আপনার নেতৃত্বের অপেক্ষায়---আগামীর বাংলাদেশ।
তুমি জেগে ওঠো আজকের হয়ে, এবার তুমি তোমার মত, তুমি বাঁধনহারা, তোমার জন্য স্বাধীনতা, তোমাকে আসতেই হবে, নতুন বাংলাদেশ তোমার অপেক্ষায়। যেখানে তোমার স্বপ্ন, তুমি বুনবে, নতুন বাংলাদেশ- আগামী বিশ্ব তোমার হাতে।
১৯। স্পিকার ও ডেপুটি- স্পিকার, মন্ত্রীসভা নির্বাচন
Impact Story
বিষয়টি শুনুন

নিম্নের বিষয়টি শুনতে পারবেন।

ডাউনলোড করুন

ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন।

Impact Story
পাশে উল্লিখিত বিষয়টি শুনুন

পড়ার চেয়ে যারা শুনতে পছন্দ করেন, তাঁরা এখানে বিষয়টি শুনতে পারবেন।

পাশে উল্লিখিত বিষয়টি ডাউনলোড করুন

অনলাইন বা সফট কপি পড়তে অভ্যস্ত নন, তাঁরা ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন।

১৯। স্পিকার ও ডেপুটি- স্পিকার, মন্ত্রীসভা, প্রধানমন্ত্রী ও উপ-প্রধানমন্ত্রী নির্বাচন,

   Ø  স্পিকার ও ডেপুটি- স্পিকার নির্বাচন

v  তফসিল ও প্রচারণা,

§  বিভক্তি ভোটে ‘ফাস্ট পাস্ট দ্য পোস্ট ভোটিং’ সিস্টেমে স্পিকার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

§  দলীয় প্রতীক থাকবে না এবং প্রার্থীরা স্বতন্ত্রভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবেন।

§  প্রতীক প্রকাশের পর প্রার্থীদের বিস্তারিত তথ্য এক কপি করে ভোটারদের প্রদান করবেন।

§  তফসিল ঘোষণা,

·         ফেব্রুয়ারি মাসের ১৬ তারিখ:    তফসিল ঘোষণা করা হবে।

·         ফেব্রুয়ারি মাসের ২২ তারিখ:   প্রার্থী/প্রস্তাবক/সমর্থক কর্তৃক রিটার্নিং অফিসারের নিকট মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ তারিখ।

·         ফেব্রুয়ারি মাসের ২৩ তারিখ:    প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ। 

·         ফেব্রুয়ারি মাসের ২৪ তারিখ:    মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের তারিখ।

·         ফেব্রুয়ারি মাসের ২৫ তারিখ:    বাছাইয়ের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের শেষ তারিখ।

·         ফেব্রুয়ারি মাসের ২৭ তারিখ:    আপিল নিষ্পত্তির শেষ তারিখ।

·         ফেব্রুয়ারি মাসের ২৮ তারিখ:    প্রার্থীদের প্রতীক ও বিস্তারিত তথ্য বই আকারে ভোটারদের নিকট প্রদান করা হবে।

·         মার্চ মাসের তারিখ:   সংসদের প্রথম অধিবেশনে ভোট গ্রহণ ও শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের তারিখ।

v  প্রার্থিতা,

§  সংসদ সদস্য হতে হবে।

o   সকল সংরক্ষিত সংসদ সদস্যদের মধ্য থেকে মনোনীত একজন প্রার্থী।

o   সকল স্বতন্ত্র সংসদ সদস্যদের মধ্য থেকে মনোনীত একজন প্রার্থী।

o   সরকারি ও প্রধান বিরোধী দলের জোট ব্যতীত সকল রাজনৈতিক দলের সংসদ সদস্যদের মধ্য থেকে মনোনীত একজন প্রার্থী।

o   প্রধান বিরোধী দল বা প্রধান বিরোধী দলের জোট সংসদ সদস্যদের মধ্য থেকে মনোনীত একজন প্রার্থী।

o   সরকারি দল বা সরকারি দলের জোট সংসদ সদস্যদের মধ্য থেকে মনোনীত একজন প্রার্থী।

§  অন্তত ২জন প্রার্থীকে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে হবে।

v  ভোটার,

§  সকল সংসদ সদস্য।

v  ভোট কেন্দ্র,

§  সংসদ অধিবেশন কক্ষ, জাতীয় সংসদ কমপ্লেক্স, শেরে বাংলা নগর।

§  প্রধান নির্বাচন কমিশনার রিটার্নিং অফিসার, অন্যান্য নির্বাচন কমিশনার সহকারী রিটার্নিং অফিসার, জনপ্রশাসন বিভাগের সিনিয়র সচিব প্রিজাইডিং অফিসার এবং সিনিয়র সচিববৃন্দ সহকারী প্রিজাইডিং ও পোলিং অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

v  নির্বাচনী ফলাফল,

§  ২ জন প্রার্থীকে বিজয়ী ঘোষণা করা হবে।

§  বিভক্তি ভোটে যিনি পছন্দের শীর্ষে থাকবেন তিনি স্পিকার নির্বাচিত হবেন এবং যিনি পরবর্তী পছন্দের শীর্ষে থাকবেন তিনি ডেপুটি-স্পিকার নির্বাচিত হবেন।

§  স্পিকার ও ডেপুটি- স্পিকার পদ শূন্য হলে, সে সংসদের যে শ্রেণীর অন্তর্ভুক্ত ছিলেন কেবল সেই শ্রেণীর সংসদ সদস্যদের মধ্য থেকে তাঁদের ভোটে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। 

মন্ত্রি ও প্রতিমন্ত্রী নির্বাচন,

v  সংসদের প্রথম অধিবেশনে স্পিকার ও ডেপুটি- স্পিকার শফত গ্রহণের পর মন্ত্রি ও প্রতিমন্ত্রী নির্বাচন হবে

v  তফসিল ও প্রচারণা,

§  সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে ‘ফাস্ট পাস্ট দ্য পোস্ট ভোটিং’ সিস্টেমে মন্ত্রিসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

§  দলীয় প্রতীক থাকবে না এবং প্রার্থীরা স্বতন্ত্রভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবেন।

§  প্রতীক প্রকাশের পর প্রার্থীদের বিস্তারিত তথ্য এক কপি করে ভোটারদের প্রদান করা হবে।

§  তফসিল ঘোষণা,

·         ফেব্রুয়ারি মাসের ১৬ তারিখ:    তফসিল ঘোষণা করা হবে।

·         ফেব্রুয়ারি মাসের ২২ তারিখ:   প্রার্থী/প্রস্তাবক/সমর্থক কর্তৃক রিটার্নিং অফিসারের নিকট মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ তারিখ।

·         ফেব্রুয়ারি মাসের ২৩ তারিখ:    প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ। 

·         ফেব্রুয়ারি মাসের ২৪ তারিখ:    মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের তারিখ।

·         ফেব্রুয়ারি মাসের ২৫ তারিখ:    বাছাইয়ের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের শেষ তারিখ।

·         ফেব্রুয়ারি মাসের ২৭ তারিখ:    আপিল নিষ্পত্তির শেষ তারিখ।

·         ফেব্রুয়ারি মাসের ২৮ তারিখ:    প্রার্থীদের প্রতীক ও বিস্তারিত তথ্য বই আকারে ভোটারদের নিকট প্রদান করা হবে।

·         মার্চ মাসের ৬ তারিখ:   সংসদের প্রথম অধিবেশনে ভোট গ্রহণ ও শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের তারিখ।

v  যোগ্যতা/প্রার্থিতা,

§  পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী পার্বত্য চট্টগ্রামের সংসদ সদস্যদের মধ্য থেকে হবে।

§  পার্বত্য চট্টগ্রাম, প্রতিরক্ষা ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় ব্যতীত অন্যান্য মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর (প্রার্থী) হওয়ার কোয়ালিফিকেশন,

Ø  নির্দিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সাবেক মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী বা উপমন্ত্রী।

Ø  নির্দিষ্ট মন্ত্রণালয়ের বিষয়ে ডিপ্লোমা বা স্নাতক ইত্যাদি পর্যায়ে প্রথম শ্রেণিতে শিক্ষাগত যোগ্যতা।

Ø  নির্দিষ্ট মন্ত্রণালয়ের একই রকম কাজ পরিচালনায় বা কর্মকর্তা পর্যায়ে সর্বনিম্ন ১০ বছরের অভিজ্ঞতা।

অথবা

Ø  দলীয় সদস্যদের মধ্যে উপরোক্ত যোগ্যতা অনুপস্থিত থাকলে, উচ্চশিক্ষার প্রধান ৮টি পেশার মধ্যে ১টি পেশার যে কোনো সাবজেক্টে ডিগ্রি থাকলে, সেই অনুযায়ী পেশার ভিত্তিতে মন্ত্রী হতে পারবেন।

o   কৃষক: কৃষি, জাত উদ্ভাবন ও বীজ উন্নয়ন, ‘খাদ্য উৎপাদন, বিপণন ও সংরক্ষণ’, ভূমি ও বন, পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন এবং আধুনিক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়।

o   চিকিৎসক: জনস্বাস্থ্য, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, নিরাপদ খাদ্য ও সুস্বাস্থ্য, এবং মৎস্য ও প্রাণীসম্পদ মন্ত্রণালয়।

o   প্রকৌশলী: নবায়নযোগ্য শক্তি ও বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ, রেল পরিবহন, সড়ক পরিবহন ও সেতু, ডাক ও টেলিযোগাযোগ, বেসামরিক বিমান পরিবহন, নৌ পরিবহন ও পানি সম্পদ, কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি, আধুনিক ডাক ও টেলিযোগাযোগ, শিল্প প্রযুক্তি উন্নয়ন ও উদ্ভাবন, গণপূর্ত ও স্থাপত্য, বাণিজ্যিক ও আবাসিক অঞ্চল, জাতীয় নিরাপত্তা বিষয়ক এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়।

o   সমাজসেবক: স্বরাষ্ট্র, সমাজ কল্যাণ ও সুরক্ষা সেবা, আইন ও সংসদ, মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তির বিপ্লব, নারী-পুরুষ ও শিশু বিষয়ক, শ্রম ও শ্রমিক কল্যাণ, স্থানীয় সরকার ও সিঙ্গেল সিটি (পল্লী উন্নয়ন), এবং স্কাউট ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়।

o   উপস্থাপক: সংস্কৃতি বিষয়ক, সামাজিক ও পারিবারিক সম্পর্ক উন্নয়ন, আর্কাইভ ও গ্রন্থ বিষয়ক, এবং সবুজ বিনোদন ও পর্যটন শিল্প মন্ত্রণালয়।

o   অর্থব্যবস্থাপক: বীমা ও অভ্যন্তরীণ সম্পদ, অর্থ এবং ক্ষুদ্র ঋণ ও সমবায় মন্ত্রণালয়।

o   ব্যবসায়ী:   ‘কুটির শিল্প, উদ্যোক্তা ও কর্মসংস্থান’, অভ্যন্তরীণ বাণিজ্য, বৈদেশিক বাণিজ্য ও পররাষ্ট্র, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প, এবং লজিস্টিক ও বৃহৎ শিল্প মন্ত্রণালয়।

o   ধর্মযাজক: ধর্ম মন্ত্রণালয়।

o   শিক্ষাবিদ: প্রাথমিক ও মাধ্যমিক (সার্বজনীন) শিক্ষা, উচ্চশিক্ষা ও গবেষণা, মাদ্রাসা ও গণশিক্ষা, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও কারিগরি শিক্ষা মন্ত্রণালয়, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক শিক্ষা

§  একজন প্রার্থী যোগ্যতা অনুযায়ী একাধিক মন্ত্রণালয়ের প্রার্থী হতে পারবেন।

§  সংসদ সদস্য হতে মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমুন্ত্রী হবেন, টেকনোক্রেট মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রী থাকবে না।

§  একটি মন্ত্রণালয়ের জন্য,

o   সংরক্ষিত শ্রেণীর সংসদ সদস্যদের মধ্য থেকে মনোনীত বা তাদের মধ্যে নির্বাচিত ২জন প্রার্থী।

o   স্বতন্ত্র শ্রেণীর সংসদ সদস্যদের মধ্য থেকে মনোনীত বা তাদের মধ্যে নির্বাচিত ২জন প্রার্থী।

o   বিরোধী শ্রেণীর সংসদ সদস্যদের মধ্য থেকে মনোনীত বা তাদের মধ্যে নির্বাচিত ২জন প্রার্থী।

o   প্রধান বিরোধী শ্রেণীর সংসদ সদস্যদের মধ্য থেকে মনোনীত বা তাদের মধ্যে নির্বাচিত ২জন প্রার্থী।

o   সরকারি শ্রেণী সংসদ সদস্যদের মধ্য থেকে মনোনীত বা তাদের মধ্যে নির্বাচিত ২জন প্রার্থী।

§  অন্তত ২জন প্রার্থীকে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে হবে।

v  ভোটার,

§  সকল সংসদ সদস্য।

v  ভোট কেন্দ্র,

§  সংসদ অধিবেশন কক্ষ, জাতীয় সংসদ কমপ্লেক্স, শেরে বাংলা নগর।

§  প্রধান নির্বাচন কমিশনার রিটার্নিং অফিসার, অন্যান্য নির্বাচন কমিশনার সহকারী রিটার্নিং অফিসার, জনপ্রশাসন বিভাগের সিনিয়র সচিব প্রিজাইডিং অফিসার এবং সিনিয়র সচিববৃন্দ সহকারী প্রিজাইডিং ও পোলিং অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

v  নির্বাচনী ফলাফল,

§  প্রত্যেক মন্ত্রণালয়ে ২ জন প্রার্থীকে বিজয়ী ঘোষণা করা হবে।

§  সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে যিনি সর্বোচ্চ সংখ্যক সংসদ সদস্যদের ভোট পাবেন তিনি মন্ত্রী এবং পরবর্তী সর্বোচ্চ সংখ্যক পাবেন তিনি প্রতিমন্ত্রী নির্বাচিত হবেন।

§  সম সংখ্যক ভোটের ক্ষেত্রে স্পিকার নির্ণয়ক ভোট প্রদান করে মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী নির্বাচিত করবেন।

§  মন্ত্রী বা প্রতিমন্ত্রীর পদ শূন্য হলে, সে সংসদের যে শ্রেণীর অন্তর্ভুক্ত ছিলেন কেবল সেই শ্রেণীর সংসদ সদস্যদের মধ্য থেকে তাঁদের ভোটে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।


  প্রধানমন্ত্রী ও উপ-প্রধানমন্ত্রী সিলেকশন বা নির্বাচন,

§  সংসদের প্রথম অধিবেশনে মন্ত্রি ও প্রতিমন্ত্রী শফত গ্রহণের পর প্রধানমন্ত্রী ও উপ-প্রধানমন্ত্রী সিলেকশন বা নির্বাচন হবে

§  প্রধানমন্ত্রী (সংসদ নেতা) ও উপ-প্রধানমন্ত্রী (সংসদ উপনেতা) সংসদ সদস্য হবেন।

§  সংসদের প্রথম অধিবেশনে তিন-চতুর্থাংশ পূর্ণমন্ত্রীগণের (প্রতিমন্ত্রী নয়) সমর্থনে প্রধানমন্ত্রী ও উপ-প্রধানমন্ত্রী সিলেকশন করে স্পিকারের নিকট লিখিত প্রস্তাব প্রদান করবেন। তারপর, স্পিকার প্রধানমন্ত্রী ও উপ-প্রধানমন্ত্রীর নাম ঘোষণা করবেন।

§  পূর্ণমন্ত্রীগণ প্রধানমন্ত্রী ও উপ-প্রধানমন্ত্রী সিলেকশন করতে অসমর্থ হলে। তবে,

o   ১ম ধাপে, লিখিত ভোটের মাধ্যমে পূর্ণমন্ত্রীগণের ভোটে সংসদ সদস্যদের মধ্য থেকে দুইজন সংসদ সদস্য নির্বাচিত হবেন।

o   ২য় ধাপে, সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে ইনস্ট্যান্ট-রানঅফ (টপ টু) পদ্ধতিতে সকল সংসদ সদস্যদের লিখিত ভোটের মাধ্যমে ১ম ধাপে নির্বাচিত প্রার্থীদের মধ্য থেকে প্রধানমন্ত্রী (সংসদ নেতা) ও উপ-প্রধানমন্ত্রী (সংসদ উপনেতা) নির্বাচিত হবেন।

o   সকল সংসদ সদস্যদের ভোটে যিনি প্রথম পছন্দে থাকবেন তিনি প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হবেন এবং যিনি পরবর্তী পছন্দে থাকবেন তিনি উপ-প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হবেন।

§  প্রধানমন্ত্রী বা উপ-প্রধানমন্ত্রীর পদ শূন্য হলে, সে সংসদের যে শ্রেণীর অন্তর্ভুক্ত ছিলেন কেবল সেই শ্রেণীর সংসদ সদস্যদের মধ্য থেকে তাঁদের ভোটে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।