নিম্নের বিষয়টি শুনতে পারবেন।
ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন।
পড়ার চেয়ে যারা শুনতে পছন্দ করেন, তাঁরা এখানে বিষয়টি শুনতে পারবেন।
অনলাইন বা সফট কপি পড়তে অভ্যস্ত নন, তাঁরা ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন।
১৩। নির্বাচন এরিয়ার সকল নাগরিকদের সর্তকতা,
দেশের প্রতিটি মসজিদ, মন্দির, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সরকারি অফিসের
(ইউনিয়ন পরিষদ, থানা, ফায়ার সার্ভিস ইত্যাদি) গেটে ভোটারদের আচরণবিধি ও উত্তম প্রার্থী
চয়নে দিকনির্দেশনা প্রদান করে বৃহৎ ব্যানার বাধ্যতামূলক রাখতে হবে, ব্যানার সরকার
প্রদান করবে। এছাড়া বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের গেটে ব্যানার রাখতে উদ্বুদ্ধ করা হবে।
o
ভোটারদের জন্য আচরণবিধি, অপরাধ ও শাস্তি,
·
প্রার্থীর পক্ষে কোন
ব্যক্তি পোস্টার বা ব্যানার প্রকাশ করলে, প্রার্থীর
ছবি ও নাম ছাড়া নিজ বা অন্য কোনো ব্যাক্তির ছবি বা নাম ছাপালে ব্যক্তির অপরাধ
হিসেবে বিবেচিত হবে।
·
কোনো ব্যক্তি নিষিদ্ধ
স্থানে (দন্ডায়মান বস্তু, বিলবোর্ড ব্যতীত স্থাপনাসমূহে, পরিবহনে, অন্যের পোস্টারের উপর বা বিকৃত হয়) পোস্টার
ব্যবহার ব্যক্তির অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হবে।
·
যান্ত্রিক যানবাহন
সহকারে মিছিল বা সোডাউনে অংশগ্রহণ ব্যক্তির অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হবে।
·
প্রতীক হিসেবে জীবন্ত
প্রাণী এবং আঘাত করলে অঙ্গহানি বা মাথা ফাটে এমন কিছু নিয়ে সভা, মিছিল বা সমাবেশে অংশগ্রহণ ব্যক্তির অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হবে।
·
প্রার্থীর ছবি বা
প্রচারণামূলক বক্তব্য সংযুক্ত কোনো ক্যাপ বা পোশাক পরিধান ব্যক্তির অপরাধ হিসেবে
বিবেচিত হবে।
·
প্রার্থী বা দলের পক্ষে
কোনো ব্যক্তি ধর্মীয় উপাসনালয়ে বা সাধারণের জন্য উম্মুক্ত ধর্মীয় অনুষ্ঠানে
প্রচারণা করলে ব্যক্তির অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হবে।
·
রাত ৮টা থেকে পরের দিন
সকাল ৬টা পর্যন্ত সকল প্রকার প্রচার প্রচারণায় যুক্ত হওয়া ব্যক্তির অপরাধ হিসেবে
বিবেচিত হবে।
·
কোনো নাগিনকে স্থায়ী বা
অস্থায়ী সম্পত্তির কোনরূপ ক্ষতি সাধন ব্যক্তির অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হবে।
·
অনভিপ্রত গোলযোগ ও
উচ্ছৃংখল আচরণ দ্বারা কারো শান্তি ভঙ্গ ব্যক্তির অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হবে।
·
নির্বাচন কমিশন কর্তৃক
অনুমোদিত ব্যক্তি ও ভোটার ব্যতীত কেউ ভোটকেন্দ্রে প্রবেশ করলে ব্যক্তির অপরাধ
হিসেবে বিবেচিত হবে।
·
নির্বাচন কমিশন কর্তৃক
অনুমোদিত ব্যক্তি ব্যতীত কোনো ব্যক্তি বা ভোটার একাধিকবার ভোটকেন্দ্রে প্রবেশ করতে
পারবে না। একাধিকবার ভোট কক্ষে
প্রবেশের চেষ্টা বাধ্যতামূলক গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হবে নতুবা কেন্দ্রের
নিরাপত্তা বাহিনীর বিরুদ্ধে পরবর্তীতে অভিযোগের ভিত্তিতে সর্বোচ্চ শাস্তি প্রদান
করা হবে।
·
ভোটাররা ভোট প্রদান শেষে
কেন্দ্রের মধ্যে বা কেন্দ্র থেকে ১৫০ মিটারের মধ্যে অবস্থান করলে ব্যক্তির অপরাধ
হিসেবে বিবেচিত হবে। অসুস্থ ব্যক্তি ব্যতীত (নিরাপত্তা কর্মীর অনুমতি সাপেক্ষে সর্বোচ্চ ১০ মিনিট)
কারো জন্য অপেক্ষমান থাকতে হলে ভোট কেন্দ্র থেকে ১৫০ মিটার দূরে অবস্থান থাকতে হবে।
·
সরকারি, আধা-সরকারি ও স্বায়েত্বশাসিত সংস্থার কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষিকা প্রার্থীর পক্ষে প্রচারণায় অংশগ্রহণ অপরাধ
হিসেবে বিবেচিত হবে।
·
প্রচারণায় শব্দের মাত্রা
৭০ ডিসিবেলের নিচে থাকতে হবে নতুবা প্রচারক অপরাধী হিসেবে বিবেচিত হবেন।
·
প্রার্থীর পক্ষে কোনো
ব্যক্তির কোমল পানীয়, খাদ্য, অর্থ-সম্পদ বা
কোনো প্রকার উপঢৌকন প্রদান ব্যক্তির গুরুতর অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হবে। যেমন, চা-বিস্কিট, পান-সিগারেট, ভোটকেন্দ্রে আসা যাওয়ার ব্যবস্থা,
ক্যাপ, গেঞ্জি, অর্থ-সম্পদ,
গাড়ি বা মোটরসাইকেল বা তেল, ইত্যাদি প্রদান
ব্যক্তির অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হবে।
·
কোমল পানীয়, খাদ্য, অর্থ-সম্পদ বা কোনো প্রকার
উপঢৌকন, চা-বিস্কিট, পান-সিগারেট, ভোটকেন্দ্রে আসা যাওয়ার ব্যবস্থা, ক্যাপ, গেঞ্জি, অর্থ-সম্পদ, গাড়ি বা মোটরসাইকেল বা তেল, ইত্যাদি গ্রহণ ঘুষ গ্রহণ হিসেবে বিবেচিত হবে। যা ব্যক্তির গুরুতর অপরাধ হিসেবে
বিবেচিত হবে।
·
লিঙ্গ, বর্ণ, সাম্প্রদায়িকতা ও ধর্মানুভূতিতে
আঘাত লাগে এমন কোনো বক্তব্য প্রদান ব্যক্তির অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হবে।
·
দলীয় সভা ব্যতীত কোনো
অনুষ্ঠান যেখানে সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণের সুযোগ আছে বা সভার এরিয়া বাহিরে শব্দ পৌঁছালে সেখানে একক কোনো নিবন্ধিত দলের
নির্দিষ্ট পদের সদস্যেকে আমন্ত্রণ অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হবে। কোনো দলের সদস্যদের
আমন্ত্রণ করলে নিবন্ধিত প্রত্যেক দলের নির্দিষ্ট পদের সদস্যকে আমন্ত্রণ করতে হবে।
·
প্রার্থীর পক্ষে কোনো
ব্যক্তি ভোটারদের প্রভাবিত করার উদ্দেশ্যে কোনো প্রকার বল প্রয়োগ বা অর্থ-সম্পদ
ব্যয় বা যৌন লিপ্সা পূরণে নারী/পরুষ সাপ্লাই ব্যক্তির গুরুতর অপরাধ হিসেবে
বিবেচিত হবে।
·
প্রার্থী বা দলের পক্ষে
কোনো ব্যক্তি নির্বাচনে দায়িত্ব প্রাপ্ত অফিসারকে কোনো প্রকার বল প্রয়োগ বা অর্থ-সম্পদ
ব্যয় বা যৌন লিপ্সা পূরণে নারী/পরুষ সাপ্লাই ব্যক্তির গুরুতর অপরাধ হিসেবে
বিবেচিত হবে।
·
ইউনিয়ন সড়ক বা তার
ঊর্ধ্বে কোনো সড়কে মিছিল, র্যালি, শোভাযাত্রার
ক্ষেত্রে সড়কের অর্ধেক অংশ ফাঁকা রাখতে হবে, যে ব্যক্তি
সড়কের অর্ধেক অংশের বাহিরে অবস্থান করবে তিনি অপরাধী হিসেবে বিবেচিত হবেন।
·
অনুষ্ঠানে বাধা দানকারী
বা গোলযোগ বা বিশৃঙ্খলা কারীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ বা পাল্টা আক্রমণ করতে
পারবে না। পাল্টা আক্রমণ করলে
ব্যক্তি হিসেবে উভয়ে সমান দোষে দোষী হবে।
·
একজন প্রার্থী ও প্রার্থীর পক্ষে কেউ সর্ব মোট ৫০ লাখ টাকার উপরে নির্বাচনে ব্যয়
করতে পারবে না। প্রার্থীর শুভাকাঙ্ক্ষী কেউ প্রার্থীর পক্ষে অর্থ (৯৯< টাকা)
খরচ করতে চায় তাহলে প্রার্থীর অ্যাকাউন্টে অর্থ প্রদান করতে হবে। তাছাড়া ব্যক্তিগতভাবে
প্রার্থীর পক্ষে অর্থ খরচ ব্যক্তির গুরুতর অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হবে।
·
কোনো ব্যক্তি কেন্দ্রের
বাইরে উপরোক্ত নির্বাচনী অসদাচরণ করলে সর্বনিম্ন ৬ মাসের জেল অথবা ৫ লাখ টাকা জরিমানা
অথবা উভয় দন্ডে দন্ডিত হবে এবং কেন্দ্রের ভিতরে অসদাচরণ করলে সর্বনিম্ন ৬ বছরের
জেল অথবা ৫০ লাখ টাকা জরিমানা অথবা উভয় দন্ডে দন্ডিত হবে।