নিম্নের বিষয়টি শুনতে পারবেন।
ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন।
পড়ার চেয়ে যারা শুনতে পছন্দ করেন, তাঁরা এখানে বিষয়টি শুনতে পারবেন।
অনলাইন বা সফট কপি পড়তে অভ্যস্ত নন, তাঁরা ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন।
৩২। বিশ্ববিদ্যালয় ব্যতীত নিম্ন মাধ্যমিক, মাধ্যমিক, সেমি উচ্চ
মাধ্যমিক, উচ্চমাধ্যমিক, স্নাতক পর্যায়ের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ‘কেন্দ্রীয় ছাত্র
সংসদ’ নির্বাচন-
Ø তফসিল,
o বিশ্ববিদ্যালয় ব্যতীত নিম্ন মাধ্যমিক, মাধ্যমিক, সেমি উচ্চ মাধ্যমিক, উচ্চমাধ্যমিক,
স্নাতক পর্যায়ের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ‘কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ’ কমিটি থাকবে এবং
o ফাস্ট পাস্ট দ্য পোস্ট ভোটিং পদ্ধতি নির্বাচন
অনুষ্ঠিত হবে।
o
প্রতিবছর ১ ফেব্রুয়ারি তফসিল ঘোষণা করা হবে এবং ২২ ফেব্রুয়ারি কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
o
নিম্ন মাধ্যমিক, মাধ্যমিক, সেমি উচ্চ মাধ্যমিক, উচ্চমাধ্যমিক,
স্নাতক পর্যায়ের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করতে পারবে।
Ø প্রার্থী,
o
একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রতিটি শিফটের প্রতিটি ক্লাসের সকল
শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকে একটি করে পদের (ক্লাস রিপ্রেজেন্টেটিভ) জন্য নির্বাচনে প্রার্থী হবেন।
§
একটি ক্লাসের একাধিক শাখা ক্লাস থাকলে, প্রতিটি শাখা
ক্লাসের সকল শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকে একটি করে পদের (ক্লাস রিপ্রেজেন্টেটিভ) জন্য নির্বাচনে প্রার্থী হবেন।
§
প্রতিটি শাখা ক্লাসের নির্বাচিতদের মধ্য থেকে ঐ ক্লাসের
একটি পদের (ক্লাস চেয়ারম্যান) জন্য নির্বাচনে প্রার্থী
হবেন।
o
একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রতিটি শিফটের সকল ক্লাসের
নির্বাচিতদের মধ্য থেকে একটি করে পদের জন্য নির্বাচনে
প্রার্থী হবেন।
o
নির্দিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নির্দিষ্ট সেশনে এক বছরের অধিক
সময় গ্যাপ থাকলে নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবেন না।
o
প্রথম শ্রেণীর রেজাল্ট ব্যতীত (সর্বনিম্ন এ-) নির্বাচনে প্রার্থী
হতে পারবেন না।
Ø ভোটার,
o
একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রতিটি শিফটের প্রতিটি ক্লাসের একটি
করে পদের জন্য ঐ ক্লাসের সকল শিক্ষার্থীরা ভোটার হবেন।
§
একটি ক্লাসের একাধিক শাখা ক্লাস থাকলে, প্রতিটি শাখা
ক্লাসের একটি করে পদের জন্য ঐ শাখা ক্লাসের সকল শিক্ষার্থীরা ভোটার হবেন। এবং
§
একটি ক্লাসের একটি পদের জন্য ঐ ক্লাসের সকল শাখা ক্লাসের
নির্বাচিতরা ভোটার হবেন।
o
একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রতিটি শিফটের একটি করে পদের
জন্য সকল ক্লাসের নির্বাচিতরা ভোটার হবেন।
o
এনআইডি কার্ডের তথ্য, ইউনিয়ন প্রশাসনিক কর্মকর্তা, উপজেলা
শিক্ষা অফিসার, উপজেলা নির্বাচন অফিস এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে ভোটার
তালিকা প্রস্তুত করা হবে।
o
তফসিল ঘোষণার ১৫ দিন পূর্বে খসড়া ভোটার তালিকা উপজেলা নির্বাচন
কমিশনের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে।
o
খসড়া ভোটার তালিকার বিরুদ্ধে খসরা ভোটার তালিকা প্রকাশের ৫
দিনের মধ্যে আপিল দাখিলের সময় থাকবে।
o
আপিল দাখিলের পরবর্তী ১০ দিনের মধ্যে আপত্তি নিষ্পত্তি করা হবে
এবং তফসিল ঘোষণার সাথে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা উপজেলা নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে প্রকাশ
করা হবে।
Ø ভোট কেন্দ্র,
o
নিজ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ভোট অনুষ্ঠিত হবে।
o
১০০-১৫০ জন শিক্ষার্থীদের জন্য ১টি করে কক্ষে ভোট অনুষ্ঠিত হবে,
প্রত্যেকটি পদের জন্য ভিন্ন ব্যালট বক্স থাকবে।
o
নির্বাচনে আনুষঙ্গিক সকল ইকুপমেন্ট ও ব্যালট পেপার স্থানীয়
নির্বাচন অফিস প্রদান করবে।
o
সিসিটিভির আন্ডারে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে, সেন্ট্রাল নির্বাচন
কমিশন, জেলা নির্বাচন অফিসার, উপজেলা নির্বাচন অফিসার সহ সংশ্লিষ্ট সকল কর্মকর্তা পর্যবেক্ষণ
করতে পারবে।
o
উপজেলা নির্বাচন অফিসার রিটার্নিং অফিসার, উপজেলা শিক্ষা অফিসার
সহকারী রিটার্নিং অফিসার, ঐ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক প্রিজাইডিং অফিসার এবং
শিক্ষকবৃন্দ সহকারী প্রিজাইডিং ও পোলিং অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।
Ø নির্বাচনী ফলাফল,
o
একটি ক্লাসের যিনি সর্বোচ্চ ভোট পাবেন তিনি ক্লাসের রিপ্রেজেন্টেটিভ
(সিআর) নির্বাচিত হবেন এবং যিনি পরবর্তী সর্বোচ্চ ভোট পাবেন তিনি ডিপুটি রিপ্রেজেন্টেটিভ
(ডিসিআর) নির্বাচিত হবেন।
§ একটি ক্লাসের একাধিক শাখা ক্লাস থাকলে,
·
একটি শাখায় যিনি সর্বোচ্চ ভোট পাবেন তিনি ক্লাসের রিপ্রেজেন্টেটিভ
(সিআর) নির্বাচিত হবেন এবং যিনি পরবর্তী সর্বোচ্চ ভোট পাবেন তিনি ডিপুটি রিপ্রেজেন্টেটিভ
(ডিসিআর) নির্বাচিত হবেন।
·
একটি ক্লাসের একাধিক শাখার নির্বাচিতদের মধ্য থেকে তাদের ভোটে
যিনি সর্বোচ্চ ভোট পাবেন তিনি ক্লাসের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হবেন এবং যিনি পরবর্তী
সর্বোচ্চ ভোট পাবেন তিনি ভাইস-চেয়ারম্যান নির্বাচিত হবেন।
o
একটি শিফটের প্রতিটি ক্লাসের নির্বাচিতদের মধ্য থেকে তাদের ভোটে
যিনি সর্বোচ্চ ভোট পাবেন তিনি ঐ শিফটের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হবেন এবং যিনি পরবর্তী
সর্বোচ্চ ভোট পাবেন তিনি ভাইস প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হবেন।
o
ভোট গনণা শেষে কেন্দ্রের প্রতিটি কক্ষে বিজয়ী
ঘোষণা করা হবে, তারপর কেন্দ্রে প্রাথমিক বিজয়ী ঘোষণা করা হবে।
o
নির্বাচনের পরের দিন সিসিটিভির ঘণ্টা ও মিনিট উল্লেখ করে
অভিযোগ বা সুনির্দিষ্ট অভিযোগ উল্লেখ করে প্রার্থী আপিল করতে পারবেন এবং পরবর্তী ৬
দিনের মধ্যে আপিল নিষ্পত্তি করে আনুষ্ঠানিক ফলাফল ঘোষণা করা হবে।
o
যে সকল নির্বাচনী আসনে নির্বাচনের পরের দিন আপিল আসবে না,
সেখানে নির্বাচন পরবর্তী ২য় দিন আনুষ্ঠানিক ফলাফল ঘোষণা করা হবে।