নিম্নের বিষয়টি শুনতে পারবেন।
ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন।
পড়ার চেয়ে যারা শুনতে পছন্দ করেন, তাঁরা এখানে বিষয়টি শুনতে পারবেন।
অনলাইন বা সফট কপি পড়তে অভ্যস্ত নন, তাঁরা ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন।
সংরক্ষিত
আসনে জাতীয় সংসদ নির্বাচন,
v ভোটার,
§ প্রার্থী হওয়ার
যোগ্য সকল ব্যক্তিই ভোটার, তবে ডাকবিভাগের একনলেজমেন্টে
সিগনেচারের মাধ্যমে ভোটার হওয়ার সম্মতি প্রকাশ করতে হবে বা অনলাইনে ক্ষুদ্র আবেদন
করে সম্মতি প্রকাশ করতে হবে।
§ জাতীয় সংসদের
সংরক্ষিত আসনে ৩ বার জয়ী জয়ী নন ব্যাক্তি এই নির্বাচনে ভোটার হবেন।
v তফসিল ও প্রচারণা,
§ ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের পরবর্তী বছর বা অধিবর্ষের পরবর্তী দ্বিতীয় বছর ‘ইনস্ট্যান্ট-রানঅফ
(টপ থ্রি)’ সিস্টেমে জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত আসনে তফসিল ঘোষণা করা হবে (প্রতি ৪ বছর পরপর)।
§ নির্বাচন ভবন, ঢাকা থেকে সকল সংরক্ষিত আসনের প্রার্থী হওয়ার যোগ্য সকলের নিকট ডাকযোগে একনলেজমেন্ট পদ্ধতিতে ও ই-মেইলে প্রার্থী হওয়ার অনুরোধপত্র প্রেরণ করা হবে, অনুরোধপত্র গ্রহণ করলে বা প্রার্থী একনলেজমেন্টে সিগনেচার করলে ভোটার হিসাবে গণ্য হবেন এবং নির্দিষ্ট ওয়েবসাইটে সকল তথ্য দিয়ে মনোনয়নপত্র দাখিল করলে প্রার্থী হিসেবে গণ্য হবেন।
§ নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে ১০জনের অধিক প্রার্থী হলে ৪টি ক্যাটাগরিতে (জাতীয় পুরস্কার/পদক প্রাপ্তির সংখ্যা, শিক্ষা, উপজেলায় র্যাংকিং ক্রম ও সর্বনিম্ন বয়স) ১০জন প্রার্থী বাছাই করা হবে।
§ ১০জন প্রার্থী বাছাই পর প্রতীক সহ প্রার্থীদের বিস্তারিত তথ্য এক কপি করে
ডাকযোগে ভোটারদের প্রদান করা হবেন।
§ নির্দিষ্ট প্রতীকে প্রার্থীরা স্বতন্ত্রভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবেন।
§ তফসিল ঘোষণা,
· ডিসেম্বর মাসের ১৭ তারিখ: তফসিল ঘোষণা করা হবে।
· ডিসেম্বর মাসের ১৯ তারিখ:
ডাকযোগে একনলেজমেন্ট পদ্ধতিতে ভোটার ও প্রার্থী হওয়ার অনুরোধপত্র প্রেরণ করা
হবে।
· ডিসেম্বর মাসের ২৮ তারিখ:
মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ তারিখ (সরাসরি বা অনলাইনে মনোনয়নপত্র দাখিল করা যাবে)।
· জানুয়ারি মাসের ০৪ তারিখ:
সহকারী রিটার্নিং অফিসার কর্তৃক প্রাথমিক মনোনয়নপত্রের তথ্য যাচাই ও অনুসন্ধান
প্রতিবেদন রিটার্নিং অফিসারের নিকট দাখিল।
· জানুয়ারি মাসের ০৮ তারিখ:
রিটার্নিং অফিসার কর্তৃক সর্বোচ্চ ১০জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের তারিখ।
· জানুয়ারি মাসের ১০ তারিখ: মনোনয়নপত্র গ্রহণ ও বাতিল আদেশের বিরুদ্ধে আপিল
দায়ের শেষ তারিখ, এবং ১৫ তারিখের মধ্যে নিষ্পত্তি।
· জানুয়ারি মাসের ১৭ তারিখ: প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ।
· জানুয়ারি মাসের ১৯ তারিখ: প্রতীক প্রদানের কার্যক্রম সম্পন্ন হবে।
· ফেব্রুয়ারি মাসের ১ তারিখ: নির্দিষ্ট খাতের প্রার্থীদের বিস্তারিত তথ্য বই আকারে এবং পোস্টাল ব্যালট নির্দিষ্ট খাতের ভোটারের নিকট ডাকযোগে প্রেরণ
করা হবে।
· ফেব্রুয়ারি মাসের ১৩ তারিখ: পোস্টাল ব্যালট ভোট রিসিভের শেষ তারিখ।
· ফেব্রুয়ারি মাসের ১৪ তারিখ: সিসিক্যামেরার সম্মুখে সকাল ১০ টা থেকে ভোট গণনা
শুরু হবে এবং বিকাল ৩টার মধ্যে ভোট গণনা শেষে বিকাল ৫টার পূর্বে ওয়েবসাইটে প্রাথমিক
বিজয়ী ঘোষণা করা হবে।
প্রার্থিতা,
o
জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত আসন নির্বাচনে প্রার্থীর সর্বনিম্ন বয়স
২০ বছর এবং সর্বোচ্চ বয়স ৬৬ বছর।
o
জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত আসনে ৩ বার জয়ী নন ব্যাক্তি এই নির্বাচনে
প্রার্থী হবেন।
v পার্লামেন্টে ১৩টি সংরক্ষিত নারী আসনে
থাকবে,
§ জাতীয় পর্যায়ে পুরস্কার প্রাপ্ত নারীদের
মধ্য থেকে নির্বাচিত ১০টি সংরক্ষিত নারী আসন থাকবে।
Ø ১. চিকিৎসক, জাতীয় পুরস্কার/পদক প্রাপ্তদের মধ্য থেকে
নির্বাচিত ১টি সংরক্ষিত আসন থাকবে।
Ø ২-৩. ফ্রিল্যান্সার, জাতীয় পুরস্কার/পদক প্রাপ্তদের মধ্য থেকে নির্বাচিত ২টি সংরক্ষিত আসন থাকবে।
Ø ৪. প্রকৌশলী, জাতীয় পুরস্কার/পদক প্রাপ্তদের মধ্য থেকে
নির্বাচিত ১টি সংরক্ষিত আসন থাকবে।
Ø ৫. সাবেক
গ্রেড- (১ ও ২) নারী কর্মকর্তা, জাতীয়
পুরস্কার/পদক প্রাপ্তদের মধ্য থেকে নির্বাচিত ১টি সংরক্ষিত আসন থাকবে।
Ø ৬. ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা, জাতীয় পর্যায়ে পুরস্কার প্রাপ্তদের
মধ্য থেকে নির্বাচিত ১টি সংরক্ষিত আসন থাকবে।
Ø ৭-৮. বৃহৎ উদ্যোক্তা, জাতীয় পুরস্কার/পদক প্রাপ্তদের মধ্য থেকে
নির্বাচিত ২টি সংরক্ষিত আসন থাকবে।
Ø ৯. নারী বিচারক/আইনজীবী, জাতীয় পুরস্কার/পদক প্রাপ্তদের মধ্য
থেকে নির্বাচিত ১টি সংরক্ষিত আসন থাকবে।
Ø ১০. সফল জননী (রত্নগর্ভা মা), জাতীয় পুরস্কার/পদক প্রাপ্তদের
মধ্য থেকে নির্বাচিত ১টি সংরক্ষিত আসন থাকবে।
Ø ১১. নারী জাগরণে অবদান, জাতীয় পুরস্কার/পদক প্রাপ্তদের মধ্য
থেকে নির্বাচিত ১টি সংরক্ষিত আসন থাকবে।
Ø ১২-১৩. সাবেক আঞ্চলিক পরিষদে দুই টার্মে জয়ী নারী চেয়ারম্যানদের মধ্য থেকে নির্বাচিত ২টি সংরক্ষিত আসন থাকবে।
v পার্লামেন্টে ৩টি সংরক্ষিত প্রতিবন্ধী আসন থাকবে,
§ ১-২. সফলতার জন্য জাতীয় পুরস্কার/পদক প্রাপ্তদের মধ্য থেকে নির্বাচিত ২টি
সংরক্ষিত প্রতিবন্ধী আসন থাকবে।
§ ৩. প্রতিবন্ধী উন্নয়নে কাজ করে জাতীয় পুরস্কার/পদক প্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানের
মধ্য থেকে নির্বাচিত ১টি সংরক্ষিত আসন থাকবে।
v পার্লামেন্টে ১টি সংরক্ষিত তৃতীয় লিঙ্গ বা হিজরাদের আসন
থাকবে,
§ ১. হিজরা সম্প্রদায় বা হিজরা সম্প্রদায়ের উন্নয়নে কাজে জাতীয়
পুরস্কার/পদক প্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তির মধ্য থেকে নির্বাচিত ১টি সংরক্ষিত আসন
থাকবে (লিঙ্গ পরিবর্তনকারী বা ট্রান্সজেন্ডার নয়, থার্ড জেন্ডার)।
v পার্লামেন্টে ৭টি সংরক্ষিত ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী আসন থাকবে, (প্রার্থীকে চেয়ারম্যান বা তার ঊর্ধ্বে কোনো পদে সাবেক থাকতে
হবে। নির্দিষ্ট ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ও মেম্বারদের ভোটে
নির্বাচিত হবেন)
§ ১-৪. চাকমা, মারমা, সাঁওতাল ও
ত্রিপুরা প্রত্যেকের জন্য ১টি করে মোট ৪টি সংরক্ষিত আসন থাকবে।
§ ৫. উপরের ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর ব্যতীত ৫০ হাজারের অধিক জনগোষ্ঠীদের জন্য ১টি
সংরক্ষিত আসন থাকবে।
§ ৬. যে সকল ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীদের জনসংখ্যা ১০ হাজার থেকে ৫০ হাজার মধ্যে তাদের
জন্য ১টি সংরক্ষিত আসন থাকবে।
§ ৭. যে সকল ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীদের জনসংখ্যা ১ থেকে ১০ হাজার মধ্যে তাদের জন্য
১টি সংরক্ষিত আসন থাকবে।
v পার্লামেন্টে ২০ টি সংরক্ষিত উদ্যোক্তা আসন থাকবে,
§ কৃষক ও কৃষি খাতে অবদানের জন্য সংরক্ষিত ৭টি আসন,
Ø ১. তৈলবীজ ও দানাদার খাদ্য উৎপাদনে জাতীয়
পুরস্কার/পদক প্রাপ্তদের মধ্য থেকে নির্বাচিত ১টি সংরক্ষিত আসন থাকবে।
Ø ২. ফলমূল ও শাক-সবজি উৎপাদনে জাতীয় পুরস্কার/পদক প্রাপ্তদের মধ্য থেকে
নির্বাচিত ১টি সংরক্ষিত আসন থাকবে।
Ø ৩. মৎস্য, মাংস ও ডিম উৎপাদনে জাতীয় পুরস্কার/পদক প্রাপ্তদের মধ্য থেকে
নির্বাচিত ১টি সংরক্ষিত আসন থাকবে।
Ø ৪. অর্থকারী ফসল (পাট, তুলা ইত্যাদি) উৎপাদনে জাতীয় পুরস্কার/পদক
প্রাপ্তদের মধ্য থেকে নির্বাচিত ১টি সংরক্ষিত আসন থাকবে।
Ø ৫. খাদ্যদ্রব্য সংরক্ষণ ও প্রক্রিয়াজাতকরণে জাতীয় পুরস্কার/পদক
প্রাপ্তদের মধ্য থেকে নির্বাচিত ১টি সংরক্ষিত আসন থাকবে।
Ø ৬. ফসলের বীজ উৎপাদন ও সংরক্ষণে জাতীয় পুরস্কার/পদক প্রাপ্তদের মধ্য থেকে নির্বাচিত
১টি সংরক্ষিত আসন থাকবে।
Ø ৭. কৃষি গবেষক ও সমন্বয়ক (ফসলের জাত
উদ্ভাবন, বীজ উন্নয়ন ইত্যাদি) কাজে জাতীয় পুরস্কার/পদক প্রাপ্তদের মধ্য থেকে
নির্বাচিত ১টি সংরক্ষিত আসন থাকবে।
§ সেবা খাতে সংরক্ষিত ৬টি আসন,
Ø ১. প্রবাসী (রেমিটেন্স যোদ্ধা), জাতীয়
পুরস্কার/পদক প্রাপ্তদের মধ্য থেকে নির্বাচিত ১টি সংরক্ষিত আসন থাকবে।
Ø ২. সফটওয়্যার ফ্রিল্যান্সার ও ডিজিটাল সেবা, জাতীয়
পুরস্কার/পদক প্রাপ্তদের মধ্য থেকে নির্বাচিত ১টি সংরক্ষিত আসন থাকবে।
Ø ৩. পণ্য প্রক্রিয়াজাত ও রপ্তানি, জাতীয়
পুরস্কার/পদক প্রাপ্তদের মধ্য থেকে নির্বাচিত ১টি সংরক্ষিত আসন থাকবে।
Ø ৪. ট্রান্সপোর্ট সেবা, জাতীয় পুরস্কার/পদক প্রাপ্তদের মধ্য থেকে
নির্বাচিত ১টি সংরক্ষিত আসন থাকবে।
Ø ৫. সৃজনশীল শিল্প, জাতীয় পুরস্কার/পদক প্রাপ্তদের মধ্য থেকে
নির্বাচিত ১টি সংরক্ষিত আসন থাকবে।
Ø ৬. সাংবাদিক, জাতীয় পুরস্কার/পদক প্রাপ্তদের মধ্য থেকে নির্বাচিত ১টি
সংরক্ষিত আসন থাকবে।
§ ম্যানুফ্যাকচারিং খাতে সংরক্ষিত ৪টি আসন,
Ø ১. বস্ত্র ও পোশাক শিল্প, জাতীয় পুরস্কার/পদক
প্রাপ্তদের মধ্য থেকে নির্বাচিত ১টি সংরক্ষিত আসন থাকবে।
Ø ২. বৃহৎ শিল্প, জাতীয় পুরস্কার/পদক প্রাপ্তদের মধ্য থেকে
নির্বাচিত ১টি সংরক্ষিত আসন থাকবে।
Ø ৩. মাঝারি শিল্প, জাতীয় পুরস্কার/পদক প্রাপ্তদের মধ্য থেকে
নির্বাচিত ১টি সংরক্ষিত আসন থাকবে।
Ø ৪. ক্ষুদ্র ও মাইক্রো শিল্প, জাতীয় পুরস্কার/পদক
প্রাপ্তদের মধ্য থেকে নির্বাচিত ১টি সংরক্ষিত আসন থাকবে।
§ নির্মাণ খাতে ২টি সংরক্ষিত আসন,
Ø ১. কনস্ট্রাকশন শিল্পে জাতীয় পুরস্কার/পদক প্রাপ্তদের মধ্য থেকে নির্বাচিত
১টি সংরক্ষিত আসন থাকবে।
Ø ২. ইস্পাত, ব্যাটারী ও ট্রান্সপোর্ট নির্মাণ শিল্পে জাতীয় পুরস্কার/পদক
প্রাপ্তদের মধ্য থেকে নির্বাচিত ১টি সংরক্ষিত আসন থাকবে।
§ প্রতিস্থাপন শিল্পে ১টি সংরক্ষিত আসন
থাকবে,
Ø ১. রিসাইকেলিং ও রিপিয়ারিং কাজে জাতীয়
পুরস্কার/পদক প্রাপ্তদের মধ্য থেকে নির্বাচিত ১টি সংরক্ষিত আসন থাকবে।
v পার্লামেন্টে ২টি সংরক্ষিত জলবায়ু ও পরিবেশবিদের
আসন থাকবে,
§ ১. ইকো সিস্টেমে অবদান ও গবেষণা কাজে জাতীয় পুরস্কার/পদক প্রাপ্তদের মধ্য
থেকে নির্বাচিত ১টি সংরক্ষিত আসন থাকবে।
§ ২. রিনিউএবল এনার্জি খাতে অবদান ও গবেষণা কাজে জাতীয়
পুরস্কার/পদক প্রাপ্তদের মধ্য থেকে নির্বাচিত ১টি সংরক্ষিত আসন থাকবে।
v শিক্ষা, জ্ঞান-বিজ্ঞান ও গবেষণার জন্যে ৪টি সংরক্ষিত আসন থাকবে
(জাতীয় অধ্যাপক),
§ শিক্ষা, জ্ঞান-বিজ্ঞান ও গবেষণার জন্যে জাতীয় ২ জন পুরুষ
অধ্যাপকদের জন্য ২টি সংরক্ষিত আসন থাকবে।
§ একইভাবে জাতীয় ২ জন নারী অধ্যাপকদের জন্য ২টি সংরক্ষিত আসন থাকবে।
v পার্লামেন্টে ৩টি সংরক্ষিত ভিসি আসন থাকবে,
§ ১. দেশের র্যাংকিং’এ শীর্ষ অনার্স বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি ১ জন।
§ ২. দেশের র্যাংকিং’এ শীর্ষ ইঞ্জিনিয়ারিং বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি ১ জন।
§ ৩. দেশের র্যাংকিং’এ শীর্ষ মেডিকেল কলেজ/বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি ১ জন।
v পার্লামেন্টে ৩টি সংরক্ষিত স্টুডেন্ট আসন থাকবে,
§ ১. দেশের র্যাংকিং’এ দ্বিতীয় শীর্ষ অনার্স বিশ্ববিদ্যালয়ের
কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের ভাইচ প্রেসিডেন্টদের মধ্য থেকে নির্বাচিত ১ জন।
§ ২. দেশের র্যাংকিং’এ দ্বিতীয় শীর্ষ ইঞ্জিনিয়ারিং
বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের ভাইচ প্রেসিডেন্টদের মধ্য থেকে
নির্বাচিত ১ জন।
§ ৩. দেশের র্যাংকিং’এ দ্বিতীয় শীর্ষ মেডিকেল কলেজ/বিশ্ববিদ্যালয়ের
কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের ভাইচ প্রেসিডেন্টদের মধ্য থেকে নির্বাচিত ১ জন।
Ø সকল আঞ্চলিক পরিষদের
চেয়ারম্যান ৮ জন।
Ø সকল চেম্বার অব কমার্স
এন্ড ইন্ডাস্ট্রির প্রেসিডেন্ট ৮ জন।
Ø উদ্যোক্তা, শ্রম ও
শ্রমিক কল্যাণ, সামাজিক ব্যবসা ও কো-অপারেটিভ সোসাইটি ফেডারেশনের সহ-সভাপতি দুই জন করে ৮ জন,
v ভোট
কেন্দ্র,
§ নির্বাচন ভবন,
ঢাকা। পোস্টাল ব্যালট ভোটিং সিস্টেমে ভোট সংগ্রহ করা হবে। ঢাকা বোর্ডে শীর্ষ র্যাংকিংয়ে
থাকা ৩টি উচ্চ মাধ্যমিক প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকগণ ভোট গণনা করবেন।
§ প্রধান নির্বাচন
কমিশনার রিটার্নিং অফিসার, অন্যান্য নির্বাচন কমিশনার সহকারী রিটার্নিং অফিসার, ঐ
৩টি প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ প্রিজাইডিং অফিসার এবং শিক্ষকবৃন্দ সহকারী প্রিজাইডিং ও
পোলিং অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।
v নির্বাচনী ফলাফল,
§ ফেব্রুয়ারি মাসের
১৪ তারিখ বিকাল ৫ টার পূর্বে ৫০টি সংরক্ষিত আসনে সর্বাধিক ভোট প্রাপ্ত
প্রার্থীদের প্রাথমিক বিজয়ী ঘোষণা করা হবে এবং ওয়েবসাইটে রেজাল্ট প্রকাশ, মোবাইল নম্বরে এসএমএস,
ই-মেইলে ও ডাকযোগে ফুটেজ লিংক সহ শুভেচ্ছা বার্তা পাঠানো হবে।
§ নির্বাচনের পরের
দিন সুনির্দিষ্ট অভিযোগ উল্লেখ করে প্রার্থী আপিল করতে পারবেন এবং পরবর্তী ৬ দিনের
মধ্যে আপিল নিষ্পত্তি করে আনুষ্ঠানিক ফলাফল ঘোষণা করা হবে।
§ যে সকল নির্বাচনী
আসনে নির্বাচনের পরের দিন আপিল আসবে না, সেখানে নির্বাচন পরবর্তী ২য় দিন বিকাল
৫টার পর আনুষ্ঠানিক ফলাফল ঘোষণা করা হবে। ওয়েবসাইটে রেজাল্ট প্রকাশ, মোবাইল
নম্বরে এসএমএস, ই-মেইলে ও ডাকযোগে ফুটেজ লিংক সহ শুভেচ্ছা বার্তা পাঠানো হবে।
§ কোন প্রার্থী
কয়টি ভোট পেয়েছে তা প্রকাশ করা হবে না তবে আপিল করলে প্রার্থী সকল তথ্য জানতে
পারবে।