আপনার নেতৃত্বের অপেক্ষায়---আগামীর বাংলাদেশ।
তুমি জেগে ওঠো আজকের হয়ে, এবার তুমি তোমার মত, তুমি বাঁধনহারা, তোমার জন্য স্বাধীনতা, তোমাকে আসতেই হবে, নতুন বাংলাদেশ তোমার অপেক্ষায়। যেখানে তোমার স্বপ্ন, তুমি বুনবে, নতুন বাংলাদেশ- আগামী বিশ্ব তোমার হাতে।
প্রস্তাবনা
Impact Story
বিষয়টি শুনুন

নিম্নের বিষয়টি শুনতে পারবেন।

ডাউনলোড করুন

ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন।

Impact Story
পাশে উল্লিখিত বিষয়টি শুনুন

পড়ার চেয়ে যারা শুনতে পছন্দ করেন, তাঁরা এখানে বিষয়টি শুনতে পারবেন।

পাশে উল্লিখিত বিষয়টি ডাউনলোড করুন

অনলাইন বা সফট কপি পড়তে অভ্যস্ত নন, তাঁরা ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন।

 

 

বিস্‌মিল্লাহির-রহ্‌মানির রহিম (দয়াময়, পরম দয়ালু, আল্লাহের নামে) / পরম করুণাময় সৃষ্টিকর্তার নামে

 

প্রস্তাবনা

 

আমরা, বাংলাদেশের জনগণ, ১৯৭১ খ্রীষ্টাব্দের মার্চ মাসের ২৬ তারিখে স্বাধীনতা ঘোষণা করিয়া [সংকল্পবদ্ধ সংগ্রাম করিয়া মুক্তিযুদ্ধের] মাধ্যমে স্বাধীন ও সার্বভৌম জনগণতন্ত্রী বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত করিয়াছি; এবং ঐতিহাসিক জুলাই মুক্তির বিপ্লবের মাধ্যমে অভিজাতন্ত্র ও একনায়কতন্ত্র অবসান ঘটিয়েছি

আমরা অঙ্গীকার করিতেছি যে, যে সকল মহান আদর্শ আমাদের বীর জনগণকে জাতীয় স্বাধীনতা সংগ্রাম ও মুক্তির বিপ্লবে স্রষ্টাকে তুষ্টে আত্মনিয়োগ ও বীর শহীদদিগকে প্রাণোৎসর্গ করিতে উদ্বুদ্ধ করিয়াছিল– [মানবতাবাদ (ধর্ম)], সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও [সাম্যতার (বৈষম্যহীন)] সেই সকল আদর্শ এই সংবিধানের মূলনীতি হইবে;

আমরা আরও অঙ্গীকার করিতেছি যে, আমাদের রাষ্ট্রের অন্যতম মূল লক্ষ্য হইবে গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে এমন এক শোষণমুক্ত সমাজতান্ত্রিক সমাজের প্রতিষ্ঠা- যেখানে সকল নাগরিকের জন্য আইনের শাসন, মৌলিক মানবাধিকার এবং রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক সাম্য, কর্মের ভিত্তিতে সম্পদের সমতা, স্বাধীনতা ও সুবিচার নিশ্চিত হইবে;

আমরা দৃঢ়ভাবে ঘোষণা করিতেছি যে, আমরা যাহাতে স্বাধীন সত্তায় সমৃদ্ধি লাভ করিতে পারি এবং মানবজাতির [কল্যাণ ও] আশা-আকাঙ্খার সহিত সঙ্গতি রক্ষা করিয়া আন্তর্জাতিক শান্তি ও সহযোগীতার ক্ষেত্রে পূর্ণ ভূমিকা পালন করিতে পারি, সেই জন্য বাংলাদেশের জনগণের অভিপ্রায়ের অভিব্যক্তিস্বরূপ এই সংবিধানের প্রাধান্য অক্ষুণ্ন রাখা এবং ইহার রক্ষণ, সমর্থন ও নিরাপত্তাবিধান আমাদের পবিত্র কর্তব্য;

এতদ্বারা [আমরা (ছাত্র-জনতার প্রতিনিধি হিসেবে সুপ্রিম ভোটে ঐকমত্য সংসদ সদস্য)], অদ্য [চৌদ্দ শত চৌত্রিশ বঙ্গাব্দের শ্রাবণ মাসের একুশ তারিখ, মোতাবেক বিশ শত সাতাশ খ্রীষ্টাব্দের অগাস্ট মাসের পাঁচ] তারিখ, হইতে এই সংবিধান [...] সমবেতভাবে গ্রহণ করিলাম।

 

“১। জাতীয় মুক্তির জন্য ঐতিহাসিক সংগ্রামের, “২। জাতীয়তাবাদ”, “৩। ধর্মনিরপেক্ষতা”, “৪। প্রগতিশীল”, “৫। আমাদের এই গণপরিষদে”, “৬। তের শত ঊনআশী বঙ্গাব্দের কার্তিক মাসের আঠারো তারিখ, মোতাবেক ঊনিশ শত বাহাত্তর খ্রীষ্টাব্দের নভেম্বর মাসের চার”, “৭। রচনা ও বিধিবদ্ধ করিয়া

 

ককককক= সংযুক্ত, [কককক]০০= পরিবর্তিত, ককককক= বিলুপ্ত, ককককক= অপরিবর্তিত,

কককক= সম্ভব