আপনার নেতৃত্বের অপেক্ষায়---আগামীর বাংলাদেশ।
তুমি জেগে ওঠো আজকের হয়ে, এবার তুমি তোমার মত, তুমি বাঁধনহারা, তোমার জন্য স্বাধীনতা, তোমাকে আসতেই হবে, নতুন বাংলাদেশ তোমার অপেক্ষায়। যেখানে তোমার স্বপ্ন, তুমি বুনবে, নতুন বাংলাদেশ- আগামী বিশ্ব তোমার হাতে।
৬৬। সংসদে নির্বাচিত হইবার যোগ্যতা ও অযোগ্যতা
Impact Story
বিষয়টি শুনুন

নিম্নের বিষয়টি শুনতে পারবেন।

ডাউনলোড করুন

ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন।

Impact Story
পাশে উল্লিখিত বিষয়টি শুনুন

পড়ার চেয়ে যারা শুনতে পছন্দ করেন, তাঁরা এখানে বিষয়টি শুনতে পারবেন।

পাশে উল্লিখিত বিষয়টি ডাউনলোড করুন

অনলাইন বা সফট কপি পড়তে অভ্যস্ত নন, তাঁরা ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন।

৬৬। সংসদে নির্বাচিত হইবার যোগ্যতা ও অযোগ্যতা

৬৬। [(১) এই সংবিধানের দ্বিতীয় তফসিলে উল্লিখিত জাতীয় সংসদে প্রার্থী হওয়ার যোগ্যতা অনুযায়ী এবং] এই অনুচ্ছেদের (২) দফায় বর্ণিত বিধান-সাপেক্ষে তিনি সংসদের সদস্য নির্বাচিত হইবার এবং সংসদ-সদস্য থাকিবার যোগ্য হইবেন।

(২) কোনো ব্যক্তি সংসদের সদস্য নির্বাচিত হইবার এবং সংসদ-সদস্য থাকিবার যোগ্য হইবেন না, যদি

(ক) কোন উপযুক্ত আদালত তাঁহাকে অপ্রকৃতিস্থ বলিয়া ঘোষণা করেন;

(খ) তিনি দেউলিয়া ঘোষিত হইবার পর দায় হইতে অব্যাহতি লাভ [করিবার পর পাঁচ বৎসরকাল অতিবাহিত না হইলে;]

(গ) তিনি কোন বিদেশী রাষ্ট্রের নাগরিকত্ব [গ্রহণ] করেন কিংবা কোনো বিদেশী রাষ্ট্রের প্রতি আনুগত্য ঘোষণা বা স্বীকার করেন;

(ঘ) তিনি [অসদাচরণের দায়ে বা] কোন ফৌজদারী অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হইয়া অন্যূন [৫ লাখ টাকা বা ছয় মাসের]কারাদণ্ডে দণ্ডিত হন এবং তাঁহার অর্থ প্রদান বা মুক্তিলাভের পর পাঁচ বৎসরকাল অতিবাহিত না হইলে;

[(ঙ) সাংবিধানিক পদে নিযুক্ত আছেন বা ছিলেন এবং পাঁচ বৎসরকাল অতিবাহিত না হইলে।]

(চ) এই সংবিধান আইনের দ্বারা পদাধিকারীকে অযোগ্য ঘোষণা করিতেছে না, এমন পদ ব্যতীত তিনি নাগরিকতন্ত্রের কর্মে কোন লাভজনক পদে অধিষ্ঠিত আছেন বা ছিলেন এবং পাঁচ বৎসরকাল অতিবাহিত না হইলে;

তবে, সংরক্ষিত আসেন ক্ষেত্রে নাগরিকতন্ত্রের কর্মে কোন লাভজনক পদে অধিষ্ঠিত আছেন বা ছিলেন এবং এক বৎসরকাল অতিবাহিত না হইলে, অথবা

(ছ) তিনি এই সংবিধানের দ্বিতীয় তফসিল অনুযায়ী বা কোন আইনের দ্বারা বা অধীন অনুরূপ নির্বাচনের জন্য অযোগ্য হন।

(২ক) এই অনুচ্ছেদের (২) দফার (গ) উপ-দফা তে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, কোন ব্যক্তি জন্মসূত্রে বাংলাদেশের নাগরিক হইয়া কোন বিদেশী রাষ্ট্রের নাগরিকত্ব অর্জন করিলে এবং পরবর্তীতে উক্ত ব্যক্তি-

(ক) দ্বৈত নাগরিকত্ব গ্রহণের ক্ষেত্রে, বিদেশী রাষ্ট্রের প্রতি আনুগত্য ঘোষণা বা স্বীকার বা নাগরিকত্ব ত্যাগ করিয়া পাঁচ বৎসরকাল অতিবাহিত হইলে; কিংবা

(খ) অন্য ক্ষেত্রে, পুনরায় বাংলাদেশের নাগরিকত্ব গ্রহণ করিয়া পাঁচ বৎসরকাল অতিবাহিত হইলে- 

এই অনুচ্ছেদের উদ্দেশ্য সাধনকল্পে তিনি বিদেশী রাষ্ট্রের নাগরিকত্ব অর্জন করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবেন না।

(৩) এই অনুচেছদের উদ্দেশ্য সাধনকল্পে কোন ব্যক্তি কেবল রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, স্পীকার, ডেপুটি স্পীকার, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, উপ-মন্ত্রী ও সাংসদ এবং স্থানীয় সংস্থার আঞ্চলিক, জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান বা মেম্বার হইবার কারণে নাগরিকতন্ত্রের কর্মে কোন লাভজনক পদে অধিষ্ঠিত বলিয়া গণ্য হইবেন না।

(৪) কোন সংসদ-সদস্য তাঁহার নির্বাচনের পর এই অনুচ্ছেদের (১ ও ২) দফায় বর্ণিত অযোগ্যতার অধীন হইয়াছেন কি না সে সম্পর্কে কোন বিতর্ক দেখা দিলে শুনানী ও নিষ্পত্তির জন্য প্রশ্নটি নির্বাচন বিভাগে প্রেরিত হইবে, যাহা সুপ্রিম কোর্টের সহযোগীতায় নিষ্পত্তি হইবে।

(ক) অযোগ্যতা প্রমাণিত হলে সংসদের সদস্য পদ বাতিল হইবেন, এবং সংসদ আইনের দ্বারা অন্যূন চার বছরের কারাদণ্ড বা এক কোটি টাকা জরিমানা বা উভয়দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন, এবং এই অনুচ্ছেদের (২) দফার (গ) উপ-দফা ও (২ক) দফার (ক) উপ-দফা ব্যতীত অন্য অযোগ্যতা প্রমাণিত হলে, প্রার্থী যোগ্যতা নিরীক্ষণে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে সংসদ আইনের দ্বারা অন্যূন চার বছরের কারাদণ্ড বা এক কোটি টাকা জরিমানা বা উভয়দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।

(৫) এই অনুচ্ছেদের (৪) দফার বিধানাবলী যাহাতে পূর্ণ কার্যকরতা লাভ করিতে পারে, সেই উদ্দেশ্যে নির্বাচন কমিশনকে ক্ষমতাদানের জন্য সংসদ যেরূপ প্রয়োজন বোধ করিবেন, আইনের দ্বারা সেইরূপ বিধান করিতে পারিবেন।

 

“১। কোন ব্যক্তি বাংলাদেশের নাগরিক হইলে এবং তাঁহার বয়স পঁচিশ বৎসর পূর্ণ হইলে”, “২। না করিয়া থাকেন”,”৩। অর্জন”, ”৪। নৈতিক স্খলনজনিত”, ”৫। দুই বৎসরের”, ”৬। তিনি ১৯৭২ সালের বাংলাদেশ যোগসাজশকারী (বিশেষ ট্রাইব্যুনাল) আদেশের অধীন কোন অপরাধের জন্য দণ্ডিত হইয়া থাকেন


০০।  ককককক= নতুন উপধারা বা ধারা, কককককসংযুক্ত[কককক]০০=সংশোধিত বা পরিবর্তিত, ককককক= বিলুপ্ত, ককককক= অপরিবর্তিত"