ঘোষণা করা হবে এবং
আগস্ট মাসের ৫ তারিখ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
§ ‘ফাস্ট পাস্ট দ্য পোস্ট ভোটিং’ সিস্টেমে আঞ্চলিক পরিষদের
নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
§ দলীয় প্রতীক থাকবে না, প্রার্থীরা স্বতন্ত্রভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবেন।
§ নির্দিষ্ট আঞ্চলিক পরিষদ/বিভাগের অধীন জেলা সংখ্যা অনুযায়ী ২ জন পরুষ সদস্য এবং ২ জন মহিলা
সদস্যদের জন্য ২টি পদে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
§ আঞ্চলিক পরিষদের পরুষ ও মহিলা সদস্যদের মধ্য থেকে তাঁদের ভোটে আঞ্চলিক পরিষদের চেয়ারম্যান ও
ভাইচ-চেয়ারম্যান নির্বাচিত হবেন।
§ প্রতীক বরাদ্দের পর জেলা নির্বাচন অফিসার প্রার্থীদের বিস্তারিত তথ্য এক কপি করে ভোটারদের
প্রদান করবেন।
§ বিভাগীয় কমিশনারের তত্ত্বাবধানে সকল ভোটারদের উপস্থিতিতে বিভাগের অডিটিডিয়ামে
প্রতীক বরাদ্দের পর মাঝে ২ দিন গ্যাপ দিয়ে যেকোনো ২ দিন প্রার্থীদের নির্বাচনী ইশতেহার
ও ডিবেট আয়োজন করা হবে, যা প্রত্যেক জেলার মিডিয়া, প্রত্যেক জেলা নির্বাচন অফিসের ফেসবুক ও ওয়েবসাইটে (লাইভ ইউটিউব লিংক) সরাসরি সম্প্রচার করা হবে।
§ বাংলাদেশ ব্যাপী সকল আঞ্চলিক পরিষদ নির্বাচন এক সাথে অনুষ্ঠিত হবে।
v
প্রার্থিতা,
§ প্রার্থীর সর্বনিম্ন বয়স ৩৮ বছর এবং সর্বোচ্চ বয়স ৬৬ বছর।
§ আঞ্চলিক পরিষদের নির্বাচনে একজন প্রার্থী একই পদে সর্বোচ্চ ৩ বার (জয়ী বা পরাজিত)
প্রার্থী হতে পারবেন।
§ আঞ্চলিক পরিষদ নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার যোগ্যতা,
ü
১৫ তম নির্বাচন কমিশনারের অধীনে আঞ্চলিক পরিষদ নির্বাচনে পুরুষ/মহিলা
সদস্য প্রার্থী হওয়ার যোগ্যতা,
·
১৫ তম নির্বাচন কমিশনারের অধীনে জয়ী পুরুষ/মহিলা জেলা
পরিষদের পুরুষ/মহিলা সদস্য, আঞ্চলিক পরিষদ নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবেন।
ü ১৬ তম থেকে পরবর্তী নির্বাচন কমিশনারের অধীনে আঞ্চলিক পরিষদ নির্বাচনে পুরুষ/মহিলা
সদস্য প্রার্থী হওয়ার যোগ্যতা,
§ ১৫ তম থেকে পরবর্তী নির্বাচন কমিশনারের অধীনে জয়ী ও সর্বশেষ প্রার্থিতায় অপরাজিত
জেলা পরিষদ সদস্য, আঞ্চলিক পরিষদ নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবেন।
§ ১৫ তম থেকে পরবর্তী নির্বাচন কমিশনারের অধীনে মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী বা উপমন্ত্রী
এবং জয়ী বা পরাজিত পুরুষ/মহিলা আঞ্চলিক পরিষদের সদস্য, আঞ্চলিক পরিষদ নির্বাচনে প্রার্থী
হতে পারবেন।
v
ভোটার,
§ ২টি পদের জন্য পুরুষ ও মহিলা উভয়ে ভোটার থাকবেন।
§ একটি বিভাগের প্রতিটি জেলার ২জন করে পুরুষ ও মহিলা সদস্য থাকবে, ঐ জেলার রানিং
উপজেলা পরিষদের পুরুষ ও মহিলা চেয়ারম্যানগণ এবং জেলা পরিষদের পুরুষ ও মহিলা সদস্যদের
ভোটে আঞ্চলিক পরিষদের পুরুষ ও মহিলা সদস্য নির্বাচিত হবে।
§ নির্বাচিত আঞ্চলিক পরিষদ পরুষ/মহিলা সদস্যদের মধ্য থেকে তাঁদের ভোটে আঞ্চলিক পরিষদের
চেয়ারম্যান ও ভাইচ-চেয়ারম্যান নির্বাচিত হবেন।
v ভোট কেন্দ্র,
§ বোর্ডে শীর্ষ র্যাংকিংয়ে থাকা মাধ্যমিক স্কুলে শিক্ষকদের সহযোগিতায় ভোট অনুষ্ঠিত হবে। (অজপাড়া গায়ের কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে
যদি নির্বাচন হয় শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের সম্মান বৃদ্ধি পাবে, সুশিক্ষার আলোড়ন সৃষ্টি
হবে।)
§ প্রধান নির্বাচন কমিশনার রিটার্নিং অফিসার, অন্যান্য নির্বাচন কমিশনার সহকারী রিটার্নিং
অফিসার, ঐ মাধ্যমিক স্কুলের প্রধান শিক্ষক প্রিজাইডিং অফিসার এবং শিক্ষকবৃন্দ সহকারী
প্রিজাইডিং ও পোলিং অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।
v নির্বাচনী ফলাফল,
§ একটি বিভাগের
প্রতিটি জেলায় ২ জন পরুষ
ও ২ জন মহিলা নির্বাচিত হইবেন, যারা সর্বোচ্চ ভোট ও পরবর্তী সর্বোচ্চ ভোট পাইবেন
এমন ২জন করে পরুষ ও মহিলাকে আঞ্চলিক পরিষদের সদস্য পদে বিজয়ী ঘোষণা করা হবে।
§ আঞ্চলিক পরিষদ
পরুষ/মহিলা সদস্যদের মধ্য থেকে তাঁদের ভোটে যিনি সর্বোচ্চ ভোট পাবেন তাঁকে আঞ্চলিক পরিষদ চেয়ারম্যান এবং যিনি পরবর্তী
সর্বোচ্চ ভোট পাবেন তাঁকে আঞ্চলিক
ভাইচ-চেয়ারম্যান পদে বিজয়ী ঘোষণা করা হবে।
§ কোন প্রার্থী
কয়টি ভোট পেয়েছে তা প্রকাশ করা হবে না, কেবল জয়ীদের নাম ঘোষণা করা হবে। তবে আপিল
করলে প্রার্থী সকল তথ্য জানতে পারবে এবং সিসিটিভির ফুটেজও দেখতে পারবেন।
§ নির্দিষ্ট মেয়াদের পর কোনো চেয়ারম্যান, ভাইচ-চেয়ারম্যান ও সদস্য দায়িত্বে থাকবেন না, বিভাগীয় প্রশাসনিক কর্মকর্তা দায়িত্ব পালন করবেন।