নিম্নের বিষয়টি শুনতে পারবেন।
ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন।
পড়ার চেয়ে যারা শুনতে পছন্দ করেন, তাঁরা এখানে বিষয়টি শুনতে পারবেন।
অনলাইন বা সফট কপি পড়তে অভ্যস্ত নন, তাঁরা ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন।
৩৩। গ্রেপ্তার ও আটক সম্পর্কে
রক্ষাকবচ
(১) গ্রেপ্তারকৃত কোন ব্যক্তিকে গোপনে বা প্রকাশ্যে গ্রেপ্তারের কারণ জ্ঞাপন
না করিয়া প্রহরায় আটক রাখা যাইবে না এবং উক্ত ব্যক্তিকে তাঁহার মনোনীত আইনজীবীর
সহিত পরামর্শের ও তাঁহার দ্বারা আত্মপক্ষ-সমর্থনের অধিকার হইতে বঞ্চিত করা যাইবে
না।
(২)
গ্রেপ্তারকৃত ও প্রহরায় আটক প্রত্যেক [নাগরিককে ]১ উপজেলা
জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের সম্মুখে গ্রেপ্তারের [আট ]২ ঘন্টার
মধ্যে, প্রয়োজনে পরবর্তী ধাপে উপজেলা ও দায়রা জজ সম্মুখে ষোল ঘন্টার মধ্যে (গ্রেপ্তারের স্থান হইতে ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে আনয়নের জন্য প্রয়োজনীয়
সময় ব্যতিরেকে) হাজির করা হইবে এবং [বিচার বিভাগীয় ]৩ আদেশ
ব্যতীত তাঁহাকে তদতিরিক্তকাল প্রহরায় আটক রাখা যাইবে না এবং
সম্মানের সহিত তাহাঁকে যথাস্থানে পৌঁছে দিতে হইবে।
(৩) কোন ব্যক্তিকে গ্রেফতারের সময় তাঁর আত্মীয়-স্বজন অবগত না থাকলে
গ্রেফতারের ৩ ঘন্টার মধ্যে তাঁর
আত্মীয়-স্বজনকে অবগত করা হইবে যা সংরক্ষিত থাকিবে এবং জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
আদালতে উত্থাপনের পূর্বে লিপিবদ্ধ অভিযোগের অনুলিপি আত্মীয়-স্বজন বা তাঁহার
মনোনীত আইনজীবীকে প্রদানে বাধ্য হইবে।
(৪) এই
অনুচ্ছেদের (১), (২) ও (৩) দফার কোন
কিছুই সেই ব্যক্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হইবে না,
(ক) যিনি বর্তমান সময়ের জন্য বিদেশী শত্রু।
(খ) জাতীয় নিরাপত্তা
মূলক কোনো আইনের অধীন গ্রেপ্তার বা আটক করা হইয়াছে।
(গ) যাঁহাকে নিবর্তনমূলক আটকের বিধান-সংবলিত কোন আইনের অধীন গ্রেপ্তার করা
হইয়াছে বা আটক করা হইয়াছে।
(৫) বিদেশি রাষ্ট্রের
সহিত আঁতাতের অভিযোগে জাতীয় পরিষদের গোপন সভায় রাষ্ট্রপতির সম্মতিতে জাতীয় নিরাপত্তা
মূলক আইনের অধীনে গ্রেপ্তার বা আটক; অথবা
কোনো আদালত কর্তৃক সাজাপ্রাপ্ত আসামী ৩০
দিনের মধ্যে আত্মসমর্পণ না করিয়া থাকিলে দেশে বা বিদেশে পলাতক অবস্থায় গ্রেপ্তার বা
আটকের সাত দিনের মধ্যে গোপন সামরিক আদালতে বিচারের জন্য উপস্থিত করিতে হইবে এবং রায়
কার্যকর হইবে।
(৬) নিবর্তনমূলক আটকের
বিধান-সংবলিত কোন আইন কোন ব্যক্তিকে [তিন ]৪ মাসের অধিক কাল আটক রাখিবার ক্ষমতা প্রদান
করিবে না যদি সুপ্রীম কোর্টের বিচারক রহিয়াছেন বা ছিলেন কিংবা সুপ্রীম কোর্টের
বিচারকপদে নিয়োগলাভের যোগ্যতা রাখেন, এইরূপ দুইজন এবং নাগরিকতন্ত্রের
কর্মে সর্বমোট ২৫ বৎসর নিযুক্ত একজন কর্মকর্তার সমন্বয়ে গঠিত কোনো উপদেষ্টা-পর্ষদ্ উক্ত [তিন ]৫ মাস
অতিবাহিত হইবার পূর্বে তাঁহাকে উপস্থিত হইয়া বক্তব্য পেশ করিবার সুযোগদানের পর
রিপোর্ট প্রদান না করিয়া থাকেন যে, পর্ষদের মতে উক্ত
ব্যক্তিকে তদতিরিক্ত কাল আটক রাখিবার পর্যাপ্ত কারণ রহিয়াছে।
(৭) নিবর্তনমূলক আটকের
বিধান-সংবলিত কোনো আইনের অধীন প্রদত্ত আদেশ অনুযায়ী কোনো ব্যক্তিকে আটক করা হইলে
আদেশদানকারী কর্তৃপক্ষ তাঁহাকে যথাসম্ভব শীঘ্র আদেশদানের কারণ জ্ঞাপন করিবেন এবং
উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে বক্তব্য-প্রকাশের জন্য তাঁহাকে যত সত্বর সম্ভব সুযোগদান করিবেন:
তবে শর্ত থাকে যে,
আদেশদানকারী কর্তৃপক্ষের বিবেচনায় তথ্যাদি-প্রকাশ
জনস্বার্থবিরোধী বলিয়া মনে হইলে অনুরূপ কর্তৃপক্ষ তাহা প্রকাশে অস্বীকৃতি জ্ঞাপন
করিতে পারিবেন।
(৮) উপদেষ্টা-পর্ষদ
কর্তৃক এই অনুচ্ছেদের (৬) দফার অধীন তদন্তের জন্য অনুসরণীয় পদ্ধতি সংসদ আইনের দ্বারা নির্ধারণ করিতে পারিবেন।
(৯) এই সংবিধানের নবম-ক ভাগের ‘১৪১ ক’ অনুচ্ছেদ
অনুযায়ী জরুরী-অবস্থার সময় ব্যতীত এই
অনুচ্ছেদের ৪(গ), ৫, ৬, ৭ ও ৮ দফা এবং নিবর্তনমূলক আটকের
বিধান-সংবলিত কোনো আইন কার্যকর থাকিবে না।
“১। ব্যক্তিকে নিকটতম”, “২। চব্বিশ“ “৩। ম্যাজিস্ট্রেটের“ “৪। ছয় “ “৫। ছয়”
“০০। ককককক= নতুন উপধারা বা ধারা, ককককক= সংযুক্ত, [কককক]০০=সংশোধিত বা পরিবর্তিত, ককককক= বিলুপ্ত, ককককক= অপরিবর্তিত"