নিম্নের বিষয়টি শুনতে পারবেন।
ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন।
পড়ার চেয়ে যারা শুনতে পছন্দ করেন, তাঁরা এখানে বিষয়টি শুনতে পারবেন।
অনলাইন বা সফট কপি পড়তে অভ্যস্ত নন, তাঁরা ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন।
১০১। হাইকোর্ট বিভাগের এখতিয়ার
(১) অধস্তন আদালতের রায় বা দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপীল
শুনানীর ও তাহা নিষ্পত্তির এখতিয়ার হাইকোর্ট বিভাগের থাকিবে।
(২) অধস্তন আদালতের রায় বা দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগের নিকট সেই
ক্ষেত্রে অধিকারবলে আপীল করা যাইবে, যে ক্ষেত্রে অধস্তন
আদালত,
(ক) এই মর্মে সার্টিফিকেট দান করিবেন যে,
মামলাটির সহিত এই সংবিধান-ব্যাখ্যার বিষয়ে আইনের গুরুত্বপূর্ণ
প্রশ্ন জড়িত রহিয়াছে; অথবা
(খ) কোন মৃত্যুদণ্ড বহাল করিয়াছেন কিংবা কোন
ব্যক্তিকে মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত করিয়াছেন; এবং
(গ) সংসদে আইন-দ্বারা যেরূপ বিধান করা হইবে, সেইরূপ অন্যান্য ক্ষেত্রে।
(৪) অধস্তন আদালতের অনুরোধে মামলা মীমাংসা করিতে হাইকোর্ট বিভাগ সহযোগীতা
করিবে।
(৩) সময়ের চাহিদায় পরিবর্তীত রায় ব্যতীত অধস্তন আদালতের রায় বা দন্ডাদেশ হাইকোর্ট বিভাগে পরিবর্তন হইলে অধস্তন
আদালতের ঐ মামলার বিচারক বা বিচারকদের তিরস্কার মূলক শাস্তির ব্যবস্থা করিবে।
(৫) কোন ব্যক্তির হাজিরা কিংবা কোন দলিলপত্র উদ্ঘাটন বা দাখিল করিবার আদেশসহ হাইকোর্ট বিভাগের নিকট বিচারাধীন যে কোন মামলা বা বিষয়ে সম্পূর্ণ ন্যায়বিচারের জন্য যেরূপ প্রয়োজনীয় হইতে পারে, উক্ত বিভাগ সেইরূপ নির্দেশ, আদেশ, ডিক্রী বা রীট জারী করিতে পারিবেন।
(৬)
এই সংবিধান বা অন্য কোন আইনের দ্বারা হাইকোর্ট বিভাগের উপর যেরূপ আদি, আপীল ও অন্যপ্রকার
এখতিয়ার ও ক্ষমতা অর্পিত হইয়াছে, উক্ত বিভাগের সেইরূপ এখতিয়ার ও ক্ষমতা থাকিবে।
“০০। ককককক= নতুন উপধারা বা ধারা, ককককক= সংযুক্ত, [কককক]০০=সংশোধিত বা পরিবর্তিত, ককককক= বিলুপ্ত, ককককক= অপরিবর্তিত"