নিম্নের বিষয়টি শুনতে পারবেন।
ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন।
পড়ার চেয়ে যারা শুনতে পছন্দ করেন, তাঁরা এখানে বিষয়টি শুনতে পারবেন।
অনলাইন বা সফট কপি পড়তে অভ্যস্ত নন, তাঁরা ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন।
৪। সিসিটিভি ও
ডেটাবেজ,
(১) প্রযুক্তি ব্যবহার করে
সকল অনিয়ম-দুর্নীতি রোধ করা হবে। সে লক্ষ্যে, প্রতিটি ভোট কক্ষে
সিসি ক্যামেরা থাকবে, হাই-স্প্রিড ইন্টারনেটের জন্য ডেটা ও ব্রডব্যান্ড লাইন থাকবে,
সার্বক্ষণিক জেনারেটর থাকবে। নির্বাচনকে দেশের সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে।
(ক) নির্বাচন কমিশনের অধীনে,
§ প্রতিটি ভোটকক্ষের নির্দিষ্ট দুটি স্থানে হাই-রেজুলেশন ক্যামেরা (যেন ভোট গণনার
সময় ব্যালটের প্রতীক ও সিল স্পষ্ট দেখা যায়) সংযুক্ত করা হবে এবং প্রতিটি কক্ষের
ভিডিও রেকর্ড সংরক্ষণ করা হবে।
§ ভোট কেন্দ্রের প্রবেশ মুখের সড়কের দুদিকে, ভোটকক্ষের বারান্দায়, ভোটার লাইন কাভার করে এমন স্থানে এবং নিরাপত্তার প্রয়োজনে ভোটকেন্দ্রের
বিভিন্ন স্থানে এক বা একাধিক ক্যামেরা স্থাপন করা হবে এবং এবং ভিডিও রেকর্ড সংরক্ষণ
করা হবে।
§ নির্বাচন কমিশনার বৃন্দ, রিটার্নিং কর্মকর্তা, সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা, নিরাপত্তা
বাহিনী, সাংবাদিক বৃন্দ তাদের নিজ নিজ অফিস থেকে দেশের সকল নির্বাচন কেন্দ্র ও কক্ষ
নিজেদের মতো পর্যবেক্ষণ করতে পারবে, রেকর্ড রাখতে পারবে।
(খ) কেন্দ্রের প্রধান/প্রধান
শিক্ষক (পিজাডিং অফিসার), কম্পিউটার টিচার বা অপারেটর, একজন সেনা সদস্য, একজন পুলিশ
সদস্য এবং সাংবাদিক প্রধান শিক্ষকের কক্ষ থেকে ওয়াল মনিটরে সার্বক্ষণিক ভোটকেন্দ্র
ও ভোটকক্ষসমূহ পর্যবেক্ষণ করবেন।
(গ) প্রত্যেক প্রার্থী ভোটকক্ষের নির্বাচন কমিশনের ক্যামেরার পাশে নির্দিষ্ট দুটি
স্থানে হাই-রেজুলেশন ক্যামেরা (যেন ভোট গণনার সময় ব্যালটের প্রতীক ও সিল দেখা যায়)
ব্যবহার করবেন। ভোটকক্ষের বারান্দায় এবং ভোটার লাইন কাভার করে এমন নির্দিষ্ট স্থানে
ক্যামেরা স্থাপন করতে পারবেন।
(ঘ) প্রত্যেকটি দলের কেন্দ্রীয় পার্টি অফিস, জেলা পার্টি অফিস, উপজেলা পার্টি
অফিস এবং ইউনিয়ন পার্টি অফিস সহ প্রার্থীগণ নিজ বাসা থেকে ভোটকেন্দ্র ও কক্ষ পর্যবেক্ষণ
এবং রেকর্ড করতে পারবে।