নিম্নের বিষয়টি শুনতে পারবেন।
ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন।
পড়ার চেয়ে যারা শুনতে পছন্দ করেন, তাঁরা এখানে বিষয়টি শুনতে পারবেন।
অনলাইন বা সফট কপি পড়তে অভ্যস্ত নন, তাঁরা ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন।
৪১। বাংলাদেশ মালিক/উদ্যোক্তা ফেডারেশন নির্বাচন,
Ø তফসিল,
o
দেশের একটি ‘বাংলাদেশ মালিক/উদ্যোক্তা ফেডারেশন’ কমিটি থাকবে।
আঞ্চলিক মালিক/উদ্যোক্তা ফেডারেশন নির্বাচনের পরবর্তী বছর ১ জুলাই
বা উপজেলা মালিক/উদ্যোক্তা ফেডারেশন নির্বাচনের সাথে বাংলাদেশ
মালিক/উদ্যোক্তা ফেডারেশন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
o
আঞ্চলিক মালিক/উদ্যোক্তা
ফেডারেশনের সভাপতি ও সহ-সভাপতি পদধিকার বলে বাংলাদেশ মালিক/উদ্যোক্তা ফেডারেশনের কার্যকরী সদস্য পদে অধিষ্ঠিত হবেন।
o
বাংলাদেশ মালিক/উদ্যোক্তা সদস্যগণ পদাধিকার বলে কেন্দ্রীয় (খাত)
মালিক/উদ্যোক্তা কমিটির সভাপতি ও সহ-সভাপতি হবেন। তবে কে কোনো কেন্দ্রীয় (খাত) মালিক/উদ্যোক্তা
কমিটির সভাপতি ও সহ-সভাপতি হবেন তা ‘বাংলাদেশ মালিক/উদ্যোক্তা ফেডারেশন’ কমিটি নির্ধারণ
করবেন।
o
বাংলাদেশ মালিক/উদ্যোক্তা ফেডারেশন’ কমিটির পদসমূহ ‘আঞ্চলিক মালিক/উদ্যোক্তা ফেডারেশন’ কমিটির মতো একই পদ থাকবে।
Ø প্রার্থী,
o
‘বাংলাদেশ মালিক/উদ্যোক্তা ফেডারেশন’ কমিটির নির্দিষ্ট ৬০টি
পদের জন্য, আঞ্চলিক মালিক/উদ্যোক্তা ফেডারেশনের একই পদের নির্বাচিতদের থেকে প্রার্থী হবেন (গুরুপিং অনেক কম হবে)। অর্থাৎ যারা
আঞ্চলিক মালিক/উদ্যোক্তা ফেডারেশনের সভাপতি, আমদানি ও রপ্তানি
সম্পাদক, আইন সম্পাদক ইত্যাদি পদে নির্বাচিত হয়েছেন তারা যথাক্রমে বাংলাদেশ মালিক/উদ্যোক্তা
ফেডারেশন নির্বাচনে সভাপতি, আমদানি ও রপ্তানি সম্পাদক ও সহ সম্পাদক
, আইন সম্পাদক ও সহ সম্পাদক ইত্যাদি পদের প্রার্থী হবে।
o
বাংলাদেশ মালিক/উদ্যোক্তা ফেডারেশন পদের
সাবেক বিজয়ী বা পরবর্তীতে পরাজিত সদস্য বাংলাদেশ মালিক/উদ্যোক্তা ফেডারেশন নির্বাচনের যেকোনো
পদে প্রার্থী হতে পারবেন।
o
বাংলাদেশ মালিক/উদ্যোক্তা ফেডারেশনের পদে সর্বোচ্চ
তিন টার্ম প্রার্থী হতে পারবেন।
o
আঞ্চলিক মালিক/উদ্যোক্তা
ফেডারেশন নির্বাচনে জয়ী ও
সর্বশেষ পরাজিত প্রার্থী বাংলাদেশ মালিক/উদ্যোক্তা ফেডারেশন নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবেন না।
Ø ভোটার,
o
সকল আঞ্চলিক মালিক/উদ্যোক্তা ফেডারেশনের
সদস্যরা বাংলাদেশ মালিক/উদ্যোক্তা ফেডারেশন নির্বাচনে সকল পদের ভোটার হবেন।
o
তফসিল ঘোষণার ১৫ দিন পূর্বে খসড়া ভোটার তালিকা বিভাগীয়
নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে।
o
খসড়া ভোটার তালিকার বিরুদ্ধে খসরা ভোটার তালিকা প্রকাশের ৫
দিনের মধ্যে আপিল দাখিলের সময় থাকবে।
o
আপিল দাখিলের পরবর্তী ১০ দিনের মধ্যে আপত্তি নিষ্পত্তি করা
হবে এবং তফসিল ঘোষণার সাথে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে
প্রকাশ করা হবে।
Ø ভোট কেন্দ্র,
o
দেশের র্যাংকিংয়ে শীর্ষে থাকা ইঞ্জিনিয়ারিং বিশ্ববিদ্যালয়ে
ভোট অনুষ্ঠিত হবে।
o
প্রধান নির্বাচন কমিশনার রিটার্নিং অফিসার, নির্বাচন কমিশনারগণ
সহকারী রিটার্নিং অফিসার, ভিসি প্রিজাইডিং অফিসার এবং প্রভিসি সহকারী প্রিজাইডিং ও
ডিন পোলিং অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।
Ø নির্বাচনী ফলাফল,
o
ভোট গনণা শেষে কেন্দ্রের প্রতিটি কক্ষে বিজয়ী
ঘোষণা করা হবে, তারপর কেন্দ্রে প্রাথমিক বিজয়ী ঘোষণা করা হবে।
o
নির্বাচনের পরের দিন সিসিটিভির ঘণ্টা ও মিনিট উল্লেখ করে অভিযোগ
বা সুনির্দিষ্ট অভিযোগ উল্লেখ করে প্রার্থী আপিল করতে পারবেন এবং পরবর্তী ৬ দিনের মধ্যে
আপিল নিষ্পত্তি করে আনুষ্ঠানিক ফলাফল ঘোষণা করা হবে।
o
যে সকল নির্বাচনী আসনে নির্বাচনের পরের দিন আপিল আসবে না, সেখানে
নির্বাচন পরবর্তী ২য় দিন বিকাল ৫টার পর আনুষ্ঠানিক ফলাফল ঘোষণা করা হবে।